০৪ মার্চ ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন, ১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, বুধবার, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
ফেইজবুকের আলোচনায় কলাপাড়ায় যুবদলনেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ। ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৩ টি সড়ক উদ্বোধন করলেন পৌর প্রশাসক কালকিনিতে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান। সরিয়ে দেওয়া হলো বরিশালের ডিআইজিকে, নতুন দায়িত্বে মোস্তাফিজুর রহমান স্ত্রীর মামলায় গ্রেপ্তার, জামিনে বেরিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী স্বামী নিহত তথ্যভিত্তিক উদ্যোগে দিনাজপুর-৬-এ উন্নয়নের নতুন গতি চান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন বিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনার শীর্ষে-মোঃ মঞ্জুর এলাহি চৌধুরী রুবেল জামায়াত নেতা হত্যা জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে দর্শনায় বিক্ষোভ বাউফলে নানার বিরুদ্ধে ৯ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ বাবুগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে জামায়াতের সহায়তা
রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিকঅভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিকঅভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস লিমিটেডে অভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযানটি চালায় র্যা ব ও ঢাকা কাস্টমস বন্ড। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন র্যা ব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবগুলোতেও মদ সরবরাহ করে আসছিল গুলশানের ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস। এ ছাড়া অনুমোদনের বাইরে বাড়তি মাদক মজুদ ছিল সেখানে।

গুলশান ২-এর ১০৮ নম্বর সড়কের ২৩ নম্বর ভবনে অবস্থিত ওয়্যার হাউসে অভিযান চালিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, অভিযান শেষে ওয়্যার হাউসটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রাত সাড়ে ৮টায় অভিযান শুরু হয়। রাত ১২টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৮৬ বোতল বিদেশি মদ, ৮৫ বোতল ফেনসিডিল ও ৭ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

সারওয়ার আলম আরও বলেন, ‘গুলশানের ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস থেকে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে মদের বোতল সরবরাহ করা হতো। এ ছাড়া এখানে ফেনসিডিল রাখার কোনো বৈধতা নেই। এর পরও তারা নির্ধারিত মজুদের বেশি মদ ও ফেনসিডিল অন্যত্র সরবরাহের জন্য মজুদ রাখে, যা আইনগতভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ। তাদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, কাস্টমসের আইন অনুযায়ী বাড়তি মাদক পাওয়ায় তার দশগুণ পরিমাণ জরিমানার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া অনুমোদনের বাইরে ফেনসিডিলের মতো মাদক পাওয়া যাওয়ায় ক্রিমিনাল ল’তেও মামলা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019