বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে বান্ধবী, ভেতরে তরুণীকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগ নেতা। আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ১০:০২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

ডেক্স প্রতিবেদক:: চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানাধীন সুপারিওয়ালাপাড়ায় বান্ধবীর সহযোগীতায় তরুণী ধর্ষণ করেছেন চান্দু মিয়া নামের এক ছাত্রলীগ নেতা। আজ মঙ্গলবার ভোরে নগরীর পতেঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ তথ্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ডিসি/পশ্চিম) এএএম হুমায়ুন কবির নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন- সুপারিওয়ালাপাড়ায় তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক চান্দু মিয়াসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলো- ধর্ষিতার বান্ধবী নুরী আক্তার (২০) ও তার স্বামী মো. অন্তর (২২) এবং চান্দু মিয়ার বন্ধু রাজিব হোসেন (২০)। তারা ধর্ষক চান্দু মিয়ার সহযোগী। চান্দু মিয়া ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা বলে জানা গেছে।
ডবলমুরিং থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, চান্দু মিয়া ক্ষমতাসীন রাজনীতির দলের সঙ্গে যুক্ত এবং এলাকায় বিভিন্নভাবে সে ক্ষমতাশালী। তার চার তলা বাড়িতে ভাড়া থাকেন নুরী আক্তার ও তার স্বামী। নুরী আক্তার বিভিন্ন সময় চান্দুকে তরুণী জোগান দিয়ে আসছিল। সে নিজেও অসামাজিক কাজে লিপ্ত। এরই ধারাবাহিকতায় ওই তরুণীকে চান্দু মিয়ার হাতে তুলে দেন নুরী।
আনুমানিক ২০ বছর বয়সের ওই তরুণী সপ্তাহ খানেক আগে ফেনী থেকে নগরীর আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকায় ফুফুর বাসায় বেড়াতে আসেন। তার ফুফাতো বোনের বান্ধবী নুরী আক্তার। সেই সুবাদে নুরীর সঙ্গেও ওই তরুণীর বন্ধুত্বপূর্ণ স¤পর্ক হয়। রোববার সন্ধ্যায় নুরী আক্তার ওই তরুণীকে তার বাসায় বেড়াতে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টার দিকে নুরী কৌশলে ওই তরুণীকে চান্দুর বাসায় পৌঁছে দেয়। এরপর বাসার ভেতরে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসময় বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে নুরী আক্তার পাহারায় দিলে চান্দু মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর নুরী ওই তরুণীকে তার ফুফুর বাসায় পৌঁছে দেয়। কিন্তু বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে তরুণীকে বাসার লোকজন জিজ্ঞাসা করলে তিনি সবকিছু খুলে বলেন।
তখন তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নেয়া হয়। সেখান থেকে ডবলমুরিং থানায় খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে নুরী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর নুরীর কাছে মোবাইল নিতে এসে গ্রেপ্তার হন স্বামী অন্তর। চার দিন আগে তাদের বিয়ে হয়।
তবে অন্তর ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানে না বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে। নুরী আক্তার বন্দর থানার তিন নম্বর ফকিরহাট কাশিম মাঝির বাড়ির মৃত মো. বশিরের মেয়ে। এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে, সাংবাদিকদের জানান এসআই নুরুল ইসলাম।’


























