পানি সম্পদ মন্ত্রীর টার্গেট! পূরণ করতে দিবে না বরিশালের ভূমিদস্যুরা?
- আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

আনোয়ার হোসেন :: বরিশাল সদর উপজেলা চন্দ্রমোহন মৌজার চর পাওয়ারের চরের প্রায় ১২ শত একর জমির মাটি অবৈধভাবে কেটে ঢাকায় নেওয়ার টার্গেট করেছে বরিশালের ভূমিদস্যুরা।
দখলদারিত্বের পাশাপাশি ভূমিদস্যুরা এখন চরের জমি বিক্রি করছেন। প্রতি একর জমি লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। এতে ভূমিদস্যুরা লাভবান হলেও জমির মালিকরা রয়েছেন অনিশ্চয়তায়। কিন্তু প্রশাসনের নেই কোনও ভুমিকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলা চন্দ্রমোহন মৌজার চর পাওয়ার চরের জমি মেহেন্দিগঞ্জে, লাহারহাট ও চন্দ্রমোহনসহ কিছু দস্যুরা প্রশাসনের সঙ্গ নিয়ে কোটি কোটি টাকার চরের জমি ভূমিদস্যুরা অবৈধভাবে বিক্রি করছে ঢাকা আশেপাশের ইটের ভাটা মালিকদের কাছে।
তবে প্রকাশে চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য রহমান নারায়ণগঞ্জের ইটভাটার মালিকে ওই মাটি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু রহমান একাই নয়, চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের ভেদুরিয়ার গ্রামের বর্তমান চেয়ারম্যানের ভাগীনি জামাই সুলতানও অবৈধ ভাবে মাটি কেটে নেওয়ার সাথে জরিত। এমনকি সুলতান বলেন, প্রশাসন ম্যানেচ করার দায়িত্ব আমার সবাইকে হাতে রেখে কাজ করতে হয়।মেহেন্দীগঞ্জের খালেক চৌকিদারের ছেলে ভূমিদস্যু শাহিন, বেল্লাল উদ্দিন, পিরোজপুরের জহির আহম্মেদ, জাঙ্গালিয়ার আঃ গনি হাওলাদারের ছেলে খালেক হাওলাদার ৩ বছর ধরে অবৈধ ব্যবসার সাথে জরিত। ভেদুরিয়ার কালম সিকদার, কাজিরহাটের ইউনুচ সিকদারের ছেলে বাবুল সিকদার লেবার সরদার, পিরোজপুর নেছারাবাদের আঃ হাকিমের ছেলে সুকানি মোঃ এনামুল হকসহ লাহার হাট চন্দ্রমোহনের লোক অবৈধভাবে মাটি নেওয়ার লোকের সাথে জরিত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই চরে ভূমিদস্যুর ৪ দল ওই অসংখ্য জাহাজ, শতশত লেবার, এক ভেকুট দিয়ে ১২ শত একর জমির দিনভর মাটি কাটছে। জাহাজ ভড়ার সাথে সাথে চর পাওয়ার ত্যাগ করে ঢাকার পথে পাড়ি দিচ্ছে।
তবে সহকারী কমিশন ভূমি নাম মাত্রা অভিযান দিয়ে নিরব।


























