সংবাদ শিরোনাম ::
ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”

উজিরপুরে ভুয়া সনদ দিয়ে শিক্ষক ও অফিস সহকারীর চাকরির অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উজিরপুর(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে বড়াকোঠা ইউনিয়নের গাজিরপার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক নাসির উদ্দিন ও অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল সনদ দিয়ে চাকরি এমপিও ভূক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ডালিম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম জাহিদুর রহমানকে প্রধান ও জেলা শিক্ষা গবেষণা কর্মকর্তা নিপুন মন্ডল এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার সুমন চৌধুরীকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা শিক্ষা অফিস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য ডালিম গত ১৪ সেপ্টেম্বরে একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক- দূর্গা রানী সিকদার গত ২৭ সেপ্টেম্বর লিখিত একটি চিঠিতে বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

গত ২ অক্টোবর বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করে। অভিযুক্ত সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক নাসির উদ্দিন জানান, ২০০৩ সালে ২৮ সেপ্টেমবর বিধি অনুসারে ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করি।

সকল কাগজ পত্র বৈধ কোন ভুয়া সনদ দিয়ে চাকরি গ্রহন করেনি। ব্যক্তিগত শত্রুতার জন্য হয়রানি করছে। অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালে ৪ সেপ্টেম্বরে ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য ডালিম থাকার সময় আমার নিয়োগ হয়েছে।

তখন আমি সকল বৈধ কাগজ পত্র দিয়ে নিয়োগ নিয়েছি। এখন কিভাবে ভুয়া হলো আমার বুঝে আসে না। কেউ যদি পারিবারিক ইস্যুকে ব্যবহার করে অযথা হয়রানি করার চেষ্টা করে তাহলে কিছু বলার নেই।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান জানান, যখন আমরা নিয়োগ দিয়েছি তখন তাদের কাগজপত্র যাচাই করে সঠিক পেয়েছি। এখন যদি তদন্ত কমিটি তাদের কাগজপত্র ভুয়া প্রমানিত করে তাহলে সেই নিয়োগের দায়ভার ম্যানেজিং কমিটিসহ আমাদের নিতে হবে।

অভিযোগকারী ওই বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ডালিম জানান, দশ বছর পরে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে একটি অডিট হয়।

সেই সময় অডিট প্রতিনিধি সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক নাসির উদ্দিনের সনদ ভুয়া পায় বিষয়টি গোপন থাকলেও পরে ওই বিদ্যালয়ের ক্লার্ক রফিকুল ইসলাম ম্যানেজিং কমিটিকে গোপনে জানায় এবং ওই ক্লার্কের সনদও ভুয়া তা ওই অভিযুক্ত শিক্ষক জানায় ।

তাদের দু’জনের কথা এলকায় জানাজানি হলে স্কুলের সুনাম নষ্ট হয়েছে। তাই শিক্ষা অধিদপ্তরে তাদের সনদপত্র যাচাইয়ের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চিঠি পাওয়ার পরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্টের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে দ্রুত সঠিক তথ্য যাচাই জরে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

উজিরপুরে ভুয়া সনদ দিয়ে শিক্ষক ও অফিস সহকারীর চাকরির অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

উজিরপুর(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে বড়াকোঠা ইউনিয়নের গাজিরপার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক নাসির উদ্দিন ও অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল সনদ দিয়ে চাকরি এমপিও ভূক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ডালিম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম জাহিদুর রহমানকে প্রধান ও জেলা শিক্ষা গবেষণা কর্মকর্তা নিপুন মন্ডল এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার সুমন চৌধুরীকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা শিক্ষা অফিস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য ডালিম গত ১৪ সেপ্টেম্বরে একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক- দূর্গা রানী সিকদার গত ২৭ সেপ্টেম্বর লিখিত একটি চিঠিতে বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

গত ২ অক্টোবর বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করে। অভিযুক্ত সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক নাসির উদ্দিন জানান, ২০০৩ সালে ২৮ সেপ্টেমবর বিধি অনুসারে ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করি।

সকল কাগজ পত্র বৈধ কোন ভুয়া সনদ দিয়ে চাকরি গ্রহন করেনি। ব্যক্তিগত শত্রুতার জন্য হয়রানি করছে। অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালে ৪ সেপ্টেম্বরে ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য ডালিম থাকার সময় আমার নিয়োগ হয়েছে।

তখন আমি সকল বৈধ কাগজ পত্র দিয়ে নিয়োগ নিয়েছি। এখন কিভাবে ভুয়া হলো আমার বুঝে আসে না। কেউ যদি পারিবারিক ইস্যুকে ব্যবহার করে অযথা হয়রানি করার চেষ্টা করে তাহলে কিছু বলার নেই।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান জানান, যখন আমরা নিয়োগ দিয়েছি তখন তাদের কাগজপত্র যাচাই করে সঠিক পেয়েছি। এখন যদি তদন্ত কমিটি তাদের কাগজপত্র ভুয়া প্রমানিত করে তাহলে সেই নিয়োগের দায়ভার ম্যানেজিং কমিটিসহ আমাদের নিতে হবে।

অভিযোগকারী ওই বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ডালিম জানান, দশ বছর পরে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে একটি অডিট হয়।

সেই সময় অডিট প্রতিনিধি সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক নাসির উদ্দিনের সনদ ভুয়া পায় বিষয়টি গোপন থাকলেও পরে ওই বিদ্যালয়ের ক্লার্ক রফিকুল ইসলাম ম্যানেজিং কমিটিকে গোপনে জানায় এবং ওই ক্লার্কের সনদও ভুয়া তা ওই অভিযুক্ত শিক্ষক জানায় ।

তাদের দু’জনের কথা এলকায় জানাজানি হলে স্কুলের সুনাম নষ্ট হয়েছে। তাই শিক্ষা অধিদপ্তরে তাদের সনদপত্র যাচাইয়ের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চিঠি পাওয়ার পরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্টের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে দ্রুত সঠিক তথ্য যাচাই জরে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।