ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজন শিকদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে খেয়াঘাটে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, স্বস্তি যাত্রীদের ঘোড়াঘাটে দেউলী ঘাটে ব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রী-এমপিদের শুধুই আশ্বাস ভাঙ্গা ব্রিজ ১০ গ্রামের মানুষের এখন মরণ ফাঁদ জীবননগর সীমান্তে ৪টি স্বর্ণের বার ও ৪ টুকরা স্বর্ণসহ এক পাচারকারী গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার স্বরূপকাঠী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওয়াহিদের মৃত্যুতে ব্যারিস্টার সাইফের শোক জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন। দর্শনা সীমান্তে ঘাস কাটতে যাওয়া বাংলাদেশি যুবককে ধরে পুলিশকে দিলো বিএসএফ বরিশাল কারাভ্যন্তরে মাদকের বিস্তার নারী বন্দির কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার বিরামপুর ৩নং খানপুর ইউনিয়নে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন বিজয়নগর উপজেলায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

মায়ের হত্যাকারীকে চিনে ফেলায় চার বছরের শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্কঃ
টাঙ্গাইলের চাঞ্চল্যকর ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ লাকী বেগম ও তার চার বছরের শিশুকন্যা হুমায়রা আক্তার আলিফাকে গলাকেটে হত্যার রহস্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।

টাকার জন্যই তাদের খুন করা হয়। প্রথমে গৃহবধূ লাকী আক্তারকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে মেয়ে হুমায়রা আক্তার আলিফা মায়ের হত্যাকারীকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়।

ঘটনার মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যে মাথায় এ লোমহর্ষক ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে বলেও দাবি করেন পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়।

পুলিশ সুপার জানান, টাঙ্গাইলের মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত রাইজুদ্দিন ১৬১ ধারায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে এসব কথা জানান।

রাইজুদ্দিন পুলিশকে জানান, আলামিন তার বন্ধু। তিনিও ফ্যাক্সিলোডের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ায় বর্তমানে তিনি বেকার জীবন-যাপন করছেন।

তিনি জানান, আলামিনের অনেক টাকা-পয়সা দেখে তার লোভ হয়। ঘটনার দিন রাতে রাইজুদ্দিন ছুরি নিয়ে ওই বাড়িতে যান। দরজা খুলে দেয়ার পর তিনি ঘরে ঢুকে প্রথমে লাকী বেগমকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় তার চার বছরের মেয়ে আলিফা এসে রাইজুদ্দিনকে চিনে ফেলে। তখন আলিফাকেও ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন রাইজুদ্দিন।

পরে ছুরিটি পাশের জমিতে ফেলে দিয়ে ৮ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি চলে যান।

পরে সকালে অন্য সবার মতো আলামিনের সঙ্গে থানায় যান। পাশাপাশি বন্ধু আলামিনকে শান্তনা দেন ও মামলার তদারকিও করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ভাল্লুককান্দী এলাকার ফ্ল্যাক্সিলোড ব্যবসায়ী আলামিনের ৭ মাসের অন্তঃসত্তা স্ত্রী লাকী বেগম (২২) ও তার চার বছরের শিশুকন্যা হুমায়রা আক্তার আলিফাকে শনিবার দিনগত গভীর রাতে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও গলাকেটে করে হত্যা করা হয়।

ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি দক্ষিণ) তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। একইসঙ্গে ঘটনা উদঘাটনে সদর থানার পক্ষ থেকে একটি, গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে একটি দল গঠন করা হয়।

মোট তিনটি পৃথক দল যৌথভাবে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও সোর্সিংয়ের মাধ্যমে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার ভাল্লুককান্দি এলাকা থেকে সদর উপজেলার চরপাতুলীপাড়া গ্রামের মৃত সুকুম উদ্দিনের ছেলে রাইজুদ্দিনকে (৩৬) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মায়ের হত্যাকারীকে চিনে ফেলায় চার বছরের শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

আপডেট সময় : ০৪:২৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেস্কঃ
টাঙ্গাইলের চাঞ্চল্যকর ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ লাকী বেগম ও তার চার বছরের শিশুকন্যা হুমায়রা আক্তার আলিফাকে গলাকেটে হত্যার রহস্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।

টাকার জন্যই তাদের খুন করা হয়। প্রথমে গৃহবধূ লাকী আক্তারকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে মেয়ে হুমায়রা আক্তার আলিফা মায়ের হত্যাকারীকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়।

ঘটনার মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যে মাথায় এ লোমহর্ষক ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে বলেও দাবি করেন পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়।

পুলিশ সুপার জানান, টাঙ্গাইলের মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত রাইজুদ্দিন ১৬১ ধারায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে এসব কথা জানান।

রাইজুদ্দিন পুলিশকে জানান, আলামিন তার বন্ধু। তিনিও ফ্যাক্সিলোডের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ায় বর্তমানে তিনি বেকার জীবন-যাপন করছেন।

তিনি জানান, আলামিনের অনেক টাকা-পয়সা দেখে তার লোভ হয়। ঘটনার দিন রাতে রাইজুদ্দিন ছুরি নিয়ে ওই বাড়িতে যান। দরজা খুলে দেয়ার পর তিনি ঘরে ঢুকে প্রথমে লাকী বেগমকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় তার চার বছরের মেয়ে আলিফা এসে রাইজুদ্দিনকে চিনে ফেলে। তখন আলিফাকেও ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন রাইজুদ্দিন।

পরে ছুরিটি পাশের জমিতে ফেলে দিয়ে ৮ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি চলে যান।

পরে সকালে অন্য সবার মতো আলামিনের সঙ্গে থানায় যান। পাশাপাশি বন্ধু আলামিনকে শান্তনা দেন ও মামলার তদারকিও করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ভাল্লুককান্দী এলাকার ফ্ল্যাক্সিলোড ব্যবসায়ী আলামিনের ৭ মাসের অন্তঃসত্তা স্ত্রী লাকী বেগম (২২) ও তার চার বছরের শিশুকন্যা হুমায়রা আক্তার আলিফাকে শনিবার দিনগত গভীর রাতে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও গলাকেটে করে হত্যা করা হয়।

ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি দক্ষিণ) তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। একইসঙ্গে ঘটনা উদঘাটনে সদর থানার পক্ষ থেকে একটি, গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে একটি দল গঠন করা হয়।

মোট তিনটি পৃথক দল যৌথভাবে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও সোর্সিংয়ের মাধ্যমে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার ভাল্লুককান্দি এলাকা থেকে সদর উপজেলার চরপাতুলীপাড়া গ্রামের মৃত সুকুম উদ্দিনের ছেলে রাইজুদ্দিনকে (৩৬) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।