সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে ছয় টুকরো করেন ফাতেমা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
মহাখালী থেকে উদ্ধার হওয়া ময়না মিয়ার ছয় টুকরো মরদেহটির রহস্য উদঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ময়না মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে প্রথম স্ত্রী তাকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহটি ছয় টুকরো করে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফাতেমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের সময় ফাতেমার কাছ থেকে বোরকা, নিহতের রক্তমাখা জামাকাপড়, ধারালো ছুরি, ধারালো দা, বিষাক্ত পেয়ালা ও শীল-পাটা উদ্ধার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।
তিনি বলেন, ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) সাকলায়েন ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) রেজাউল হক টিম নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ঘটনাটির রহস্য উন্মোচন করেন। এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামি নিহতের প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্ট বার ক্যান্টিনে গরুর মাংস নিয়ে বিতর্ক
সংবাদ সম্মেলনে হারুন-অর-রশীদ বলেন, রোববার (৩০ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় একটা নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। এরপর রাত ১১টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে খণ্ডিত দুটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল পুলিশ।
এ বিষয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ইউনিটের সঙ্গে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ ভিকটিমের পরিচিতি শনাক্ত করার জন্য চেষ্টা চালায়। আর ডিবির গুলশান বিভাগের একটি টিম নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নিশ্চিত হয়।
ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, নিহত ব্যক্তি বনানীর কড়াইল এলাকাতে তার প্রথম স্ত্রী ফাতেমার সঙ্গে কয়েকদিন ধরে বসবাস করছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ বনানী থানার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির কোম্পানির অফিস থেকে আসামি ফাতেমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: জবির নতুন ভিসি ড. ইমদাদুল হক
ঘটনার বিবরণ দিয়ে মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার ফাতেমা জানান, গত ২৩ মে থেকে তার স্বামী ময়না মিয়া কড়াইল এলাকায় তার বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বণ্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়ার সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। এক পর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরবর্তীতে টুকরো টুকরো করে মরদেহ ফেলে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে ছয় টুকরো করেন ফাতেমা।

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
মহাখালী থেকে উদ্ধার হওয়া ময়না মিয়ার ছয় টুকরো মরদেহটির রহস্য উদঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ময়না মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে প্রথম স্ত্রী তাকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহটি ছয় টুকরো করে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফাতেমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের সময় ফাতেমার কাছ থেকে বোরকা, নিহতের রক্তমাখা জামাকাপড়, ধারালো ছুরি, ধারালো দা, বিষাক্ত পেয়ালা ও শীল-পাটা উদ্ধার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।
তিনি বলেন, ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) সাকলায়েন ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) রেজাউল হক টিম নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ঘটনাটির রহস্য উন্মোচন করেন। এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামি নিহতের প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্ট বার ক্যান্টিনে গরুর মাংস নিয়ে বিতর্ক
সংবাদ সম্মেলনে হারুন-অর-রশীদ বলেন, রোববার (৩০ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় একটা নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। এরপর রাত ১১টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে খণ্ডিত দুটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল পুলিশ।
এ বিষয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ইউনিটের সঙ্গে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ ভিকটিমের পরিচিতি শনাক্ত করার জন্য চেষ্টা চালায়। আর ডিবির গুলশান বিভাগের একটি টিম নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নিশ্চিত হয়।
ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, নিহত ব্যক্তি বনানীর কড়াইল এলাকাতে তার প্রথম স্ত্রী ফাতেমার সঙ্গে কয়েকদিন ধরে বসবাস করছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ বনানী থানার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির কোম্পানির অফিস থেকে আসামি ফাতেমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: জবির নতুন ভিসি ড. ইমদাদুল হক
ঘটনার বিবরণ দিয়ে মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার ফাতেমা জানান, গত ২৩ মে থেকে তার স্বামী ময়না মিয়া কড়াইল এলাকায় তার বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বণ্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়ার সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। এক পর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরবর্তীতে টুকরো টুকরো করে মরদেহ ফেলে দেন।