সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বিধবা ভাতার কার্ড চেয়ে চেয়ারম্যানের মারধরের শিকার বৃদ্ধা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিধবা ভাতার কার্ড চাওয়ায় ওই বৃদ্ধাকে মারধর করে চেয়ারম্যান দম্পতি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মারধরের শিকার বৃদ্ধা হনুফা বেওয়া। তিনি ওই ইউপির রাঙ্গামাটি গ্রামের আক্কাস আলী শেখের স্ত্রী।

ভুক্তভোগী হনুফা বেওয়া জানান, দুই বছর আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবন চালাচ্ছিলেন তিনি। সাত মাস আগে বিধবা ভাতা কার্ডের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। বিনিময়ে পাঁচ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান। কিন্তু টাকা নিয়েও কার্ড করে দেননি। মঙ্গলবার কার্ডের জন্য বাড়িতে গেলে হনুফা বেওয়াকে মারধর করেন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, আমি চেয়ারম্যানকে বলেছি- কার্ড না দিলে, আমার টাকা ফেরত দেন। আমার মতো গরিব মানুষের কাছে পাঁচ হাজার টাকা অনেক। এ কথা শুনেই আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বেড় করে দেয় আলম চেয়ারম্যান ও তার বউ। এখন ন্যায় বিচার চাইতে থানায় আসছি।

জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামান বলেন, বৃদ্ধা নারীকে মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম বলেন, আমি বা আমার স্ত্রী এমন কোনো ঘটনা ঘটাইনি। ওই বৃদ্ধা আমার বাড়িতে গিয়ে বিধবা ভাতা কার্ডের কথা বললে আমি বলি ভাতা কার্ডের তালিকা পরিষদে আছে। তালিকা দেখে বলতে পারবো আপনার নাম আছে কি না। এরপর আমার স্ত্রী তাকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিধবা ভাতার কার্ড চেয়ে চেয়ারম্যানের মারধরের শিকার বৃদ্ধা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিধবা ভাতার কার্ড চাওয়ায় ওই বৃদ্ধাকে মারধর করে চেয়ারম্যান দম্পতি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মারধরের শিকার বৃদ্ধা হনুফা বেওয়া। তিনি ওই ইউপির রাঙ্গামাটি গ্রামের আক্কাস আলী শেখের স্ত্রী।

ভুক্তভোগী হনুফা বেওয়া জানান, দুই বছর আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবন চালাচ্ছিলেন তিনি। সাত মাস আগে বিধবা ভাতা কার্ডের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। বিনিময়ে পাঁচ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান। কিন্তু টাকা নিয়েও কার্ড করে দেননি। মঙ্গলবার কার্ডের জন্য বাড়িতে গেলে হনুফা বেওয়াকে মারধর করেন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম ও তার স্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, আমি চেয়ারম্যানকে বলেছি- কার্ড না দিলে, আমার টাকা ফেরত দেন। আমার মতো গরিব মানুষের কাছে পাঁচ হাজার টাকা অনেক। এ কথা শুনেই আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বেড় করে দেয় আলম চেয়ারম্যান ও তার বউ। এখন ন্যায় বিচার চাইতে থানায় আসছি।

জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামান বলেন, বৃদ্ধা নারীকে মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম বলেন, আমি বা আমার স্ত্রী এমন কোনো ঘটনা ঘটাইনি। ওই বৃদ্ধা আমার বাড়িতে গিয়ে বিধবা ভাতা কার্ডের কথা বললে আমি বলি ভাতা কার্ডের তালিকা পরিষদে আছে। তালিকা দেখে বলতে পারবো আপনার নাম আছে কি না। এরপর আমার স্ত্রী তাকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।