সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০ ১৫০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক:: বরিশালের কীর্তনখোলা নদী দখল করে পাইলিং করে বালু ও মাটি ফেলে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি দখলের জন্য করা পাইংলিং ভেঙে ফেলা হয়েছে।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী খলিফাবাড়ি সংলগ্ন কীর্তনখোলার নদীর তীরবর্তী এলাকায় সদ্য মেহগনি গাছ দিয়ে তৈরি করা পাইলিং ভেঙে ফেলা হয়। এছাড়া পাইলিং এর ভেতরের অংশে দেওয়া ব্লকগুলোও ভেঙে ফেলা হয়।

স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলার ওই অংশে নদীর তীরজুড়ে ইট, বালু, পাথরের ডিপো এবং ডকইয়ার্ড গড়ে তুলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারা বিভিন্ন সময় নদীর জায়গা ভরাট করে ব্যবসার জায়গার পরিধি বাড়ান। সর্বশেষ রাইভিউল কবির স্বপন নামে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী তীর থেকে নদীর মধ্যে কয়েক ফুট ভেতরে গিয়ে এ পাইলিং এর কাজ শুরু করেন।

তবে রাইভিউল কবির স্বপন সাংবাদিকদের জানান, খলিফাবাড়ি থেকে কাটাদিয়া খাল পর্যন্ত কীর্তনখোলা তীরে তার ১৭ একর রেকর্ডীয় জমি আছে। যেখানে পাইলিং দেওয়া হচ্ছে সেখানের একটি দাগে ৫৯ শতাংশ জমি ছিল। এখন আছে ২৫ শতাংশ। বাকিটা নদীতে ভেঙে গেছে। ভাঙন ঠেকাতেই পাইলিং দিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছিলো।

এদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান জানান, জেলা প্রশাসক এম এম অজিয়র রহমানের নির্দেশে নদী ও নদীর জায়গা দখলদারদের হাত থেকে রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। যার ধারাবাহিকতায় আজ এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেস্ক:: বরিশালের কীর্তনখোলা নদী দখল করে পাইলিং করে বালু ও মাটি ফেলে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি দখলের জন্য করা পাইংলিং ভেঙে ফেলা হয়েছে।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী খলিফাবাড়ি সংলগ্ন কীর্তনখোলার নদীর তীরবর্তী এলাকায় সদ্য মেহগনি গাছ দিয়ে তৈরি করা পাইলিং ভেঙে ফেলা হয়। এছাড়া পাইলিং এর ভেতরের অংশে দেওয়া ব্লকগুলোও ভেঙে ফেলা হয়।

স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলার ওই অংশে নদীর তীরজুড়ে ইট, বালু, পাথরের ডিপো এবং ডকইয়ার্ড গড়ে তুলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারা বিভিন্ন সময় নদীর জায়গা ভরাট করে ব্যবসার জায়গার পরিধি বাড়ান। সর্বশেষ রাইভিউল কবির স্বপন নামে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী তীর থেকে নদীর মধ্যে কয়েক ফুট ভেতরে গিয়ে এ পাইলিং এর কাজ শুরু করেন।

তবে রাইভিউল কবির স্বপন সাংবাদিকদের জানান, খলিফাবাড়ি থেকে কাটাদিয়া খাল পর্যন্ত কীর্তনখোলা তীরে তার ১৭ একর রেকর্ডীয় জমি আছে। যেখানে পাইলিং দেওয়া হচ্ছে সেখানের একটি দাগে ৫৯ শতাংশ জমি ছিল। এখন আছে ২৫ শতাংশ। বাকিটা নদীতে ভেঙে গেছে। ভাঙন ঠেকাতেই পাইলিং দিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছিলো।

এদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান জানান, জেলা প্রশাসক এম এম অজিয়র রহমানের নির্দেশে নদী ও নদীর জায়গা দখলদারদের হাত থেকে রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। যার ধারাবাহিকতায় আজ এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।