সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

শ্যালকের বউকে অপহরণ মামলায় দুলাভাইকে যাবজ্জীবন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনা প্রতিনিধি:: শ্যালকের বউকে অপহরণ মামলায় দুলাভাইকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অপর সাতজনকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার সকালে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণাকালে ৭ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। তবে মিরাজ নামে একজন পলাতক আছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে জাকির হাচান বাদী হয়ে ওই ট্রাইব্যুনাল ২০১২ সালের ১৭ মে আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

আসামিরা হলো, বড় টেংরা গ্রামের মতিয়ার রহমান সরদারের ছেলে বাদীর দুলাভাই শাহ আলম (৪৫), শাহ আলমের সহযোগী আউয়াল গাজীর ছেলে আজিজুল হক হানিফ গাজী (৪৭), এনছান জোমাদ্দারের ছেলে হারুন জোমাদ্দার (৪৬), আবুল কালামের ছেলে রাসেল (৩০), হাবিব সরদারের ছেলে মিরাজ (৩৭), তানজের আলীর ছেলে আবুল কালাম (৪০), হোসেন আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান (৪০) ও ইউসুফ আকনের ছেলে ওচমান (৩৮)।

মামলার বাদী জাকির হাচান বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে তার দুলাভাই শাহ আলম ও তার সহযোগীরা ওই বছরের ১০ মে বাদীর বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফাতেমা বেগমকে তার স্বামী কোথাও না পেয়ে ট্রাইব্যুনালে ওই ৮ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুস সত্তার ওই বছরের ৩০ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে এ রায় প্রদান করেন।

বাদী বলেন, দুলাভাই শাহ আলম আমার স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমার স্ত্রীকে দিয়ে আমাকে তালাক দিয়ে দুলাভাইবে বিয়ে করে।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতের বারান্দায় শাহ আলম বলেন- ফাতেমা স্বেচ্ছায় আমার সঙ্গে গিয়েছে। আমরা এখন স্বামী-স্ত্রী। আমাদের দুইটি সন্তান আছে। আমাদের অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। আমরা হাইকোর্টে আপিল করব।

বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এ পিপি আশরাফুল আলম বলেন, এটি যুগান্তকারী রায়। দুলাভাই হয়ে শ্যালকের বউকে অপহরণ করে জোর করে বিয়ে করেছে। এই রায়ে অন্যরা শিখবে। অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হয়।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শ্যালকের বউকে অপহরণ মামলায় দুলাভাইকে যাবজ্জীবন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৫০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

বরগুনা প্রতিনিধি:: শ্যালকের বউকে অপহরণ মামলায় দুলাভাইকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অপর সাতজনকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার সকালে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণাকালে ৭ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। তবে মিরাজ নামে একজন পলাতক আছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে জাকির হাচান বাদী হয়ে ওই ট্রাইব্যুনাল ২০১২ সালের ১৭ মে আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

আসামিরা হলো, বড় টেংরা গ্রামের মতিয়ার রহমান সরদারের ছেলে বাদীর দুলাভাই শাহ আলম (৪৫), শাহ আলমের সহযোগী আউয়াল গাজীর ছেলে আজিজুল হক হানিফ গাজী (৪৭), এনছান জোমাদ্দারের ছেলে হারুন জোমাদ্দার (৪৬), আবুল কালামের ছেলে রাসেল (৩০), হাবিব সরদারের ছেলে মিরাজ (৩৭), তানজের আলীর ছেলে আবুল কালাম (৪০), হোসেন আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান (৪০) ও ইউসুফ আকনের ছেলে ওচমান (৩৮)।

মামলার বাদী জাকির হাচান বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে তার দুলাভাই শাহ আলম ও তার সহযোগীরা ওই বছরের ১০ মে বাদীর বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফাতেমা বেগমকে তার স্বামী কোথাও না পেয়ে ট্রাইব্যুনালে ওই ৮ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুস সত্তার ওই বছরের ৩০ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে এ রায় প্রদান করেন।

বাদী বলেন, দুলাভাই শাহ আলম আমার স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমার স্ত্রীকে দিয়ে আমাকে তালাক দিয়ে দুলাভাইবে বিয়ে করে।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতের বারান্দায় শাহ আলম বলেন- ফাতেমা স্বেচ্ছায় আমার সঙ্গে গিয়েছে। আমরা এখন স্বামী-স্ত্রী। আমাদের দুইটি সন্তান আছে। আমাদের অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। আমরা হাইকোর্টে আপিল করব।

বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এ পিপি আশরাফুল আলম বলেন, এটি যুগান্তকারী রায়। দুলাভাই হয়ে শ্যালকের বউকে অপহরণ করে জোর করে বিয়ে করেছে। এই রায়ে অন্যরা শিখবে। অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হয়।’