০৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন, ১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
ফেইজবুকের আলোচনায় কলাপাড়ায় যুবদলনেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ। ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৩ টি সড়ক উদ্বোধন করলেন পৌর প্রশাসক কালকিনিতে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান। সরিয়ে দেওয়া হলো বরিশালের ডিআইজিকে, নতুন দায়িত্বে মোস্তাফিজুর রহমান স্ত্রীর মামলায় গ্রেপ্তার, জামিনে বেরিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী স্বামী নিহত তথ্যভিত্তিক উদ্যোগে দিনাজপুর-৬-এ উন্নয়নের নতুন গতি চান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন বিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনার শীর্ষে-মোঃ মঞ্জুর এলাহি চৌধুরী রুবেল জামায়াত নেতা হত্যা জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে দর্শনায় বিক্ষোভ বাউফলে নানার বিরুদ্ধে ৯ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ বাবুগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে জামায়াতের সহায়তা
বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নিজের বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নিজের বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

অনলাইন ডেক্স মাত্র এগারো দিন আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তরুণীর (১৯)। শ্বশুরবাড়িতে এক সপ্তাহ থাকার পর গত শুক্রবার বাবার বাড়ি ফিরে আসে। আর শনিবার বিকেলেই ভাঙে তার ঘর। বর মোনছের আলী (৩২) শ্বশুর বাড়ি এসে নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দিয়ে শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে (৪০) বিয়ে করেন। দুদিন আগের শাশুড়ি মাজেদা এখন মোনছের আলীর ঘরণী।

জানা যায়, টাঙ্গাইল ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ী পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর পুত্র মোনছের আলী গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের ওই তরুণীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরদিন শাশুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান। মেয়ের সঙ্গে এক সপ্তাহ বেয়াই বাড়ি থাকার পর গত শুক্রবার বর-কনেসহ নিজ বাড়ি ফেরেন।

শনিবার সকালে কোনো এক কারণে নতুন বর-কনের ঝগড়া শুরু হয়। এতে বরের সংসার করবে না বলে জানায় কনে। শুরু হয় পারিবারিক কলহ। এ সময় শাশুড়ি মাজেদা বেগম নতুন জামাতার সংসার করবেন বলে জানান। এমতাবস্থায় অসহায় শ্বশুর মাজেদা বেগমের স্বামী গ্রাম্য সালিশ ডাকেন। হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য সহ এলাকার গণ্যমান্যরা বৈঠকে বসেন।

সামাজিক বিচারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে লাঞ্ছিত করা হয়। এরপর পুরো পরিবারের সম্মতিতে মাজেদা বেগমে স্বামী তাকে তালাক দেয়। পরে বর মোনছের আলী নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দেন। এরপর একই অনুষ্ঠানের সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। এই কাজ গুলো সম্পন্ন করেন হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী জিনাত।

কাজী জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতব্বর এবং ওই পরিবারের সকল সদস্যের সম্মতিতে দুটি তালাক এবং একটি বিয়ের কাজ একই অনুষ্ঠানে সম্পাদন করা হয়।

সংসার না করার কারণ জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, ‘মা এমনটা করবে, ভাবিনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিয়ের সময় বাবা বেশ কিছু যৌতুক দিয়েছিলেন। সেগুলো আমাকে ফেরত দেয়া হোক। নয়তো আমি আইনের আশ্রয় নেবো।’

ইউপি মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো কাজটি হয়েছে ওই পরিবারের সম্মতিতে। তবে শাশুড়ি বিয়ে করার ঘটনায় আপত্তি থাকায় গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে মোনছের ও মাজেদাকে শাস্তি দেয়া হয়।’

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019