সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

নেতা-কর্মীদের বাঁচাতে পারিনি, আমার এই চেয়ারে থাকার যোগ্যতা নাই: মেয়র সাদিক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মধ্যে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ‘আমি লজ্জিত’ বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার রাতে চ্যানেল আইতে প্রচারিত টু দ্যা পয়েন্ট অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি ওই মন্তব্য করেন।

বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আমি তিন বছর ধরে মেয়রের দায়িত্বে আছি। এখানে রাজনৈতিক সহাবস্থান রয়েছে। বরিশালের রাজনীতিতে যখন থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছি কোনো ধরনের মারামারি, টেন্ডারবাজি করতে দেইনি। আমাদের বিরুদ্ধে দেওয়া মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে আসামি করা হয়েছে। অথচ আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে সে বিমানে করে ঢাকা থেকে বরিশাল এসেছে। এরকম অনেকজন পাওয়া যাবে, যারা ছিলই না বরিশালে। ‍পুলিশ-প্রশাসন কেন প্রতিহিংসার জায়গায় আসলো এটা তাদের কাছেই জিজ্ঞেস করতে হবে।

মেয়র সাদিক আরো বলেন, পুলিশের কাছে এমন কোনো তদবিরও নাই। আমার নেতা-কর্মীরা এমন কোনো অন্যায়ও করে না যে কোনো তদবির করা লাগবে বা তাদের দ্বারা কাউকে গ্রেফতার করানো লাগবে।

কোনো অন্যায় না করেও কেন আপনাকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের কারণে। এখানে আমার দল, আমার নেত্রীকে সারাদেশে বিতর্কিত করতে এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড তো আমি করি না। এইভাবে তো আমি চলি না। আমি রাস্তায় হেটে চলি। আমি মোটরসাইকেল চালিয়ে সেদিন গিয়েছি ওইখানে।

তিনি বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাচ্ছি। আমরা চাচ্ছি এটার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। আমি অপরাধী হলে দলে থাকার বা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে মত এত বড় গুরু দায়িত্বে থাকার আমার অধিকার নাই। আমি রেজিগনেশন লেটার দিতে চেয়েছি। কিন্তু দলীয় সিনিয়র নেতাদের অনুরোধ করায় দেইনি।

বিসিসি মেয়র বলেন, আমার নেতা-কর্মীরা যারা আহত হয়েছে, আমার সরকার ক্ষমতায়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। আমি তাদের বাঁচাতে পারলাম না। তাহলে বিরোধী গেলে আমি তাদের কিভাবে বাঁচাবো। আমি মনে করি আমার এই চেয়ারে থাকার যোগ্যতা নাই। আমি লজ্জিত যে তাদের বাঁচাতে পারলান না।

অনুষ্ঠানে আরো অংশ নেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন নয় এই বরিশাল। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই সুশাসন নাই, আইনের শাসন নাই, ন্যায় বিচার নাই। আমরা যখন নির্বাচন করেছি। সাদিক আবদুল্লাও প্রার্থী ছিলো। আমরা পাঁচজন প্রার্থী সকাল সাড়ের ১০টার সময় নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ তারা যেভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে, যেভাবে ভোট করেছে আমরা সেটাকে মানি নাই।

ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস ওই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেছেন, ইউএনওর বাসায় হামলা করা হয়নি। ঘটনা যেখানে হয়েছে সেটি ইউএনওর বাসা থেকে ঘটনা দূরে। কোনো অঘটন ঘটলে ইউএনও মেয়রকে অভিযোগ করতে পারতেন। তিনি যে এমন একটা ঘটনায় জড়ালেন, আমি মনে করি এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি নিজেই জড়িয়েছেন এর সঙ্গে। একতরফাভাবে গুলি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নেতা-কর্মীদের বাঁচাতে পারিনি, আমার এই চেয়ারে থাকার যোগ্যতা নাই: মেয়র সাদিক।

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

ব্যানার অপসারণকে কেন্দ্র করে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মধ্যে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ‘আমি লজ্জিত’ বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার রাতে চ্যানেল আইতে প্রচারিত টু দ্যা পয়েন্ট অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি ওই মন্তব্য করেন।

বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, আমি তিন বছর ধরে মেয়রের দায়িত্বে আছি। এখানে রাজনৈতিক সহাবস্থান রয়েছে। বরিশালের রাজনীতিতে যখন থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছি কোনো ধরনের মারামারি, টেন্ডারবাজি করতে দেইনি। আমাদের বিরুদ্ধে দেওয়া মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে আসামি করা হয়েছে। অথচ আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে সে বিমানে করে ঢাকা থেকে বরিশাল এসেছে। এরকম অনেকজন পাওয়া যাবে, যারা ছিলই না বরিশালে। ‍পুলিশ-প্রশাসন কেন প্রতিহিংসার জায়গায় আসলো এটা তাদের কাছেই জিজ্ঞেস করতে হবে।

মেয়র সাদিক আরো বলেন, পুলিশের কাছে এমন কোনো তদবিরও নাই। আমার নেতা-কর্মীরা এমন কোনো অন্যায়ও করে না যে কোনো তদবির করা লাগবে বা তাদের দ্বারা কাউকে গ্রেফতার করানো লাগবে।

কোনো অন্যায় না করেও কেন আপনাকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের কারণে। এখানে আমার দল, আমার নেত্রীকে সারাদেশে বিতর্কিত করতে এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড তো আমি করি না। এইভাবে তো আমি চলি না। আমি রাস্তায় হেটে চলি। আমি মোটরসাইকেল চালিয়ে সেদিন গিয়েছি ওইখানে।

তিনি বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাচ্ছি। আমরা চাচ্ছি এটার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। আমি অপরাধী হলে দলে থাকার বা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে মত এত বড় গুরু দায়িত্বে থাকার আমার অধিকার নাই। আমি রেজিগনেশন লেটার দিতে চেয়েছি। কিন্তু দলীয় সিনিয়র নেতাদের অনুরোধ করায় দেইনি।

বিসিসি মেয়র বলেন, আমার নেতা-কর্মীরা যারা আহত হয়েছে, আমার সরকার ক্ষমতায়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। আমি তাদের বাঁচাতে পারলাম না। তাহলে বিরোধী গেলে আমি তাদের কিভাবে বাঁচাবো। আমি মনে করি আমার এই চেয়ারে থাকার যোগ্যতা নাই। আমি লজ্জিত যে তাদের বাঁচাতে পারলান না।

অনুষ্ঠানে আরো অংশ নেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন নয় এই বরিশাল। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই সুশাসন নাই, আইনের শাসন নাই, ন্যায় বিচার নাই। আমরা যখন নির্বাচন করেছি। সাদিক আবদুল্লাও প্রার্থী ছিলো। আমরা পাঁচজন প্রার্থী সকাল সাড়ের ১০টার সময় নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ তারা যেভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে, যেভাবে ভোট করেছে আমরা সেটাকে মানি নাই।

ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস ওই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেছেন, ইউএনওর বাসায় হামলা করা হয়নি। ঘটনা যেখানে হয়েছে সেটি ইউএনওর বাসা থেকে ঘটনা দূরে। কোনো অঘটন ঘটলে ইউএনও মেয়রকে অভিযোগ করতে পারতেন। তিনি যে এমন একটা ঘটনায় জড়ালেন, আমি মনে করি এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি নিজেই জড়িয়েছেন এর সঙ্গে। একতরফাভাবে গুলি করা হয়েছে।