সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

টিকা দিতে লাইনে দাঁড়াতে বলায় চিকিৎসককে মারধর, ৩ যুবলীগকর্মী গ্রেপ্তার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় শিশুকে টিকা দিতে এক নারীকে লাইনে দাঁড়াতে বলায় চিকিৎসককে মারধর ও নার্সকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিন যুবলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন আলামিন মিয়া (৪৫) এবং তার দুই সহযোগী আনোয়ার হোসেন (৪৭) ও রুবেল মিয়া (৩৮)। তাঁরা উপজেলা যুবলীগের কর্মী।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেলে নগরকান্দা পৌরসভার সাবেক মেয়র প্রয়াত রায়হান উদ্দিন মিয়ার মেয়ে তাঁর শিশুসন্তানকে নিয়ে টিকা দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে ভিড় থাকার কারণে নার্স রেখা খানম শিশুটির মাকে লাইনে দাঁড়াতে বলেন। এতে তিনি রাগান্বিত হয়ে তাঁর ভাই আলামিন মিয়াকে ফোন করেন। পরে ১০–১২ জন যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মী নিয়ে আলামিন মিয়া সেখানে আসেন। এ সময় সেখানে নার্স রেখা খানমকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে চিকিৎসা কর্মকর্তা জ্যোতিময় চৌধুরী এলে তাঁকে মারধর করা হয়। এ সময় অফিস সহকারী ইখলাছ হোসেন মুঠোফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁকেও পেটানো হয়। খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা–পুলিশ এসে তিনজন গ্রেপ্তার করলেও বাকিরা পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় চিকিৎসা কর্মকর্তা জ্যোতিময় চৌধুরী বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জ্যোতিময় চৌধুরী বলেন, ঘটনার আকস্মিকতায় তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমন হামলার ঘটনা ঘটতে পারে, তা তাঁর ভাবনার বাইরে।
এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. সোহেল রানা বলেন, হামলার ঘটনায় করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলা টিকাদানের কর্মসূচি চলাকালে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানান ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান। হামলার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টিকা দিতে লাইনে দাঁড়াতে বলায় চিকিৎসককে মারধর, ৩ যুবলীগকর্মী গ্রেপ্তার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:১৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় শিশুকে টিকা দিতে এক নারীকে লাইনে দাঁড়াতে বলায় চিকিৎসককে মারধর ও নার্সকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিন যুবলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন আলামিন মিয়া (৪৫) এবং তার দুই সহযোগী আনোয়ার হোসেন (৪৭) ও রুবেল মিয়া (৩৮)। তাঁরা উপজেলা যুবলীগের কর্মী।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেলে নগরকান্দা পৌরসভার সাবেক মেয়র প্রয়াত রায়হান উদ্দিন মিয়ার মেয়ে তাঁর শিশুসন্তানকে নিয়ে টিকা দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে ভিড় থাকার কারণে নার্স রেখা খানম শিশুটির মাকে লাইনে দাঁড়াতে বলেন। এতে তিনি রাগান্বিত হয়ে তাঁর ভাই আলামিন মিয়াকে ফোন করেন। পরে ১০–১২ জন যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মী নিয়ে আলামিন মিয়া সেখানে আসেন। এ সময় সেখানে নার্স রেখা খানমকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে চিকিৎসা কর্মকর্তা জ্যোতিময় চৌধুরী এলে তাঁকে মারধর করা হয়। এ সময় অফিস সহকারী ইখলাছ হোসেন মুঠোফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁকেও পেটানো হয়। খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা–পুলিশ এসে তিনজন গ্রেপ্তার করলেও বাকিরা পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় চিকিৎসা কর্মকর্তা জ্যোতিময় চৌধুরী বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জ্যোতিময় চৌধুরী বলেন, ঘটনার আকস্মিকতায় তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমন হামলার ঘটনা ঘটতে পারে, তা তাঁর ভাবনার বাইরে।
এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. সোহেল রানা বলেন, হামলার ঘটনায় করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলা টিকাদানের কর্মসূচি চলাকালে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানান ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান। হামলার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।