সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড চুয়াডাঙ্গায় ঝন্টু হত্যা মামলার ১৭ বছর পর দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বরিশালে ডেলটা লাইফ ইনসিওরেন্সের একক বীমার বিশেষ উন্নয়ন সভা অনুণ্ঠিত নানা আয়োজনে ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ঝালকাঠি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠি জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে গণশুনানি, অবৈধ দখল উচ্ছেদের ঘোষণা বিষখালী নদীতে মৎস্য অভিযান, আটক ৫ ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জনের কারাদণ্ড অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করলেন গর্ভবতী নারী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিনিধি::-

স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করলেন গর্ভবতী নারী সোনাগাজীতে স্বামীকে তালাকের পর প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর। সামাজিক সিদ্ধান্তে সোমবার বিকেলে ফেনীর আদালত পাড়ায় তিন লাখ টাকা দেনমোহরে দুজনের বিয়ে হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান কবির সাজু জানান রাজের ছদ্মনাম সঙ্গে রানির ছদ্মনাম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তিন বছর ধরে সম্পর্ক চলাকালে গত আট মাস আগে পরিবারের অমতে গোপনে তারা বিয়ে করেন। চলিত বছরের অক্টোবর মাসে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রানিকে তার পরিবার নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট এলাকার এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়। রানির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে স্বামীর সঙ্গে তার কলহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে গত মাসে রানি ফেনীর একটি আদালতের মাধ্যমে তার স্বামীকে তালাক প্রদান করলে বিয়ের আগেই তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। পরে রানি তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জন্য রাজকে দায়ী করে তাদের প্রেমের সম্পর্কের কথা জানায়।
এরপর রানির পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে রাজের বিরুদ্ধে সামাজিক আদালতে বিচার প্রার্থনা করে। প্রেমিকার পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হলে গত শুক্রবার স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান কবির সাজুর সভাপতিত্বে সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের উভয় পরিবারের বক্তব্য শুনে তাদের নতুন করে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। রাজ বলেন গত তিন বছর ধরে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে উভয়ের সম্মতিতে এলাকার মৌলবী দিয়ে আমরা গোপনে বিয়ে করি। পরে রানির পরিবারকে বিষয়টি জানানো হলেও তারা সেটা আমলে না নিয়ে তাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়। তার স্বামী বিষয়টি জানলে তাদের তালাক হওয়ার পর সামাজিক সিদ্ধান্তে আমি তাকে কাবিন করে বিয়ে করি। রানির মা বলেন আমাদের ভুলের কারণে সামাজিকভাবে আমরা যথেষ্ট হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। মেয়ে যদি আমাকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানাতো তাহলে আমরা তাকে অন্যত্র বিয়ে দিতাম না। স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান কবির সাজু বলেন উভয় পরিবারের সম্মতিতে সামাজিক সিদ্ধান্তে নতুন করে রানির বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করলেন গর্ভবতী নারী

আপডেট সময় : ০৬:২০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯

মোঃ তহিরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিনিধি::-

স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিককে বিয়ে করলেন গর্ভবতী নারী সোনাগাজীতে স্বামীকে তালাকের পর প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর। সামাজিক সিদ্ধান্তে সোমবার বিকেলে ফেনীর আদালত পাড়ায় তিন লাখ টাকা দেনমোহরে দুজনের বিয়ে হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান কবির সাজু জানান রাজের ছদ্মনাম সঙ্গে রানির ছদ্মনাম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তিন বছর ধরে সম্পর্ক চলাকালে গত আট মাস আগে পরিবারের অমতে গোপনে তারা বিয়ে করেন। চলিত বছরের অক্টোবর মাসে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রানিকে তার পরিবার নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট এলাকার এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়। রানির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে স্বামীর সঙ্গে তার কলহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে গত মাসে রানি ফেনীর একটি আদালতের মাধ্যমে তার স্বামীকে তালাক প্রদান করলে বিয়ের আগেই তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। পরে রানি তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জন্য রাজকে দায়ী করে তাদের প্রেমের সম্পর্কের কথা জানায়।
এরপর রানির পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে রাজের বিরুদ্ধে সামাজিক আদালতে বিচার প্রার্থনা করে। প্রেমিকার পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হলে গত শুক্রবার স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান কবির সাজুর সভাপতিত্বে সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের উভয় পরিবারের বক্তব্য শুনে তাদের নতুন করে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। রাজ বলেন গত তিন বছর ধরে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে উভয়ের সম্মতিতে এলাকার মৌলবী দিয়ে আমরা গোপনে বিয়ে করি। পরে রানির পরিবারকে বিষয়টি জানানো হলেও তারা সেটা আমলে না নিয়ে তাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়। তার স্বামী বিষয়টি জানলে তাদের তালাক হওয়ার পর সামাজিক সিদ্ধান্তে আমি তাকে কাবিন করে বিয়ে করি। রানির মা বলেন আমাদের ভুলের কারণে সামাজিকভাবে আমরা যথেষ্ট হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। মেয়ে যদি আমাকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানাতো তাহলে আমরা তাকে অন্যত্র বিয়ে দিতাম না। স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান কবির সাজু বলেন উভয় পরিবারের সম্মতিতে সামাজিক সিদ্ধান্তে নতুন করে রানির বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।