বল সুন্দরী কুলে বাজিমাত ফখরুল আলম খানের
- আপডেট সময় : ০১:২০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৮১ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ আলী, বাবুগঞ্জঃ বাবুগঞ্জ উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোঃ ফখরুল আলমের বল সুন্দরী কুল রোপণ করে বাজিমাত করেছেন।
চাকরি থেকে অবসরে আসার পরে ২০০০ সালে তিনি ১৩ একর জমিতে ঘের তৈরি করেন। উন্নত প্রজাতির কুল বল সুন্দরী চাষ করে বাজিমাত ফখরুল আলমের। তিনি এই প্রথম বল সুন্দরী চাষ শুরু করেন। তার বাগান দেখে আগ্রহী হচ্ছেন বাবুগঞ্জের স্থানীয় অনেক কৃষক ও যুবক।
বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের রাজকর গ্রামে ৮০ শতাংশ জমিতে গত বৈশাখ মাসে উন্নত জাতের বল সুন্দরী কুল রোপণ করেছিলেন। এখন তার বাগানে ভালো ফলনও হয়েছে। ইতিমধ্যেই তিনি বিক্রি শুরু করেছেন।
জানা গেছে, ফখরুল আলম খান বাবুগঞ্জ উপজেলা হর্টি কালচার সেন্টার থেকে ৩শত বল সুন্দরীর চারা এনে রোপণ করেন। অক্লান্ত পরিশ্রম ও পরিচর্যায় ছয় মাসেই ফলন আসতে শুরু করে। সবকটি গাছেই থোকায় থোকায় কুল( বড়ই) ধরেছে। এই জাতের কুল চাষে তেমন খরচ নেই। ফলন ভালো হওয়ায় আগামী মৌসুমের জন্য চারা সংগ্রহ শুরু করেছেন তিনি।
ফখরুল আলম খান বলেন, আমি অবসরে অাসার পর থেকে সখের বসে কৃষি কাজে সময় দিচ্ছি। এতে আমার শরীর ও মন ভালো থাকে। এর মধ্যে আমি আনন্দ খুঁজে পাই। বিগত দিনে আমি আমের বাগান করেছিলাম। আম বাগানেও ভালো ফলন হয়েছিল। আমি লাভবান হয়েছি। এবার আবার বড়ই এর বাগার করেছি। ভালো ফলন হয়েছে। আমি আশাবাদী কুল বাগান থেকেও লাভবান হবো। সবচেয়ে ভালো লাগছে এ সফলতা দেখে এলাকার অনেক কৃষকই বরই চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। অনেকেই আমার কুল বাগান দেখতে আসছেন। এছাড়াও আমার বাগানে ৫ শত পেয়ারা, ৪শত লেবু চারাগাছ রোপণ করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, অস্ট্রেলিয়ান জাতের বল সুন্দরী কুল দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি খেতেও সুস্বাদু। দক্ষিণাঞ্চলে এই বড়ই চাষে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। দেশের যুবসমাজ চাকরির জন্য বসে না থেকে এই বড়ই চাষে অনুপ্রাণিত হলে স্বাবলম্বী হতে পারবে। যারা বড়ই চাষে আগ্রহী তাদের সবাইকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।


























