সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঝালকাঠিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মারক সংবর্ধনা বরিশালে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে জামায়াতকর্মী আটক সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

নদী ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেই, তাই চাঁদা তুলে দুটি বিদ্যালয় রক্ষার চেষ্টা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের বিহারীলাল একাডেমি ও পূর্ব ইলুহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙ্গনে বিলীনের পথে। প্রিয় দুটি বিদ্যাপিঠ রক্ষার দাবীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী, শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েকবার মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালণ করলেও জ্ঞানের আলো ছড়ানো এ বিদ্যালয় দুটি রক্ষায় সরকারি ভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি । এই বিদ্যালয় দুটি বর্তমানে উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়েচলা ভয়াল সন্ধ্যা নদীর তীব্র ভাঙ্গনের তীরে এসে দাঁড়িয়েছে। বিহারি লাল একাডেমি ১৯১৯ সালে স্থানীয় শম্ভু নাথ সরকারের ছেলে ভারতের শিক্ষা বিভাগে চাকরিরত বিহারি লাল সরকার তার নামে পৈত্রিক সম্পত্তিতে প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দেশ্যে ছিলো তাঁর জন্মভূমির শিক্ষা বঞ্চিত সন্তানদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। ১৯৪১ সালে ওই এলাকার সরকার বাড়ির সহযোগিতায় একই ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠা করা হয় পূর্ব ইলুহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যা এখন নদী ভাঙ্গনের তীরে এসে যেন বলছে, তোমাদের আর বেশিদিন শিক্ষার আলো ছড়াতে পারবোনা। তাই বিদ্যালয় দুটিকে নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার জন্য শিক্ষা সচেতন স্থানীয়রা দান বাক্স নিয়ে বাড়ি বাড়ি ও হাট বাজারে গিয়ে সাহায্য তুলছেন ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন রোধ করার জন্য। স্থানীয় শুভ দাস নামের এক যুবক প্রথমে এই উদ্যোগ নেন শুক্রবার (২৭ আগস্ট)। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী সহ এলাকাবাসী এক হয়ে এ কাজে যোগদেন। গত তিন দিন ধরে তারা দান বাক্স নিয়ে এলাকায় বাড়ি বাড়ি ও হাট-বাজারে ছুটছেন। তারা নদী ভাঙনের হাত থেকে শিক্ষার আলো ছড়ানো ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয় দুটি রক্ষায় ওই এলাকার মানুষসহ সমাজের সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন। ###

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নদী ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেই, তাই চাঁদা তুলে দুটি বিদ্যালয় রক্ষার চেষ্টা।

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১

রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি॥
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের বিহারীলাল একাডেমি ও পূর্ব ইলুহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙ্গনে বিলীনের পথে। প্রিয় দুটি বিদ্যাপিঠ রক্ষার দাবীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী, শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েকবার মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালণ করলেও জ্ঞানের আলো ছড়ানো এ বিদ্যালয় দুটি রক্ষায় সরকারি ভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি । এই বিদ্যালয় দুটি বর্তমানে উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়েচলা ভয়াল সন্ধ্যা নদীর তীব্র ভাঙ্গনের তীরে এসে দাঁড়িয়েছে। বিহারি লাল একাডেমি ১৯১৯ সালে স্থানীয় শম্ভু নাথ সরকারের ছেলে ভারতের শিক্ষা বিভাগে চাকরিরত বিহারি লাল সরকার তার নামে পৈত্রিক সম্পত্তিতে প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দেশ্যে ছিলো তাঁর জন্মভূমির শিক্ষা বঞ্চিত সন্তানদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। ১৯৪১ সালে ওই এলাকার সরকার বাড়ির সহযোগিতায় একই ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠা করা হয় পূর্ব ইলুহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যা এখন নদী ভাঙ্গনের তীরে এসে যেন বলছে, তোমাদের আর বেশিদিন শিক্ষার আলো ছড়াতে পারবোনা। তাই বিদ্যালয় দুটিকে নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার জন্য শিক্ষা সচেতন স্থানীয়রা দান বাক্স নিয়ে বাড়ি বাড়ি ও হাট বাজারে গিয়ে সাহায্য তুলছেন ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন রোধ করার জন্য। স্থানীয় শুভ দাস নামের এক যুবক প্রথমে এই উদ্যোগ নেন শুক্রবার (২৭ আগস্ট)। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী সহ এলাকাবাসী এক হয়ে এ কাজে যোগদেন। গত তিন দিন ধরে তারা দান বাক্স নিয়ে এলাকায় বাড়ি বাড়ি ও হাট-বাজারে ছুটছেন। তারা নদী ভাঙনের হাত থেকে শিক্ষার আলো ছড়ানো ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয় দুটি রক্ষায় ওই এলাকার মানুষসহ সমাজের সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন। ###