সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ধর্ষণ মামলার ২২ দিন পরও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাদারীপুরে ধর্ষণ মামলার ২২ দিন পরও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করে কেঁদেছেন ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা। গতকাল বুধবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন মৈত্রী মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করেন অসহায় এই বাবা।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের নাম শাকিল হাওলাদার। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নুরুল হক হাওলাদারের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত তখন থেকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করত শাকিল। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে সে। ভয়ে এবং লোকলজ্জায় প্রথমে আমাদের বিষয়টি জানায়নি মেয়ে। এরই মধ্যে ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয় শাকিল। এ অবস্থায় মামলা করি আমরা। কিন্তু মামলার ২২ দিন পর তাকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।’

নির্যাতিতা কিশোরীর বাবা আরও বলেন, ‘শাকিলকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। উল্টো তার বাবা নুরুল হক, চাচা রিপন হাওলাদার, চাচা কামাল হাওলাদার, ভগ্নিপতি রফিক ও মা মায়া বেগম আমাকে এবং আমার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমি এখন আমার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি ধর্ষক শাকিলের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। ধর্ষকের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করা হচ্ছে। আগের মোবাইল নম্বর ব্যবহার না করায় ধর্ষককে গ্রেপ্তারে একটু সময় লাগছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ধর্ষণ মামলার ২২ দিন পরও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৪২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯

মাদারীপুরে ধর্ষণ মামলার ২২ দিন পরও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করে কেঁদেছেন ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা। গতকাল বুধবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন মৈত্রী মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করেন অসহায় এই বাবা।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের নাম শাকিল হাওলাদার। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নুরুল হক হাওলাদারের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত তখন থেকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করত শাকিল। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে সে। ভয়ে এবং লোকলজ্জায় প্রথমে আমাদের বিষয়টি জানায়নি মেয়ে। এরই মধ্যে ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয় শাকিল। এ অবস্থায় মামলা করি আমরা। কিন্তু মামলার ২২ দিন পর তাকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।’

নির্যাতিতা কিশোরীর বাবা আরও বলেন, ‘শাকিলকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। উল্টো তার বাবা নুরুল হক, চাচা রিপন হাওলাদার, চাচা কামাল হাওলাদার, ভগ্নিপতি রফিক ও মা মায়া বেগম আমাকে এবং আমার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমি এখন আমার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি ধর্ষক শাকিলের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। ধর্ষকের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করা হচ্ছে। আগের মোবাইল নম্বর ব্যবহার না করায় ধর্ষককে গ্রেপ্তারে একটু সময় লাগছে।’