সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৫ পুলিশ চাকরিচ্যুত, ১০০ জনকে শাস্তি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১ ৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে পুলিশের শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও অপরাধমূলক কাজে যুক্ত থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের ২৫ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সময়ে মোট ১০০ পুলিশ সদস্যকে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। চাকরিচ্যুত ও শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে কনস্টেবল, সহকারী উপ-পরিদর্শক ও উপ-পরিদর্শক রয়েছেন।

সোমবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, পুলিশে যোগদান করেছি দুই বছরের অধিক সময় হয়েছে। জেলা পুলিশে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকায় আমি ২৫ জনকে চাকরিচ্যুত করে দিয়েছি। মোট ১০০ জনকে দিয়েছি বড় ধরনের শাস্তি। আমি এ নিয়ে কোনো দ্বিধা করিনি। এই বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন ধরনের কোনো কিছু বরদাস্ত করা হবে না।

পুলিশ সুপার বলেন, আগামী দিনেও কোনো পুলিশ সদস্য যদি অপরাধে যুক্ত হন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিভাগে কোনো অপরাধীর জায়গা হবে না।

অপরাধ কমিয়ে আনার প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ নামে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। যে কেউ তার এনআইডি দিয়ে ওই অ্যাপের মাধ্যমে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে পারবেন। ফলে থানাগুলোতে এখন আর পুরনো পদ্ধতিতে জিডি বইয়ের ব্যবহার করতে হয় না। এছাড়া ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা (সিডিএমএস’র) মাধ্যমে জেলার সব পুলিশ সদস্যের তিন বেলা হাজিরা ও ডিউটি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং অবৈধ মোটরসাইকেল, কিশোর গ্যাংসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধী যারাই হোক না কেন তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়াটার্স) মো. আবু সাঈদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোজাম্মেল হোসেন রেজা, সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমানসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৫ পুলিশ চাকরিচ্যুত, ১০০ জনকে শাস্তি।

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে পুলিশের শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও অপরাধমূলক কাজে যুক্ত থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের ২৫ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সময়ে মোট ১০০ পুলিশ সদস্যকে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। চাকরিচ্যুত ও শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে কনস্টেবল, সহকারী উপ-পরিদর্শক ও উপ-পরিদর্শক রয়েছেন।

সোমবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, পুলিশে যোগদান করেছি দুই বছরের অধিক সময় হয়েছে। জেলা পুলিশে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকায় আমি ২৫ জনকে চাকরিচ্যুত করে দিয়েছি। মোট ১০০ জনকে দিয়েছি বড় ধরনের শাস্তি। আমি এ নিয়ে কোনো দ্বিধা করিনি। এই বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন ধরনের কোনো কিছু বরদাস্ত করা হবে না।

পুলিশ সুপার বলেন, আগামী দিনেও কোনো পুলিশ সদস্য যদি অপরাধে যুক্ত হন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিভাগে কোনো অপরাধীর জায়গা হবে না।

অপরাধ কমিয়ে আনার প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ নামে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। যে কেউ তার এনআইডি দিয়ে ওই অ্যাপের মাধ্যমে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে পারবেন। ফলে থানাগুলোতে এখন আর পুরনো পদ্ধতিতে জিডি বইয়ের ব্যবহার করতে হয় না। এছাড়া ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা (সিডিএমএস’র) মাধ্যমে জেলার সব পুলিশ সদস্যের তিন বেলা হাজিরা ও ডিউটি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং অবৈধ মোটরসাইকেল, কিশোর গ্যাংসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধী যারাই হোক না কেন তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়াটার্স) মো. আবু সাঈদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোজাম্মেল হোসেন রেজা, সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমানসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।