সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয় অবশেষে কারাগারেই ঠাঁই হলো। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০ ১১৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: কারাগারে এসেছিলেন একজন কয়েদীকে দেখতে। নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে ভেতরে প্রবেশ করতেও চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষে ধরা পড়ে কারাগারেই ঠাঁই হলো তার।

ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেয়া মো. জুয়েল খান (৩৬) সদর উপজেলার সাতপাটি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

নেত্রকোনা জেলা কারাগার ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল মিয়া বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনা জেলা কারাগারের ফটকে এসে কারারক্ষীদের কাছে নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি তার পরিচিত এক কয়েদীকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করতে চান। এ সময় কারারক্ষী তাকে বাধা দেন।

পরে তিনি চড়াও হয়ে কারারক্ষীকে দেখে নেয়ার হুঁমকি দেন। এ সময় জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে বিসিএস ৩৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। বর্তমানে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত বলে জানিয়ে একটি ভিজিটিং কার্ডও ধরিয়ে দেন।

বিষয়টি সন্দেহ হলে জেলা সুপার তার কক্ষে জুয়েল খানকে বসিয়ে রেখে নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জুয়েল খান তখন ঢাকার ধামরাইয়ের অ্যাসিলেন্ড হিসেবে পরিচয় দেন।

এ সময় সেখানে খোঁজ নিলে বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং জুয়েল খানকে পুলিশ আটক করে নেত্রকোনা মডেল থানায় নিয়ে যায়।

পরে ডেপুটি জেলার সিরাজুল সালেদিন বাদী হয়ে সন্ধ্যায় জুয়েলের নামে প্রতারণার মামলা করেন। শুক্রবার সকালে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

নেত্রকোনা জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, জুয়েল খান নামের ওই যুবক নিজেকে কখনো অ্যাসিলেন্ড, কখনো ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার তিনি ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে কারাগারে প্রবেশ করতে চাচ্ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। আদালতের নির্দেশে কিছুক্ষণ আগে তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয় অবশেষে কারাগারেই ঠাঁই হলো। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :: কারাগারে এসেছিলেন একজন কয়েদীকে দেখতে। নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে ভেতরে প্রবেশ করতেও চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষে ধরা পড়ে কারাগারেই ঠাঁই হলো তার।

ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেয়া মো. জুয়েল খান (৩৬) সদর উপজেলার সাতপাটি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

নেত্রকোনা জেলা কারাগার ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল মিয়া বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনা জেলা কারাগারের ফটকে এসে কারারক্ষীদের কাছে নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি তার পরিচিত এক কয়েদীকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করতে চান। এ সময় কারারক্ষী তাকে বাধা দেন।

পরে তিনি চড়াও হয়ে কারারক্ষীকে দেখে নেয়ার হুঁমকি দেন। এ সময় জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে বিসিএস ৩৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। বর্তমানে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত বলে জানিয়ে একটি ভিজিটিং কার্ডও ধরিয়ে দেন।

বিষয়টি সন্দেহ হলে জেলা সুপার তার কক্ষে জুয়েল খানকে বসিয়ে রেখে নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জুয়েল খান তখন ঢাকার ধামরাইয়ের অ্যাসিলেন্ড হিসেবে পরিচয় দেন।

এ সময় সেখানে খোঁজ নিলে বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং জুয়েল খানকে পুলিশ আটক করে নেত্রকোনা মডেল থানায় নিয়ে যায়।

পরে ডেপুটি জেলার সিরাজুল সালেদিন বাদী হয়ে সন্ধ্যায় জুয়েলের নামে প্রতারণার মামলা করেন। শুক্রবার সকালে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

নেত্রকোনা জেলা কারাগারের সুপার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, জুয়েল খান নামের ওই যুবক নিজেকে কখনো অ্যাসিলেন্ড, কখনো ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার তিনি ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জোর করে কারাগারে প্রবেশ করতে চাচ্ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। আদালতের নির্দেশে কিছুক্ষণ আগে তাকে কারাগারে রাখা হয়েছে।