সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

অন্তঃসত্ত্বাদের শিগগিরই টিকার আওতায় আনা হবে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম জানিয়েছেন, অন্তঃসত্ত্বা ও সদ্য মা হওয়াদের করোনাভাইরাসের কোন টিকা দেওয়া হবে সেটা নিয়ে আমাদের কাজ চলছে। তাদের শিগগিরই টিকার আওতায় আনা হবে। তবে সেটি ৭ তারিখ থেকে নয়।

বুধবার (৪ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

এনআইডির মাধ্যমে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে ডা. খুরশীদ আলম বলেন, যাদের এনআইডি নেই, তারা এনআইডির জন্য আবেদন করলে দ্রুত তা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে এনআইডি অফিসের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কথা হয়েছে। এ ছাড়া যাদের এনআইডি নেই তাদের এনআইডি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আগামী ৭ তারিখের ক্যাম্পেইন সফল করতে সব মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, করোনা টিকা নিতে নিবন্ধনের পরও ফোনে মেসেজ পেতে বিলম্বের বিষয়টি সমাধান করতে আইসিটি বিভাগকে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় বাইরে টিকা বিক্রির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে সোমবার (২ আগস্ট) ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি গ্রুপ (নাইট্যাগ) অন্তঃসত্ত্বা ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের করোনার টিকা দেওয়ার সুপারিশ করে। এ বিষয়ে নাইট্যাগের সদস্য ডা. বে-নজির আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, গত ৩১ জুলাই নাইট্যাগের একটি বৈঠকে এ বিষয়ক সুপারিশ করেছেন তারা।

তিনি বলেন, তাদেরকে টিকা দেওয়া যেতে পারে মর্মে আমরা মতামত দিয়েছি।

ডা. বে-নজীর বলেন, সরকার নিজেই তাদের টিকা দিতে চাচ্ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি মহোদয় বলেছিল- আমরা দিতে চাই; নাইট্যাগের কাছে পরামর্শ চাচ্ছি। আমরা স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা মতামত দেই, উনারা সুবিধা-অসুবিধা দেখে উনাদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেন।

এছাড়া চলমান টিকা কার্যক্রমে অন্তঃসত্ত্বাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার বিষয়ে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলকে পদক্ষেপ নিতে বলেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিকভাবে এ আদেশ দেন।

দায়িত্বরত আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে বিচারক বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল সাহেবকে বলবেন অন্তঃসত্ত্বাদের ব্যাপারে যদিও রোববার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রেসের সামনে বলেছেন, অন্তঃসত্ত্বাদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমার মনে হয় এ বিষয়টি নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসা প্রয়োজন। অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলবেন তিনি যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যাতে তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে দেয়।

আদালত আরও বলেন, যেহেতু মন্ত্রী সাহেব বলেছেন, সেহেতু আমরা ফরমাল কোনো আদেশ দিচ্ছি না। অ্যাটর্নি জেনারেল সাহেব যাতে যোগাযোগ করেন এবং এ বিষয়ে একটা পরিষ্কার বক্তব্য আসে।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, মাই লর্ড কোর্ট শেষ হলেই বলে দিচ্ছি। এরপর রিট আবেদনটি মুলতবি করেন আদালত।

অন্তঃসত্ত্বাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে গত শনিবার (৩১ জুলাই) হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী। যার মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা একজন নারী আইনজীবীও রয়েছেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার আদালত মৌখিকভাবে এ আদেশ দিয়ে আবেদনটি মুলতবি রাখেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও বিপুল বাগমার।

এরও আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এ বিষয়ে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় এ রিট করা হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন রিটকারীদের একজন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।

রিটে স্বাস্থ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং আইইডিসিআরের পরিচালককে বিবাদী করা হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়। অর্থাৎ ৩৫ লাখ অন্তঃসত্ত্বা আরও ৩৫ লাখ মানুষের অস্তিত্ব বহন করেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সরকারের নির্ধারিত করোনার টিকা রেজিস্ট্রেশনের সুরক্ষা অ্যাপে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিবন্ধন করতে অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। অথচ তাদের চেয়েও কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্তঃসত্ত্বাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এ অধিকার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বীকৃত একটি মৌলিক অধিকার। তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করা একটি নিপীড়নমূলক, বৈষম্যমূলক এবং তাদের জীবনধারণের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অন্তঃসত্বা ও দুগ্ধদানকারী নারীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হলেও বাংলাদেশে এখনো তা শুরু হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অন্তঃসত্ত্বাদের শিগগিরই টিকার আওতায় আনা হবে।

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম জানিয়েছেন, অন্তঃসত্ত্বা ও সদ্য মা হওয়াদের করোনাভাইরাসের কোন টিকা দেওয়া হবে সেটা নিয়ে আমাদের কাজ চলছে। তাদের শিগগিরই টিকার আওতায় আনা হবে। তবে সেটি ৭ তারিখ থেকে নয়।

বুধবার (৪ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

এনআইডির মাধ্যমে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে ডা. খুরশীদ আলম বলেন, যাদের এনআইডি নেই, তারা এনআইডির জন্য আবেদন করলে দ্রুত তা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে এনআইডি অফিসের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কথা হয়েছে। এ ছাড়া যাদের এনআইডি নেই তাদের এনআইডি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আগামী ৭ তারিখের ক্যাম্পেইন সফল করতে সব মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, করোনা টিকা নিতে নিবন্ধনের পরও ফোনে মেসেজ পেতে বিলম্বের বিষয়টি সমাধান করতে আইসিটি বিভাগকে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় বাইরে টিকা বিক্রির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে সোমবার (২ আগস্ট) ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি গ্রুপ (নাইট্যাগ) অন্তঃসত্ত্বা ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের করোনার টিকা দেওয়ার সুপারিশ করে। এ বিষয়ে নাইট্যাগের সদস্য ডা. বে-নজির আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, গত ৩১ জুলাই নাইট্যাগের একটি বৈঠকে এ বিষয়ক সুপারিশ করেছেন তারা।

তিনি বলেন, তাদেরকে টিকা দেওয়া যেতে পারে মর্মে আমরা মতামত দিয়েছি।

ডা. বে-নজীর বলেন, সরকার নিজেই তাদের টিকা দিতে চাচ্ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি মহোদয় বলেছিল- আমরা দিতে চাই; নাইট্যাগের কাছে পরামর্শ চাচ্ছি। আমরা স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা মতামত দেই, উনারা সুবিধা-অসুবিধা দেখে উনাদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেন।

এছাড়া চলমান টিকা কার্যক্রমে অন্তঃসত্ত্বাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার বিষয়ে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলকে পদক্ষেপ নিতে বলেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিকভাবে এ আদেশ দেন।

দায়িত্বরত আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে বিচারক বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল সাহেবকে বলবেন অন্তঃসত্ত্বাদের ব্যাপারে যদিও রোববার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রেসের সামনে বলেছেন, অন্তঃসত্ত্বাদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমার মনে হয় এ বিষয়টি নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসা প্রয়োজন। অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলবেন তিনি যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যাতে তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে দেয়।

আদালত আরও বলেন, যেহেতু মন্ত্রী সাহেব বলেছেন, সেহেতু আমরা ফরমাল কোনো আদেশ দিচ্ছি না। অ্যাটর্নি জেনারেল সাহেব যাতে যোগাযোগ করেন এবং এ বিষয়ে একটা পরিষ্কার বক্তব্য আসে।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, মাই লর্ড কোর্ট শেষ হলেই বলে দিচ্ছি। এরপর রিট আবেদনটি মুলতবি করেন আদালত।

অন্তঃসত্ত্বাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে গত শনিবার (৩১ জুলাই) হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী। যার মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা একজন নারী আইনজীবীও রয়েছেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার আদালত মৌখিকভাবে এ আদেশ দিয়ে আবেদনটি মুলতবি রাখেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও বিপুল বাগমার।

এরও আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এ বিষয়ে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় এ রিট করা হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন রিটকারীদের একজন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।

রিটে স্বাস্থ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং আইইডিসিআরের পরিচালককে বিবাদী করা হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়। অর্থাৎ ৩৫ লাখ অন্তঃসত্ত্বা আরও ৩৫ লাখ মানুষের অস্তিত্ব বহন করেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সরকারের নির্ধারিত করোনার টিকা রেজিস্ট্রেশনের সুরক্ষা অ্যাপে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিবন্ধন করতে অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। অথচ তাদের চেয়েও কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্তঃসত্ত্বাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এ অধিকার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বীকৃত একটি মৌলিক অধিকার। তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করা একটি নিপীড়নমূলক, বৈষম্যমূলক এবং তাদের জীবনধারণের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অন্তঃসত্বা ও দুগ্ধদানকারী নারীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হলেও বাংলাদেশে এখনো তা শুরু হয়নি।