সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

ডিমলায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুন ২০২২ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ গোলাম রাব্বানী ডিমলা নীলফামারী ডিমলা প্রতিনিধি


গত কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নীলফামারী ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়। নদী তীরবর্তী গ্রামরক্ষা বাঁধ (স্বপন বাঁধ) পানির তীব্র স্রোতে মসজিদ পাড়া গ্রামের এই বাঁধটির প্রায় ৫০ ফিট রাস্তা ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা তিস্তা নদীর পানিতে প্লাবিত হয়। আর পানিবন্দি হয়ে পড়ে তিন শতাধিক পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফসলি জমি ও মাছের ঘের। বসত ভিটায় উঠে কোমর ও হাঁটু পানি। বসতবাড়িতে পানি উঠায় অনেকে আশ্রয় নেয় উঁচু গাইড বাঁধে।

শনিবার (১৮ই জুন) সকালে ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের তেলির বাজার (মসজিদ পাড়া) গ্রামের পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ এবং নদী ভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন।

এ সময় তিনি পানিবন্দি হওয়া দেড় শতাধিক পরিবারের মাঝে ২০ কেজি চাল, শুকনা খাবার, খাওয়ার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন।

এছাড়া বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য পানিবন্দি এলাকায় ডিমলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর কর্তৃক একাধিক টিউবওয়েল বসানো হয়েছে।

এবারের বন্যায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগা খড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাপানি, ঝুনাগাছ চাপানি এবং গয়াবাড়ি ইউনিয়নের একাংশের প্রায় তিন হাজারের অধিক পরিবার নদী ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মইনুল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌস আলমসহ অত্র ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যবৃন্দ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবেই, আসতেই পারে। আমাদের নিকট পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুদ আছে। একজন মানুষও অভুক্ত থাকবে না। এটাই প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিমলায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুন ২০২২

মোঃ গোলাম রাব্বানী ডিমলা নীলফামারী ডিমলা প্রতিনিধি


গত কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নীলফামারী ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়। নদী তীরবর্তী গ্রামরক্ষা বাঁধ (স্বপন বাঁধ) পানির তীব্র স্রোতে মসজিদ পাড়া গ্রামের এই বাঁধটির প্রায় ৫০ ফিট রাস্তা ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা তিস্তা নদীর পানিতে প্লাবিত হয়। আর পানিবন্দি হয়ে পড়ে তিন শতাধিক পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফসলি জমি ও মাছের ঘের। বসত ভিটায় উঠে কোমর ও হাঁটু পানি। বসতবাড়িতে পানি উঠায় অনেকে আশ্রয় নেয় উঁচু গাইড বাঁধে।

শনিবার (১৮ই জুন) সকালে ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের তেলির বাজার (মসজিদ পাড়া) গ্রামের পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ এবং নদী ভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন।

এ সময় তিনি পানিবন্দি হওয়া দেড় শতাধিক পরিবারের মাঝে ২০ কেজি চাল, শুকনা খাবার, খাওয়ার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন।

এছাড়া বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য পানিবন্দি এলাকায় ডিমলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর কর্তৃক একাধিক টিউবওয়েল বসানো হয়েছে।

এবারের বন্যায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগা খড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাপানি, ঝুনাগাছ চাপানি এবং গয়াবাড়ি ইউনিয়নের একাংশের প্রায় তিন হাজারের অধিক পরিবার নদী ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মইনুল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌস আলমসহ অত্র ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যবৃন্দ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবেই, আসতেই পারে। আমাদের নিকট পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুদ আছে। একজন মানুষও অভুক্ত থাকবে না। এটাই প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার