সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

কলাপাড়ায় ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা’র বিভিন্ন দুর্নীতি ও জালিয়াতির তদন্ত শুরু।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১ ১২০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তানজিল জামান জয়, কলাপাড়া ॥ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র বিভিন্ন দুর্নীতি ও জালিয়াতির তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর মো: আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ৩১.১০.৭৮০০.০০৯.০১.০২৬.১৯ স্মারকের চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে উপজেলার তুলাতলি গ্রামের জনৈক মো: ইউনুস খেপুপাড়া ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক’র কাছে জাল খাতিয়ান খুলে ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন। এরপর জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন। উক্ত অভিযোগের অনুলিপি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, চেয়ারম্যান, দুদক প্রধান কার্যালয়, ঢাকা ও বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বরাবর প্রেরন করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, সোনাতলা মৌজার ১নং সরকারী খাস খতিয়ানের জমি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা জাল জালিয়াতি ভাবে ৫৯১/১ নং ভুয়া খতিয়ান সৃষ্টি করেন। অত:পর রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভূক্ত করে ১৬৪৪৩০ নম্বর খাজনা দাখিলা প্রদান করেন। এতে ঢাকার কোম্পানীর কাছে একটি চক্র সরকারী জমি ১ কোটি টাকায় বিক্রী করে আত্মসাত করে।

কলাপাড়া ইউএনও আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, ’ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র দুর্নীতির বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, ’ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হতে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

প্রসংগত, অভিযোগ রয়েছে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা, ০৮-০৫-১৯ তারিখ সোনাতলা মৌজার এসএ ২ নং সিটভূক্ত ১১৮৬, ১১৮৭ নদী’র দাগের ২.৮৭৫০ একর জমির, ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ পর্যন্ত, ৪৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর রসিদ প্রদান করেন আম্বিয়া খাতুন’র নামে। অফিসে সংরক্ষিত উক্ত রসিদ’র কার্বন কপিতে সেটেলমেন্ট খতিয়ান’র পরিবর্তে রেকর্ডীয় খতিয়ান ৯১ লেখা রয়েছে। জমির পরিমানও পাল্টে ১.৮৭৫০ এবং কর আদায়ের সাল ১৩৭৯-৯৭ লেখা রয়েছে। অথচ সোনাতলা মৌজার রেকর্ডীয় ৯১ খতিয়ান এর মালিক আছিয়া খাতুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কলাপাড়ায় ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা’র বিভিন্ন দুর্নীতি ও জালিয়াতির তদন্ত শুরু।

আপডেট সময় : ০৫:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১

তানজিল জামান জয়, কলাপাড়া ॥ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র বিভিন্ন দুর্নীতি ও জালিয়াতির তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর মো: আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ৩১.১০.৭৮০০.০০৯.০১.০২৬.১৯ স্মারকের চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে উপজেলার তুলাতলি গ্রামের জনৈক মো: ইউনুস খেপুপাড়া ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক’র কাছে জাল খাতিয়ান খুলে ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন। এরপর জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন। উক্ত অভিযোগের অনুলিপি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, চেয়ারম্যান, দুদক প্রধান কার্যালয়, ঢাকা ও বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বরাবর প্রেরন করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, সোনাতলা মৌজার ১নং সরকারী খাস খতিয়ানের জমি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা জাল জালিয়াতি ভাবে ৫৯১/১ নং ভুয়া খতিয়ান সৃষ্টি করেন। অত:পর রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভূক্ত করে ১৬৪৪৩০ নম্বর খাজনা দাখিলা প্রদান করেন। এতে ঢাকার কোম্পানীর কাছে একটি চক্র সরকারী জমি ১ কোটি টাকায় বিক্রী করে আত্মসাত করে।

কলাপাড়া ইউএনও আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, ’ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র দুর্নীতির বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, ’ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা’র দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হতে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

প্রসংগত, অভিযোগ রয়েছে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোসা: তানিয়া আক্তার মুক্তা, ০৮-০৫-১৯ তারিখ সোনাতলা মৌজার এসএ ২ নং সিটভূক্ত ১১৮৬, ১১৮৭ নদী’র দাগের ২.৮৭৫০ একর জমির, ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ পর্যন্ত, ৪৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর রসিদ প্রদান করেন আম্বিয়া খাতুন’র নামে। অফিসে সংরক্ষিত উক্ত রসিদ’র কার্বন কপিতে সেটেলমেন্ট খতিয়ান’র পরিবর্তে রেকর্ডীয় খতিয়ান ৯১ লেখা রয়েছে। জমির পরিমানও পাল্টে ১.৮৭৫০ এবং কর আদায়ের সাল ১৩৭৯-৯৭ লেখা রয়েছে। অথচ সোনাতলা মৌজার রেকর্ডীয় ৯১ খতিয়ান এর মালিক আছিয়া খাতুন।