সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

তরুণী ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা টাকার বিনিময় আপসের চেষ্টা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নের উত্তর মমিনপুর গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরণীকে (২০) ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে আপসের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ওই তরুনী এবং তার পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের কাছে এমনই অভিযোগ করেন।

এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় বাউফল থানায় চারজনকে আসামী করে মামলা করার পর চারদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

গতকাল বুধবার বাউফল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই তরুনী জানান, কেশবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাসেম গাজীর ছেলে রাব্বির(২৫) সাথে দীর্ঘদিন পর্যন্ত প্রেম চলে আসছিল। একমাস আগে রাব্বি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এরপর আমি বিয়ের প্রস্তাব দিলে রাব্বি বিয়ে করতে অস্বীকার করে।

গত ২৩ জুলাই বিয়ের দাবি নিয়ে আমি রাব্বীর পরিবারের কাছে গেলে তারা আমাকে মারধর করে বাড়ির উঠানে সারারাত ফেলে রাখে। পরদিন পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় গত ২৬ জুলাই আমি বাদি হয়ে মো. রাব্বী গাজী, তার পিতা মো. কাশেম গাজী, মা মোসা. খাদিজা বেগম ও বোন আয়শা বেগমকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করি। রাব্বির চাচা মো. শাহজাহান গাজী ওই ওয়ার্ডের মেম্বার হওয়ায় আসামীরা তার ছত্রছায়ায় ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না।

ওই তরুণী জানায়, মেম্বার মো. শাহজাহান গাজী আমার ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা টাকার বিনিময় ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ওই তরুণী আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে বলেন, যদি বিচার না পাই তাহলে আমি বিষ খাবো। আমার জীবন নষ্ট করে বিয়ে না করলে এই জীবন রেখে হবে কী?
ওই তরুণীর মা জানান, ঘটনার পর থেকেই রাব্বীর চাচা মেম্বার শাহজাহান গাজী, আফজাল গাজী, চাচাতো ভাই মো. সজিব গাজীসহ একটি প্রভাবশালী মহল আমাদেরকে হুমকি দিয়ে আসছে। ধর্ষণের ঘটনা আপস করতে টাকা নেয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে। আমরা টাকা নিতে অস্বীকার করে প্রকৃত বিচার দাবি করছি। ঘটনার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

ইউপি সদস্য ও অভিযুক্তর চাচা মো. শাহজাহান গাজী বলেন, হুমকির অভিযোগ মিথ্যা। যেহেতু উভয়েই একই এলাকার তাই আপসের আলাপ হতে পারে। তবে আমি নিজে আপসের জন্য যাইনি।

এবিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, মামলা হওয়ার পর ২৭ জুলাই ওই তরুনীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তরুণী ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা টাকার বিনিময় আপসের চেষ্টা।

আপডেট সময় : ১০:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নের উত্তর মমিনপুর গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরণীকে (২০) ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে আপসের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ওই তরুনী এবং তার পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের কাছে এমনই অভিযোগ করেন।

এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় বাউফল থানায় চারজনকে আসামী করে মামলা করার পর চারদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

গতকাল বুধবার বাউফল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই তরুনী জানান, কেশবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাসেম গাজীর ছেলে রাব্বির(২৫) সাথে দীর্ঘদিন পর্যন্ত প্রেম চলে আসছিল। একমাস আগে রাব্বি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এরপর আমি বিয়ের প্রস্তাব দিলে রাব্বি বিয়ে করতে অস্বীকার করে।

গত ২৩ জুলাই বিয়ের দাবি নিয়ে আমি রাব্বীর পরিবারের কাছে গেলে তারা আমাকে মারধর করে বাড়ির উঠানে সারারাত ফেলে রাখে। পরদিন পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় গত ২৬ জুলাই আমি বাদি হয়ে মো. রাব্বী গাজী, তার পিতা মো. কাশেম গাজী, মা মোসা. খাদিজা বেগম ও বোন আয়শা বেগমকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করি। রাব্বির চাচা মো. শাহজাহান গাজী ওই ওয়ার্ডের মেম্বার হওয়ায় আসামীরা তার ছত্রছায়ায় ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না।

ওই তরুণী জানায়, মেম্বার মো. শাহজাহান গাজী আমার ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা টাকার বিনিময় ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ওই তরুণী আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে বলেন, যদি বিচার না পাই তাহলে আমি বিষ খাবো। আমার জীবন নষ্ট করে বিয়ে না করলে এই জীবন রেখে হবে কী?
ওই তরুণীর মা জানান, ঘটনার পর থেকেই রাব্বীর চাচা মেম্বার শাহজাহান গাজী, আফজাল গাজী, চাচাতো ভাই মো. সজিব গাজীসহ একটি প্রভাবশালী মহল আমাদেরকে হুমকি দিয়ে আসছে। ধর্ষণের ঘটনা আপস করতে টাকা নেয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে। আমরা টাকা নিতে অস্বীকার করে প্রকৃত বিচার দাবি করছি। ঘটনার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

ইউপি সদস্য ও অভিযুক্তর চাচা মো. শাহজাহান গাজী বলেন, হুমকির অভিযোগ মিথ্যা। যেহেতু উভয়েই একই এলাকার তাই আপসের আলাপ হতে পারে। তবে আমি নিজে আপসের জন্য যাইনি।

এবিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, মামলা হওয়ার পর ২৭ জুলাই ওই তরুনীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।