সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

ঘর দেয়ার নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১ ৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুমদ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের মাঝে ঘর দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে।

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ সহনীয় চারটি ঘর উপহার দেবেন এমন তথ্য দিয়ে অসহায় চার পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার করে টাকা নেন তিনি। এমনকি এ পরিবারগুলোকে পাকা ঘর নির্মাণেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ চারটি পাকা ঘর দেখিয়ে ওখানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আরও ঘর উপহার দেয়া হবে বলে শতাধিক ভূমিহীন পরিবারের কাছ থেকে তিনি ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে দীর্ঘদিনেও ঘর না পেয়ে টাকা চাইতে গিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে লাঞ্ছিত হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিল্পি বেগম জানান, ‘আমাদের থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে মেহেরাজ চেয়ারম্যান এপাকা ঘর দিয়েছে। কিন্তু ঘরে এখন পানি পড়ে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ওই ঘরে বসবাস করতেও ভয় করে।’

অভিযোগকারীদের অনেকে জানান, সুদের ওপর টাকা নিয়ে তারা চেয়ারম্যানকে দিয়েছেন। এখনো প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে সুদ দিতে হয় তাদের। এখন ঘর না পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে, অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

তিনি দাবি করেন, ঘর নির্মাণে পিআইও ও ট্যাগ অফিসার জড়িত ছিলেন। তিনি কোনো টাকা-পয়সা নেননি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন জাগো নিউজকে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘর দেয়ার নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুমদ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের মাঝে ঘর দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে।

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ সহনীয় চারটি ঘর উপহার দেবেন এমন তথ্য দিয়ে অসহায় চার পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার করে টাকা নেন তিনি। এমনকি এ পরিবারগুলোকে পাকা ঘর নির্মাণেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ চারটি পাকা ঘর দেখিয়ে ওখানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আরও ঘর উপহার দেয়া হবে বলে শতাধিক ভূমিহীন পরিবারের কাছ থেকে তিনি ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে দীর্ঘদিনেও ঘর না পেয়ে টাকা চাইতে গিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে লাঞ্ছিত হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিল্পি বেগম জানান, ‘আমাদের থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে মেহেরাজ চেয়ারম্যান এপাকা ঘর দিয়েছে। কিন্তু ঘরে এখন পানি পড়ে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ওই ঘরে বসবাস করতেও ভয় করে।’

অভিযোগকারীদের অনেকে জানান, সুদের ওপর টাকা নিয়ে তারা চেয়ারম্যানকে দিয়েছেন। এখনো প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে সুদ দিতে হয় তাদের। এখন ঘর না পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে, অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

তিনি দাবি করেন, ঘর নির্মাণে পিআইও ও ট্যাগ অফিসার জড়িত ছিলেন। তিনি কোনো টাকা-পয়সা নেননি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন জাগো নিউজকে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।