সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক:: বরিশালের কীর্তনখোলা নদী দখল করে পাইলিং করে বালু ও মাটি ফেলে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি দখলের জন্য করা পাইংলিং ভেঙে ফেলা হয়েছে।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী খলিফাবাড়ি সংলগ্ন কীর্তনখোলার নদীর তীরবর্তী এলাকায় সদ্য মেহগনি গাছ দিয়ে তৈরি করা পাইলিং ভেঙে ফেলা হয়। এছাড়া পাইলিং এর ভেতরের অংশে দেওয়া ব্লকগুলোও ভেঙে ফেলা হয়।

স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলার ওই অংশে নদীর তীরজুড়ে ইট, বালু, পাথরের ডিপো এবং ডকইয়ার্ড গড়ে তুলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারা বিভিন্ন সময় নদীর জায়গা ভরাট করে ব্যবসার জায়গার পরিধি বাড়ান। সর্বশেষ রাইভিউল কবির স্বপন নামে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী তীর থেকে নদীর মধ্যে কয়েক ফুট ভেতরে গিয়ে এ পাইলিং এর কাজ শুরু করেন।

তবে রাইভিউল কবির স্বপন সাংবাদিকদের জানান, খলিফাবাড়ি থেকে কাটাদিয়া খাল পর্যন্ত কীর্তনখোলা তীরে তার ১৭ একর রেকর্ডীয় জমি আছে। যেখানে পাইলিং দেওয়া হচ্ছে সেখানের একটি দাগে ৫৯ শতাংশ জমি ছিল। এখন আছে ২৫ শতাংশ। বাকিটা নদীতে ভেঙে গেছে। ভাঙন ঠেকাতেই পাইলিং দিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছিলো।

এদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান জানান, জেলা প্রশাসক এম এম অজিয়র রহমানের নির্দেশে নদী ও নদীর জায়গা দখলদারদের হাত থেকে রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। যার ধারাবাহিকতায় আজ এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেস্ক:: বরিশালের কীর্তনখোলা নদী দখল করে পাইলিং করে বালু ও মাটি ফেলে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি দখলের জন্য করা পাইংলিং ভেঙে ফেলা হয়েছে।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী খলিফাবাড়ি সংলগ্ন কীর্তনখোলার নদীর তীরবর্তী এলাকায় সদ্য মেহগনি গাছ দিয়ে তৈরি করা পাইলিং ভেঙে ফেলা হয়। এছাড়া পাইলিং এর ভেতরের অংশে দেওয়া ব্লকগুলোও ভেঙে ফেলা হয়।

স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলার ওই অংশে নদীর তীরজুড়ে ইট, বালু, পাথরের ডিপো এবং ডকইয়ার্ড গড়ে তুলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারা বিভিন্ন সময় নদীর জায়গা ভরাট করে ব্যবসার জায়গার পরিধি বাড়ান। সর্বশেষ রাইভিউল কবির স্বপন নামে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী তীর থেকে নদীর মধ্যে কয়েক ফুট ভেতরে গিয়ে এ পাইলিং এর কাজ শুরু করেন।

তবে রাইভিউল কবির স্বপন সাংবাদিকদের জানান, খলিফাবাড়ি থেকে কাটাদিয়া খাল পর্যন্ত কীর্তনখোলা তীরে তার ১৭ একর রেকর্ডীয় জমি আছে। যেখানে পাইলিং দেওয়া হচ্ছে সেখানের একটি দাগে ৫৯ শতাংশ জমি ছিল। এখন আছে ২৫ শতাংশ। বাকিটা নদীতে ভেঙে গেছে। ভাঙন ঠেকাতেই পাইলিং দিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছিলো।

এদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান জানান, জেলা প্রশাসক এম এম অজিয়র রহমানের নির্দেশে নদী ও নদীর জায়গা দখলদারদের হাত থেকে রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। যার ধারাবাহিকতায় আজ এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।