সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ফেসবুকে পরিচয়, স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন বরিশালের অনেক হোটেলে রাত্রিযাপন অতঃপর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২০ ৩৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়, অতঃপর প্রেম। এক পর্যায় হুজুর ডেকে বিয়ে করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া গ্রামের বায়জিদ আহম্মেদ এবং চাকামইয়া ইউনিয়নের চুঙ্গাপাশা গ্রামের এক তরুণী। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন বরিশালের অনেক হোটেলে রাত্রিযাপন করেছেন তারা। বর্তমানে পরিবারের চাপে প্রভাবিত হয়ে ওই তরুণীকে মেনে নিতে চাইছে না বায়জিদ।
স্বামীর অধিকার না পেলে মৃত্যু ছাড়া তার আর কোন পথ থাকবে না। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে এসব কথা বলেন কলেজ পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী। এসময় প্রেসক্লাবের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে তরুণী বলেন, সে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আর বায়জিদ নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়রিং শাখার একাদশ সেমিষ্টারের ছাত্র। ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি বায়জিদ তাকে কাজী ডেকে বিয়ে করে।

বর্তমানে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করায় ২৯ ডিসেম্বর স্বামীর দাবী নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যায় ওই তরুণী। পরে স্থানীয় মকবুল দফাদারের মাধ্যমে কাবিন করার কথা বলে ছেলের মামা ফয়সাল তাকে কলাপাড়া এনে সালিস বৈঠকে বসান। সেখানে তারা কাবিনের বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে তরুণীকে বড় অংকের টাকার প্রস্তাব দেন। যাতে বিয়ের বিষয়টি পুরোপুরি ভুলে যায়।

এ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সে তার অধিকার আদায়ের জন্য আবারও শ্বশুর বাড়ি যায়। পরে তার শ্বশুর নজির হাওলাদার তার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করে। সে তাকে তার বাড়ি থেকে কলাপাড়ায় আনার জন্য অনেক চেষ্টা করেন। পরে তরুণী রাজি না হওয়াতে সুষ্ঠু সমাধানের কথা জানিয়ে কলাপাড়া থানার এএসআই শওকত জাহানের মাধ্যমে তাকে থানায় নিয়ে আসে। থানার আনার পর তারা বলেন ‘তাদের কিছুই করার নেই’।

বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যায়। এছাড়া বিষয়টি তাদের গ্রাম ও কলেজের সবাই জেনে গেছে। এ কারণে সে কারও কাছে মুখ দেখাতে পারছে না বলে জানান। তাই স্বামীর অধিকার আদায়ের জন্য তিনি প্রশাসনসহ সবার দৃষ্টি কামনা করেন।

এ বিষয়ে বায়জিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার পিতা নজির হাওলাদার জানান, তার ছেলের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে হয়নি। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য সে তাদের ব্লাকমেইল করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ফেসবুকে পরিচয়, স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন বরিশালের অনেক হোটেলে রাত্রিযাপন অতঃপর।

আপডেট সময় : ০৪:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২০

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়, অতঃপর প্রেম। এক পর্যায় হুজুর ডেকে বিয়ে করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া গ্রামের বায়জিদ আহম্মেদ এবং চাকামইয়া ইউনিয়নের চুঙ্গাপাশা গ্রামের এক তরুণী। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন বরিশালের অনেক হোটেলে রাত্রিযাপন করেছেন তারা। বর্তমানে পরিবারের চাপে প্রভাবিত হয়ে ওই তরুণীকে মেনে নিতে চাইছে না বায়জিদ।
স্বামীর অধিকার না পেলে মৃত্যু ছাড়া তার আর কোন পথ থাকবে না। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে এসব কথা বলেন কলেজ পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী। এসময় প্রেসক্লাবের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে তরুণী বলেন, সে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আর বায়জিদ নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়রিং শাখার একাদশ সেমিষ্টারের ছাত্র। ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি বায়জিদ তাকে কাজী ডেকে বিয়ে করে।

বর্তমানে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করায় ২৯ ডিসেম্বর স্বামীর দাবী নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যায় ওই তরুণী। পরে স্থানীয় মকবুল দফাদারের মাধ্যমে কাবিন করার কথা বলে ছেলের মামা ফয়সাল তাকে কলাপাড়া এনে সালিস বৈঠকে বসান। সেখানে তারা কাবিনের বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে তরুণীকে বড় অংকের টাকার প্রস্তাব দেন। যাতে বিয়ের বিষয়টি পুরোপুরি ভুলে যায়।

এ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সে তার অধিকার আদায়ের জন্য আবারও শ্বশুর বাড়ি যায়। পরে তার শ্বশুর নজির হাওলাদার তার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করে। সে তাকে তার বাড়ি থেকে কলাপাড়ায় আনার জন্য অনেক চেষ্টা করেন। পরে তরুণী রাজি না হওয়াতে সুষ্ঠু সমাধানের কথা জানিয়ে কলাপাড়া থানার এএসআই শওকত জাহানের মাধ্যমে তাকে থানায় নিয়ে আসে। থানার আনার পর তারা বলেন ‘তাদের কিছুই করার নেই’।

বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যায়। এছাড়া বিষয়টি তাদের গ্রাম ও কলেজের সবাই জেনে গেছে। এ কারণে সে কারও কাছে মুখ দেখাতে পারছে না বলে জানান। তাই স্বামীর অধিকার আদায়ের জন্য তিনি প্রশাসনসহ সবার দৃষ্টি কামনা করেন।

এ বিষয়ে বায়জিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার পিতা নজির হাওলাদার জানান, তার ছেলের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে হয়নি। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য সে তাদের ব্লাকমেইল করছে।