মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

Notice :
প্রকাশ্যে ধূমপান করে তোপের মুখেপড়া এক তরুণীর ভিডিও ভাইরাল।চরমোনাই পীরের ওয়াজ মাহফিল বাতিল।বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যেন পদ্মা সেতু পার না হয় বললেন শাজাহান খান।জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভাতাপ্রাপ্ত প্রায় দুই হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার বয়স ৫০–এর নিচে।করোনা আক্রান্ত কনের অভিনব পদ্ধতিতে বিয়ে (ভিডিও)আবাসিক হোটেলে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ।পুলিশে হঠাৎ বড় রদবদল।ইউটিউবে যাত্রা শুরু করছেন মিজানুর রহমান আজহারী।
বাংলাদেশে প্রচুর উৎপাদনের পরও কেন পেঁয়াজের এত ঘাটতি?

বাংলাদেশে প্রচুর উৎপাদনের পরও কেন পেঁয়াজের এত ঘাটতি?

Chikmagalur: Lady arranging onions in sunlight at Ajjampura in Chikmagalur, Karnataka on Wednesday. PTI Photo (PTI9_18_2013_000082A)

বাংলাদেশে বাজারে পেঁয়াজের দাম অনেক বেড়েছে। বাংলাদেশের বাজারে কয়েক মাস আগেও যে পেঁয়াজ ২০-২৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। হঠাৎ অস্থিরতা দেখা দিয়েছে পাইকারি ও খুচরা পেঁয়াজের বাজারে। খবর-বিবিসি বাংলার।

সিঙ্গাড়া ব্যবসায়ী তারেক বলেন, সিঙ্গাড়া তৈরি করে বিক্রি করেন – আর সঙ্গে ক্রেতাদের পেঁয়াজ দিয়ে থাকেন।তাই পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া তাদের জন্য বিপাকের।

তিনি বলেন, দু মাস আগে তিনি ২৪ টাকায় পেঁয়াজ কিনলেও এখন দাম হলো ৪০-৫০ টাকা। আর কাল কিনলাম ৭০ টাকায়। তাই পেঁয়াজের বদলে তিনি শসা দিচ্ছেন ক্রেতাদের।

অর্থাৎ দু মাসের মাথায় রীতিমত দ্বিগুণ হয়ে গেছে বাজারে পেঁয়াজের দাম।

ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তারা বলছেন, বাজারে সংকটের মূল কারণও ভারতীয় পেঁয়াজ। কয়েকদিন আগে ভারত রপ্তানির সর্বনিম্ন মূল্য প্রায় তিনগুণ বাড়িয়ে ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে- ফলে পরদিনই বাংলাদেশের বাজারে দাম বেড়ে যায়।

যদিও বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন বলছেন, সংকট নিরসনে ইতোমধ্যেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে দাম নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ এসেছে। কয়েকটি স্থল বন্দরে ট্রাক এসেছে। তবে পাইকারি ও খুচরা বিক্রিতে পার্থক্য আছে। এজন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও বার্তা পেয়ে গেছেন।

তবে ঢাকার বনানী কাঁচা বাজারের দোকানীরা জানিয়েছেন, আজও ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ ও দেশী পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কিন্তু বাংলাদেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ টনের বিপরীতে উৎপাদন হয় ২৩ লাখ টনের মতো।

কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের মধ্যে অন্তত ত্রিশ শতাংশ নষ্ট হয় ব্যবস্থাপনার সংকটের কারণে। সে কারণেই বছরে মোট প্রায় দশ লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি থাকে।

অর্থাৎ এই পেঁয়াজ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষাই করতে হবে।

কনজিউমারস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ বা ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান জানান, দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ না নিলে পেঁয়াজ নিয়ে এমন সংকট মাঝেমধ্যেই তৈরি হতেই থাকবে।

তিনি বলেন, আলু ছাড়া অন্য কোনো পণ্যের সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। ভরা মৌসুমে দাম নিশ্চিত করা গেলে আর সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলেই কেবল পেঁয়াজ নিয়ে ভারতের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো যাবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অবশ্য বলছে, এবারের সংকট তাৎক্ষণিক এবং ক্রেতাদের এজন্য খুব বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হবেনা। কারণ তাদের দাবি – পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ আছে এবং পাশাপাশি তুরস্ক, মিয়ানমার ও মিশর থেকে আমদানির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমারের পেঁয়াজ দেশে এসেও গেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English