সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

ভোলা সরকারি বরাদ্দের ২ মেট্রিক টন চাল নিয়ে নয় ছয়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০ ১১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা প্রতিনিধি : জব্দ করা চালের বস্তা বিশেষ বরাদ্দের জেলা প্রশাসন কর্তৃক দেয়া ২মেট্রিক টন চাল নিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের নুর মদিনা হাফেজি মাদ্রাসা এতিমখানা ও জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের নামে আসা দুই মেট্রিক টন চাল বিক্রি করে দেয় মাদ্রাসা ও মন্দির কমিটি।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় উপজেলা প্রশাসন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এসময় রসুলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড হাজিরোড এলাকার বাসিন্দা সেলিমের বসতঘর থেকে ১২শ কেজি চাল (৪০ বস্তা) জব্দ করা হয়।

জানা যায়, জেলা প্রশাসন কর্তৃক ওই মন্দির ও মাদ্রাসা এতিমখানার জন্য ২মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিলে মাদ্রাসা ও মন্দির কর্তৃপক্ষ টন প্রতি ৩০হাজার করে মোট ৬০ হাজার টাকায় উপজেলা খাদ্য অফিসের নিরাপত্তা কর্মী সাজ্জাদের মাধ্যমে চালগুলো শশীভূষণের মুদি ও চাল ব্যবসায়ী বাবলুর কাছে বিক্রি করে দেয়।

এবিষয়ে শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের সম্পাদক গোপীনাথ ধোপী জানান, মন্দিরের সংস্কার উন্নয়নের জন্যই তাদের এক মেট্রিক টন চাল ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তবে শশিভূষণ নুর মদিনা হাফেজি মাদ্রাসা ও এতিমখানার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ মাওলানা মাইনুদ্দিন কতৃক চাল বিক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেলেও তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয় যায়নি।
এঘটনায় শশিভূষণ খাদ্য গুদামের রেজিস্ট্রার খাতা তদন্ত করলে ওই গুদাম থেকে চাল দেয়া নেয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এসময় স্থানিয়দের মাঝে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানিয়রা বলছেন, খাদ্য অধিদফতরের ‘বিলি আদেশ’ ডিও’তে ২১অক্টোবর মন্দির ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের চাল নেয়ার তথ্য থাকলেও গুদামের রেজিস্ট্রার খাতায় কেনো তা উল্লেখ করা থাকবে না।

এবিষয়ে দায়িত্বরত খাদ্য কর্মকর্তা (এলএসডি) কমোল গোপাল দে বলেন, জেলা প্রশাসনের বিশেষ বরাদ্দের চাল অন্যান্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সকলের কাছে না পৌঁছানোয় তা রেজিস্ট্রার খাতায় উল্লেখ করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, দুই মেট্রিক টন চালের মধ্যে ১২শ কেজি (৪০বস্তা) চাল জব্দ করা হয়েছে। বাকি ৮শ কেজি চাল উদ্ধার করা হবে। মন্দির কর্তৃপক্ষ উন্নয়ন সংস্কারের জন্য ওই চাল বিক্রি করেছে বলে আামাকে জানান।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মাওলানা মাইনুদ্দিনকে খুঁজে না পাওয়ায় পুরো বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয় হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভোলা সরকারি বরাদ্দের ২ মেট্রিক টন চাল নিয়ে নয় ছয়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:২১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

ভোলা প্রতিনিধি : জব্দ করা চালের বস্তা বিশেষ বরাদ্দের জেলা প্রশাসন কর্তৃক দেয়া ২মেট্রিক টন চাল নিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের নুর মদিনা হাফেজি মাদ্রাসা এতিমখানা ও জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের নামে আসা দুই মেট্রিক টন চাল বিক্রি করে দেয় মাদ্রাসা ও মন্দির কমিটি।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় উপজেলা প্রশাসন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এসময় রসুলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড হাজিরোড এলাকার বাসিন্দা সেলিমের বসতঘর থেকে ১২শ কেজি চাল (৪০ বস্তা) জব্দ করা হয়।

জানা যায়, জেলা প্রশাসন কর্তৃক ওই মন্দির ও মাদ্রাসা এতিমখানার জন্য ২মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিলে মাদ্রাসা ও মন্দির কর্তৃপক্ষ টন প্রতি ৩০হাজার করে মোট ৬০ হাজার টাকায় উপজেলা খাদ্য অফিসের নিরাপত্তা কর্মী সাজ্জাদের মাধ্যমে চালগুলো শশীভূষণের মুদি ও চাল ব্যবসায়ী বাবলুর কাছে বিক্রি করে দেয়।

এবিষয়ে শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের সম্পাদক গোপীনাথ ধোপী জানান, মন্দিরের সংস্কার উন্নয়নের জন্যই তাদের এক মেট্রিক টন চাল ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তবে শশিভূষণ নুর মদিনা হাফেজি মাদ্রাসা ও এতিমখানার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ মাওলানা মাইনুদ্দিন কতৃক চাল বিক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেলেও তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয় যায়নি।
এঘটনায় শশিভূষণ খাদ্য গুদামের রেজিস্ট্রার খাতা তদন্ত করলে ওই গুদাম থেকে চাল দেয়া নেয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এসময় স্থানিয়দের মাঝে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানিয়রা বলছেন, খাদ্য অধিদফতরের ‘বিলি আদেশ’ ডিও’তে ২১অক্টোবর মন্দির ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের চাল নেয়ার তথ্য থাকলেও গুদামের রেজিস্ট্রার খাতায় কেনো তা উল্লেখ করা থাকবে না।

এবিষয়ে দায়িত্বরত খাদ্য কর্মকর্তা (এলএসডি) কমোল গোপাল দে বলেন, জেলা প্রশাসনের বিশেষ বরাদ্দের চাল অন্যান্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সকলের কাছে না পৌঁছানোয় তা রেজিস্ট্রার খাতায় উল্লেখ করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, দুই মেট্রিক টন চালের মধ্যে ১২শ কেজি (৪০বস্তা) চাল জব্দ করা হয়েছে। বাকি ৮শ কেজি চাল উদ্ধার করা হবে। মন্দির কর্তৃপক্ষ উন্নয়ন সংস্কারের জন্য ওই চাল বিক্রি করেছে বলে আামাকে জানান।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মাওলানা মাইনুদ্দিনকে খুঁজে না পাওয়ায় পুরো বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয় হবে।’