সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

বরিশাল নগর ভবনের রসিদ নকল করে টাকা আত্বসাৎ করায় প্রতারক গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শামীম আহমেদ ॥ গভীর নলকূপ স্থাপনের বিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন ফি এর ভুয়া রশিদ তৈরি করে প্রতরনার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করায় এক প্রতারককে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে।

আটক মুন্না বেপারী কাগাশুরা এলাকার বারেক বেপারীর পুত্র ও স্যানিটারী মিস্ত্রি বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে মুন্নাকে নগর ভবন থেকে আটক করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার মোবাইল ডিউটিরত পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইছাকাঠী মহামায়া এলাকার জনৈক কবির গভীর নলকূপ বসানোর জন্য স্যানিটারী মিস্ত্রি মুন্নার সাথে এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়। সে অনুযায়ী কবির প্রাথমিক অবস্থায় মুন্নাকে ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। টাকা হাতে পেয়ে মুন্না প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন ফি এর একটি ভুয়া রশিদ তৈরি করে।

একাজে সে কাগাশুরা ‘ইরা স্টুডিও’র সেলিমের সহযোগিতা নেয় এবং সেলিম একটি ভুয়া রশিদ তৈরি করে মুন্নাকে সরবরাহ করে। পরবর্তীতে মুন্না ওই ভুয়া রশিদ কবিরকে সরবরাহ করে। কবির তা হাতে পেয়ে নলকূপ বসানোর কাজ শুরু করে। বিষয়টি টের পেয়ে সিটি কর্পোরেশন থেকে সংশ্লিষ্টরা ওই স্থানে গেলে প্রতারনার বিষয়টি ধরা পড়ে। কর্পোরেশনের পানি সরবরাহ শাখা থেকে বিষয় টি তদন্ত করে প্রতারক মুন্নার সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং আজ তাকে কৌশলে নগর ভবনে ডেকে আনা হয়। মুন্না নগর ভবনে এলে প্রতারনার বিষয় টি তার কাছে উপস্থাপন করলে সে অকপটে তার প্রতারনার কথা স্বীকার করে।

এসময় মুন্না জানায়, প্রতারনার আশ্রয় নেয়ার পর বিষয়টি হাসিব নামে এক স্যানিটারী প্রতিষ্ঠানের মালিককে অবগত করে। সে বিষয়টি দেখবে বলে মুন্নার কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। এব্যাপারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস জানান, প্রতারনার বিষয় টি বুঝতে পেরে আমরা প্রতারক মুন্নাকে কৌশলে আটক করতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে তাকে পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে”।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল নগর ভবনের রসিদ নকল করে টাকা আত্বসাৎ করায় প্রতারক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১

শামীম আহমেদ ॥ গভীর নলকূপ স্থাপনের বিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন ফি এর ভুয়া রশিদ তৈরি করে প্রতরনার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করায় এক প্রতারককে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে।

আটক মুন্না বেপারী কাগাশুরা এলাকার বারেক বেপারীর পুত্র ও স্যানিটারী মিস্ত্রি বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে মুন্নাকে নগর ভবন থেকে আটক করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার মোবাইল ডিউটিরত পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইছাকাঠী মহামায়া এলাকার জনৈক কবির গভীর নলকূপ বসানোর জন্য স্যানিটারী মিস্ত্রি মুন্নার সাথে এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়। সে অনুযায়ী কবির প্রাথমিক অবস্থায় মুন্নাকে ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। টাকা হাতে পেয়ে মুন্না প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন ফি এর একটি ভুয়া রশিদ তৈরি করে।

একাজে সে কাগাশুরা ‘ইরা স্টুডিও’র সেলিমের সহযোগিতা নেয় এবং সেলিম একটি ভুয়া রশিদ তৈরি করে মুন্নাকে সরবরাহ করে। পরবর্তীতে মুন্না ওই ভুয়া রশিদ কবিরকে সরবরাহ করে। কবির তা হাতে পেয়ে নলকূপ বসানোর কাজ শুরু করে। বিষয়টি টের পেয়ে সিটি কর্পোরেশন থেকে সংশ্লিষ্টরা ওই স্থানে গেলে প্রতারনার বিষয়টি ধরা পড়ে। কর্পোরেশনের পানি সরবরাহ শাখা থেকে বিষয় টি তদন্ত করে প্রতারক মুন্নার সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং আজ তাকে কৌশলে নগর ভবনে ডেকে আনা হয়। মুন্না নগর ভবনে এলে প্রতারনার বিষয় টি তার কাছে উপস্থাপন করলে সে অকপটে তার প্রতারনার কথা স্বীকার করে।

এসময় মুন্না জানায়, প্রতারনার আশ্রয় নেয়ার পর বিষয়টি হাসিব নামে এক স্যানিটারী প্রতিষ্ঠানের মালিককে অবগত করে। সে বিষয়টি দেখবে বলে মুন্নার কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। এব্যাপারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস জানান, প্রতারনার বিষয় টি বুঝতে পেরে আমরা প্রতারক মুন্নাকে কৌশলে আটক করতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে তাকে পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে”।