সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

করোনা রোগে মৃতদের দাফনের জন্য এএসআই জাহিদের দানকৃত সেই জায়গায় মাটি ভরাট সম্পন্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি/ : প্রাণঘাতি নভেল করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হলে দাফনের জন্য বানারীপাড়া থানায় কর্মরত এএসআই জাহিদুল ইসলামের দানকৃত সেই ১৭ শতক জমিকে কবরস্থানের উপযোগী করে তুলতে সম্প্রতি মাটি ভরাটের কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছেন তিনি। তার নিজ বাড়ি পটুয়াখালি জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালি ইউনিয়নের দেউলি গ্রামের মরহুম ইসমাইল সিকদার কল্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এএসআই মো. জাহিদুল ইসলাম ও তার পরিবারের অন্য সদস্য’রা কবরস্থানের জন্য এ জমি দান করেছেন চলমান নভেল কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই মরণঘাতি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পটুয়াখালির জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মধ্যে যদি কোন মানুষ মারা যায় তাদের দাফনের জন্য জমি না থাকলে তাদের এই কবরস্থানে দাফন দেওয়া যাবে। এছাড়াও নদী ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের লাশ এবং বেওয়ারিশ লাশও এই কবরস্থানে দাফন দেওয়া যাবে বলে এ এসআই জাহিদ জানিয়েছেন। জানাগেছে এই ফাউন্ডেশন নিজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সামাজিক ও মানবিক কাজ করে ইতোপূর্বে অনেক সুনাম কুড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, এএসআই জাহিদুল ইসলাম এর আগে বানারীপাড়ায় করোনাভাইরাসের বিস্তৃতি রোধে লকডাউন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্রদের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্য সামগ্রী এবং শিশুসহ কর্মহীনদের অলস সময় পাড় করতে ধর্মীয় গ্রন্থ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ করেন। অপরদিকে গ্রাামের চলাচল অনুপযোগী রাস্তার ঝোপঝাড় পরিস্কার করে চলাচল উপযোগী করে দেন, কখনও সড়ক দূর্ঘটনায় পা হারানো যুবককে হাঁসের খামার করে দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া আবার কখনও শতবর্ষী অসহায় বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ ও নিজের রেশনের চাল-ডাল-তেল ও চিনি দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এসব কারণে এএসআই জাহিদ এলাকায় একজন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেকে ব্যাপক পরিচিতি অর্জণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানায় কর্মরত এএসআই জাহিদুল ইসলাম বলেন ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এ ব্রতি নিয়ে কাজ করছি। আমার মৃত্যুর পরে সঙ্গে মানুষের দোয়া আর দাফনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নিয়ে যেতে পারবো না। তাই আমৃত্যু অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে সেই দোয়াটুকুই সঙ্গে নিয়ে যেতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনা রোগে মৃতদের দাফনের জন্য এএসআই জাহিদের দানকৃত সেই জায়গায় মাটি ভরাট সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০৬:১৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি/ : প্রাণঘাতি নভেল করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হলে দাফনের জন্য বানারীপাড়া থানায় কর্মরত এএসআই জাহিদুল ইসলামের দানকৃত সেই ১৭ শতক জমিকে কবরস্থানের উপযোগী করে তুলতে সম্প্রতি মাটি ভরাটের কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছেন তিনি। তার নিজ বাড়ি পটুয়াখালি জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালি ইউনিয়নের দেউলি গ্রামের মরহুম ইসমাইল সিকদার কল্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এএসআই মো. জাহিদুল ইসলাম ও তার পরিবারের অন্য সদস্য’রা কবরস্থানের জন্য এ জমি দান করেছেন চলমান নভেল কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই মরণঘাতি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পটুয়াখালির জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মধ্যে যদি কোন মানুষ মারা যায় তাদের দাফনের জন্য জমি না থাকলে তাদের এই কবরস্থানে দাফন দেওয়া যাবে। এছাড়াও নদী ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের লাশ এবং বেওয়ারিশ লাশও এই কবরস্থানে দাফন দেওয়া যাবে বলে এ এসআই জাহিদ জানিয়েছেন। জানাগেছে এই ফাউন্ডেশন নিজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সামাজিক ও মানবিক কাজ করে ইতোপূর্বে অনেক সুনাম কুড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, এএসআই জাহিদুল ইসলাম এর আগে বানারীপাড়ায় করোনাভাইরাসের বিস্তৃতি রোধে লকডাউন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্রদের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্য সামগ্রী এবং শিশুসহ কর্মহীনদের অলস সময় পাড় করতে ধর্মীয় গ্রন্থ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ করেন। অপরদিকে গ্রাামের চলাচল অনুপযোগী রাস্তার ঝোপঝাড় পরিস্কার করে চলাচল উপযোগী করে দেন, কখনও সড়ক দূর্ঘটনায় পা হারানো যুবককে হাঁসের খামার করে দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া আবার কখনও শতবর্ষী অসহায় বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ ও নিজের রেশনের চাল-ডাল-তেল ও চিনি দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এসব কারণে এএসআই জাহিদ এলাকায় একজন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেকে ব্যাপক পরিচিতি অর্জণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানায় কর্মরত এএসআই জাহিদুল ইসলাম বলেন ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এ ব্রতি নিয়ে কাজ করছি। আমার মৃত্যুর পরে সঙ্গে মানুষের দোয়া আর দাফনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নিয়ে যেতে পারবো না। তাই আমৃত্যু অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে সেই দোয়াটুকুই সঙ্গে নিয়ে যেতে চাই।