বরিশালে গরু চুরির অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক।
- আপডেট সময় : ১২:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১ ১২৮ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশালে চাচা ভাতিজা পরিচয় বাবা ছেলেকে গরু চুরির অপরাধে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।সোমবার আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের খেয়াঘাট থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হল, ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর এলাকার বাসিন্দা দপদপিয়া তিমিরকাঠী মাদ্রাসার শিক্ষক শহিদুল ইসলাম (৫৬) ও তার ছেলে ইমরান ।
তারা বরিশালের রুপাতলী উকিল বাড়ি সড়ক এলাকায় বেলাল হোসেন নামের এক বাড়িওয়ালার ঘরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাসরত ছিল। জানা যায়, গত রবিবার (৪ জুলাই) শহিদুল ইসলামের ছেলে ইমরান নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাবেক মেম্বর আক্কেল আলীর ছেলে রিয়াজের কাছে গরুর চাহিদার চেয়ে তুলনামূলক কম দামে(১৮০০০) টাকায় বিক্রি করে।
ক্রয়কৃত গরুটি রিয়াজ সোমবার জবাই করলে স্থাণীয়রা গরুর মুল্যের বিষয়ে জানলে রিয়াজ ও স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহ হলে তারা দ্রুত বিক্রেতা ইমরানের কাছে গরুটি বৈধ কিনা জানতে চাইলে ইমরান সদোত্তর দিতে না পারায় স্থানীদের চাপে তিনি তার বাবা শহিদুল ইসলামকে চাচা পরিচয়ে ঘটনাস্থলে হাজির করে।
এতে স্থানীয়দের তোপের মুখে উভয়ই গরুটি বৈধ না অর্থাৎ নিজেদের চুরি করা পাশাপাশি নিজেদের পরিচয় (বাবা-ছেলে)সম্পর্ক প্রকাশ করেন । স্থানীয়রা দ্রুত বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় বিষয়টি জানালে এ এস আই কৃষাণ দেবনাথ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শহিদুল ইসলাম ও ইমরানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই কৃষাণ দেবনাথ জানান, আমি স্থানীয়দের মাধ্যমে গরু চোরের বিষয়ে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শহিদুল ও তার ছেলে ইমরানকে গরু চুরির অপরাধে আটক করতে সক্ষম হই। এছাড়া আমাদের জিজ্ঞাসাবাধে তারা চুরির বিষয়টি অকপটে শিকার করে। এছাড়াও তারা বাবা ছেলে হয়েও চাচা ভাতিজার পরিচয় দিয়ে আসছিল । যা আমরা জানতে পারি।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম জানান, আটককৃতরা গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িত। স্থানীয়দের তোপের মুখে তারা প্রথমে চুরির বিষয়টি শিকার করে পাশাপাশি স্থানীয়রা চোরদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। কোতয়ালী থানা পুলিশ অভিযুক্তদের আদালতের মাধ্যমে করাগারে প্রেরণ করা হয়েছে । এছাড়াও এ ঘটনায় নলছিটি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ইমরান দীর্ঘদিন ঘরে ঘরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িত। বরিশালের বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা গরু চুরি করে বিক্রি করে আসছিল বলে তারা শিকার করে।


























