সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিয়ের নামে শারীরিক সম্পর্ক, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বিয়ের নামে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি থানার এসআই মো. তাওহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক কলেজছাত্রী।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের আদালতে বৃহস্পতিবার মামলাটি করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত এসআই তাওহিদুল ইসলাম কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মিতান্তঘোনার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। মেয়েটি নাসিরাবাদ সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মেয়েটির বাসায় গৃহশিক্ষক ছিলেন তাওহিদুল ইসলাম। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এরপর ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তরুণীকে চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে নিয়ে ৫২৬২/১৮ ও ৫২৬৩/১৮নং হলফনামা সম্পাদন করেন তাওহিদুল। বিয়ে হয়েছে বলে যুক্তি দেখিয়ে ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময় মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন তিনি।

একপর্যায়ে তাওহিদুল পুলিশের এসআই পদে চাকরি পান। ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল সারদা পুলিশ একাডেমিতে বহিরাগত ক্যাডেট এসআইদের প্রশিক্ষণে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে চলাফেরা করেন।

সারদায় প্রশিক্ষণে যাওয়ার পর একবছর তাদের মধ্যে মোবাইলে যোগাযোগও ছিল। কিন্তু চলতি বছরের ৯ জুলাই প্রশিক্ষণ শেষে এসআই হিসেবে যোগদানের পর থেকে সব সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে আসছেন তাওহিদুল।

অভিযুক্ত এসআই মো. তাওহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো হলফনামায় কিংবা কোনোভাবেই আমি ওই মেয়েকে বিয়ে করিনি। এ মামলাটি প্রতারণামূলক। দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণিতে থাকতে তাকে পড়িয়েছি। পরে সপ্তম শ্রেণীতে আবার পড়িয়েছি। আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক কখনই ছিল না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিয়ের নামে শারীরিক সম্পর্ক, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বিয়ের নামে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি থানার এসআই মো. তাওহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক কলেজছাত্রী।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের আদালতে বৃহস্পতিবার মামলাটি করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত এসআই তাওহিদুল ইসলাম কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মিতান্তঘোনার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। মেয়েটি নাসিরাবাদ সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মেয়েটির বাসায় গৃহশিক্ষক ছিলেন তাওহিদুল ইসলাম। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এরপর ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তরুণীকে চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে নিয়ে ৫২৬২/১৮ ও ৫২৬৩/১৮নং হলফনামা সম্পাদন করেন তাওহিদুল। বিয়ে হয়েছে বলে যুক্তি দেখিয়ে ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময় মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন তিনি।

একপর্যায়ে তাওহিদুল পুলিশের এসআই পদে চাকরি পান। ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল সারদা পুলিশ একাডেমিতে বহিরাগত ক্যাডেট এসআইদের প্রশিক্ষণে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে চলাফেরা করেন।

সারদায় প্রশিক্ষণে যাওয়ার পর একবছর তাদের মধ্যে মোবাইলে যোগাযোগও ছিল। কিন্তু চলতি বছরের ৯ জুলাই প্রশিক্ষণ শেষে এসআই হিসেবে যোগদানের পর থেকে সব সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে আসছেন তাওহিদুল।

অভিযুক্ত এসআই মো. তাওহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো হলফনামায় কিংবা কোনোভাবেই আমি ওই মেয়েকে বিয়ে করিনি। এ মামলাটি প্রতারণামূলক। দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণিতে থাকতে তাকে পড়িয়েছি। পরে সপ্তম শ্রেণীতে আবার পড়িয়েছি। আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক কখনই ছিল না।