সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

ঝালকাঠিতে ষাটার্ধ বিধবা জবেদার ঘরে খাদ্র সামগ্রী নিয়ে ইউএনও সাবেকুন্নাহার।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জুলাই ২০২১ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন উদচড়া গ্রামের মৃত নেছার উদ্দীনের স্ত্রী ষাটার্ধ বয়সি অসহায় জবেদা খাতুনের পাশে দাড়ালেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার।

মানুষের কাছে হাত পেতে সামন্য কিছু অর্থ সংগ্রহ করে প্রতিদিন নিজের পেট চালাতেন। বর্তমানে সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর লকডাউনে ঘরের বাহিরে বের হতে না পেরে খাদ্য সংকটে ছিলেন বিধবা জবেদা খাতুন । শুধু খাদ্য সংকটই নয় মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের মত অধিকাংশ চাহিদা থেকেই বঞ্চিত এই বিধবা বৃদ্ধা নারী।

গত ৮জুলাই স্থানীয় সাংবাদিক মো: ইমাম হোসেনের মাধ্যমে জবেদা খাতুনের অসহায় জীবন-যাপনের বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলে আজ ১০জুলাই সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার খাদ্য সামগ্রী নিয়ে জবেদা খাতুনের বাড়ি উপস্থিত হয়ে তাকে খাদ্য সহায়তা করেন। একই সাথে জবেদা খাতুনের জড়াজীর্ন ভাঙ্গা ঘর পরির্দশন পূর্বক তাকে সরকারি ঘর এবং ব্যক্তিগত ভাবে নিজ খরচে জবেদা খাতুনের চোখের চিকিৎসা করাবেন বলে আশ্বাষ দেন।

এ বিষয় ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার জানান, ৮ জুলাই বৃদ্ধার মুঠোফোন থেকে আমার ফোনে একটি কল আসে। আমি ফোন রিসিভ করতেই বৃদ্ধা আমার কাছে খাদ্য সহায়তা চান । আমি বিষয়টি আমলে নিয়ে আজ খাদ্য নিয়ে আমি নিজে তার বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী তার হাতে তুলে দেই। এ সময় তিনি তার ঘরের কথা এবং তার চোখে দেখতে সমস্যা হয় বলে জানালে তাকে একটি নতুন ঘর ও একই সাথে তার চোখের চিকিৎসার জন্য আমার পক্ষ থেকে ব্যক্তিভাবে সহায়তা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে ষাটার্ধ বিধবা জবেদার ঘরে খাদ্র সামগ্রী নিয়ে ইউএনও সাবেকুন্নাহার।

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জুলাই ২০২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন উদচড়া গ্রামের মৃত নেছার উদ্দীনের স্ত্রী ষাটার্ধ বয়সি অসহায় জবেদা খাতুনের পাশে দাড়ালেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার।

মানুষের কাছে হাত পেতে সামন্য কিছু অর্থ সংগ্রহ করে প্রতিদিন নিজের পেট চালাতেন। বর্তমানে সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর লকডাউনে ঘরের বাহিরে বের হতে না পেরে খাদ্য সংকটে ছিলেন বিধবা জবেদা খাতুন । শুধু খাদ্য সংকটই নয় মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের মত অধিকাংশ চাহিদা থেকেই বঞ্চিত এই বিধবা বৃদ্ধা নারী।

গত ৮জুলাই স্থানীয় সাংবাদিক মো: ইমাম হোসেনের মাধ্যমে জবেদা খাতুনের অসহায় জীবন-যাপনের বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলে আজ ১০জুলাই সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার খাদ্য সামগ্রী নিয়ে জবেদা খাতুনের বাড়ি উপস্থিত হয়ে তাকে খাদ্য সহায়তা করেন। একই সাথে জবেদা খাতুনের জড়াজীর্ন ভাঙ্গা ঘর পরির্দশন পূর্বক তাকে সরকারি ঘর এবং ব্যক্তিগত ভাবে নিজ খরচে জবেদা খাতুনের চোখের চিকিৎসা করাবেন বলে আশ্বাষ দেন।

এ বিষয় ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবেকুন্নাহার জানান, ৮ জুলাই বৃদ্ধার মুঠোফোন থেকে আমার ফোনে একটি কল আসে। আমি ফোন রিসিভ করতেই বৃদ্ধা আমার কাছে খাদ্য সহায়তা চান । আমি বিষয়টি আমলে নিয়ে আজ খাদ্য নিয়ে আমি নিজে তার বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী তার হাতে তুলে দেই। এ সময় তিনি তার ঘরের কথা এবং তার চোখে দেখতে সমস্যা হয় বলে জানালে তাকে একটি নতুন ঘর ও একই সাথে তার চোখের চিকিৎসার জন্য আমার পক্ষ থেকে ব্যক্তিভাবে সহায়তা করা হবে।