সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

বরিশালে মৃত ব্যক্তির নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুন ২০২২ ৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশালের হিজলা উপজেলায় ১৫ বছর আগে মৃত আলী হোসেন সরদারের বিরুদ্ধে ধানকাটার মামলায় তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেছে পুলিশ । অভিযুক্ত আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত চার্জশীটের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

আর সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল করতে যেয়ে এসব তথ্য বেরিয়ে আসেছে। এখন ওই মৃত ব্যক্তির নাম চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ার জন্য আবেদন করেছে হিজলার হরিনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মিজানুর রহমান।

প্রকৃতপক্ষে মামলার আসামীদের বাড়িতে না যেয়ে বাদী ও স্বাক্ষীদের কথিত মতে চার্জশীট দেয়ায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। হিজলা উপজেলার আবুপুর গ্রামের আবদুল লতিফ খান বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২০২২ সনের ১৬ জানুয়ারি একটি মামলা দায়ের করে উল্লেখ করেন, ১০ জন আসামী ২০২১ সনের ১২ ডিসেম্বর তার জমির ধান কেটে নিয়েছে।

আদালত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য হিজলা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। হিজলা থানা থেকে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য হরিনাথপুর পুলিশী তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. মিজানুর রহমানের নিকট পাঠানো হলে তিনি সরজমিনে কোন তদন্ত না করেই মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের বর্ণনানুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনটি থানা হয়ে পুলিশ সুপারের সুপারিশের ভিত্তিতে আদালতে পাঠানো হয়। কিন্তু অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত থেকে সব আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করা হয়। গ্রেফতারি পরোয়ানা অনুযায়ী আসামীদের গ্রেফতার করতে যেয়ে মো. মিজানুর রহমান জানতে পারেন অন্যতম আসামী আলী হোসেন সরদার ২০০৭ সনে মারা গেছেন।

এ ব্যাপারে মামলার বাদি জানান, তিনি জমি থেকে ১০ মাইল দূরে বসবাস করেন। স্থানীয় স্বাক্ষীদের কথিত মতে তিনি মৃত ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছিলেন। এসআই মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যেয়ে তদন্ত না করার কথা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও মামলার স্বাক্ষীদের বর্ণিত মতে তিনি চার্জশীট দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে মৃত ব্যক্তির নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুন ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশালের হিজলা উপজেলায় ১৫ বছর আগে মৃত আলী হোসেন সরদারের বিরুদ্ধে ধানকাটার মামলায় তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেছে পুলিশ । অভিযুক্ত আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত চার্জশীটের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

আর সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল করতে যেয়ে এসব তথ্য বেরিয়ে আসেছে। এখন ওই মৃত ব্যক্তির নাম চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ার জন্য আবেদন করেছে হিজলার হরিনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মিজানুর রহমান।

প্রকৃতপক্ষে মামলার আসামীদের বাড়িতে না যেয়ে বাদী ও স্বাক্ষীদের কথিত মতে চার্জশীট দেয়ায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। হিজলা উপজেলার আবুপুর গ্রামের আবদুল লতিফ খান বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২০২২ সনের ১৬ জানুয়ারি একটি মামলা দায়ের করে উল্লেখ করেন, ১০ জন আসামী ২০২১ সনের ১২ ডিসেম্বর তার জমির ধান কেটে নিয়েছে।

আদালত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য হিজলা থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। হিজলা থানা থেকে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য হরিনাথপুর পুলিশী তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. মিজানুর রহমানের নিকট পাঠানো হলে তিনি সরজমিনে কোন তদন্ত না করেই মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের বর্ণনানুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনটি থানা হয়ে পুলিশ সুপারের সুপারিশের ভিত্তিতে আদালতে পাঠানো হয়। কিন্তু অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত থেকে সব আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করা হয়। গ্রেফতারি পরোয়ানা অনুযায়ী আসামীদের গ্রেফতার করতে যেয়ে মো. মিজানুর রহমান জানতে পারেন অন্যতম আসামী আলী হোসেন সরদার ২০০৭ সনে মারা গেছেন।

এ ব্যাপারে মামলার বাদি জানান, তিনি জমি থেকে ১০ মাইল দূরে বসবাস করেন। স্থানীয় স্বাক্ষীদের কথিত মতে তিনি মৃত ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছিলেন। এসআই মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যেয়ে তদন্ত না করার কথা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও মামলার স্বাক্ষীদের বর্ণিত মতে তিনি চার্জশীট দিয়েছেন।