সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

ফাঁদে ফেলে ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ, চাচাসহ গ্রেফতার ২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১ ২০৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

দর্জির কাজ শিখতে যাওয়া নবম শ্রেণি পড়ুয়া ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযুক্ত চাচা সোহেল (১৭) ও তার খালাতো বোন মারুফাকে (১৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া ভুক্তভোগী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট বিকেল ৩টার সময় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী দর্জির কাজ শিখতে যায় চাচার ঘরে।

এ সময় ঘরে ছিল অভিযুক্ত চাচা তার খালাত ভাই শামীমের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে এবং কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রাখে। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট অভিযুক্ত সোহেল তার খালাত বোন মারুফাকে ভুক্তভোগীর ঘরে পাঠিয়ে কৌশলে তার ব্যক্তিগত ছবি মোবাইলে ধারণ করে নতুন ট্রাপ করে। কিন্তু ভুক্তভোগী অভিযুক্ত চাচার কথায় সাই না দেওয়ায় গত বৃহস্পতিবার তার ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে সোহেলকে প্রধান আসামি এবং ধর্ষণে সহযোগিতার জন্য খালাত বোন ফারুফা ও খালাতো ভাই শামিমকে আসামি করে আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পর অভিযুক্ত সোহেল এবং তার খালাত বোন মারুফাকে ওই রাতেই আমতলী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাসরিন সুলতানা গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার পরপরই অভিযুক্ত সোহেল এবং খালাতো বোন মারুফাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অপর আসামি শামিম পলাতক রয়েছে। তাকেও দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে।
এদিকে, ভুক্তভোগীর মা গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আমার দেবর। সে আমার মেয়ের চাচা হয়েও সর্বনাশ করেছে। জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে- তা ছড়িয়ে দেওয়া ভয় দেখিয়ে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করেছে।

এ ঘটনার কঠিন শাস্তি চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ফাঁদে ফেলে ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ, চাচাসহ গ্রেফতার ২

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

দর্জির কাজ শিখতে যাওয়া নবম শ্রেণি পড়ুয়া ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযুক্ত চাচা সোহেল (১৭) ও তার খালাতো বোন মারুফাকে (১৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া ভুক্তভোগী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট বিকেল ৩টার সময় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী দর্জির কাজ শিখতে যায় চাচার ঘরে।

এ সময় ঘরে ছিল অভিযুক্ত চাচা তার খালাত ভাই শামীমের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে এবং কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রাখে। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট অভিযুক্ত সোহেল তার খালাত বোন মারুফাকে ভুক্তভোগীর ঘরে পাঠিয়ে কৌশলে তার ব্যক্তিগত ছবি মোবাইলে ধারণ করে নতুন ট্রাপ করে। কিন্তু ভুক্তভোগী অভিযুক্ত চাচার কথায় সাই না দেওয়ায় গত বৃহস্পতিবার তার ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে সোহেলকে প্রধান আসামি এবং ধর্ষণে সহযোগিতার জন্য খালাত বোন ফারুফা ও খালাতো ভাই শামিমকে আসামি করে আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পর অভিযুক্ত সোহেল এবং তার খালাত বোন মারুফাকে ওই রাতেই আমতলী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাসরিন সুলতানা গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার পরপরই অভিযুক্ত সোহেল এবং খালাতো বোন মারুফাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অপর আসামি শামিম পলাতক রয়েছে। তাকেও দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে।
এদিকে, ভুক্তভোগীর মা গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আমার দেবর। সে আমার মেয়ের চাচা হয়েও সর্বনাশ করেছে। জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে- তা ছড়িয়ে দেওয়া ভয় দেখিয়ে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করেছে।

এ ঘটনার কঠিন শাস্তি চাই।