সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

যোগাযোগ স্বাভাবিক অবস্থা করার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সারা দেশে বন্ধ থাকা যোগাযোগব্যবস্থা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ধীরে ধীরে আমরা সব কিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা করব। আপনারা যদি নিজেদের সুরক্ষিত রেখে এই সংক্রমণের হার কমাতে পারেন, মৃত্যুর হার কমাতে পারেন, তা হলে ধীরে ধীরে যোগাযোগ-যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহন আরও বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করব।

সোমবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগের জেলাসমূহের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পণ্য পরিবহনের ব্যাপারে বাধা নেই। আরও কীভাবে সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। পণ্য পরিবহনের জন্য তো ট্রাক-ভ্যান লাগে। এসব কীভাবে বাড়ানো যায় সেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এখন ধান কাটার মৌসুম। কিছু কিছু ফসল উঠছে। জীবনযাপন ধীরে ধীরে উন্মুক্ত করতে হবে। সবাই নিজেকে সুরক্ষিত রেখেই কাজ করবেন। আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে সুযোগ সৃষ্টি করে দেব। পণ্য পরিবহন যেন স্বাভাবিক হয়। পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক হলে জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে, মানুষের জীবনযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

পরিস্থিতি দ্রুতই স্বাভাবিক হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আশা করি এ অবস্থা থাকবে না। এই দুঃসময় আমরা কাটিয়ে উঠব এবং আমাদের আবার শিল্পকারখানা সবই চালু হবে। আমাদের দেশের অর্থনীতি আবার সচল হবে। সেটির জন্য বিশেষভাবে কাজ করে যাব। দুর্যোগ আসে, মোকাবেলা করতে হয় এবং এই দুর্যোগটা তো বিশ্বব্যাপী। বিশ্বব্যাপী এই দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশের সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

মসজিদে সীমিত আকারে নামাজ আদায় করার সিদ্ধান্তে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘরে বসে সবাই নামাজ পড়তে পারেন। ঘরে বসে বেশি বেশি দোয়া করেন। এখন রমজান মাস, সবাই আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া করেন, করোনার হাত থেকে যেন বাংলাদেশ মুক্তি পায়, বিশ্বব্যাপী মানুষ যেন মুক্তি পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যোগাযোগ স্বাভাবিক অবস্থা করার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১২:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সারা দেশে বন্ধ থাকা যোগাযোগব্যবস্থা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ধীরে ধীরে আমরা সব কিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা করব। আপনারা যদি নিজেদের সুরক্ষিত রেখে এই সংক্রমণের হার কমাতে পারেন, মৃত্যুর হার কমাতে পারেন, তা হলে ধীরে ধীরে যোগাযোগ-যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহন আরও বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করব।

সোমবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগের জেলাসমূহের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পণ্য পরিবহনের ব্যাপারে বাধা নেই। আরও কীভাবে সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। পণ্য পরিবহনের জন্য তো ট্রাক-ভ্যান লাগে। এসব কীভাবে বাড়ানো যায় সেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এখন ধান কাটার মৌসুম। কিছু কিছু ফসল উঠছে। জীবনযাপন ধীরে ধীরে উন্মুক্ত করতে হবে। সবাই নিজেকে সুরক্ষিত রেখেই কাজ করবেন। আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে সুযোগ সৃষ্টি করে দেব। পণ্য পরিবহন যেন স্বাভাবিক হয়। পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক হলে জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে, মানুষের জীবনযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

পরিস্থিতি দ্রুতই স্বাভাবিক হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আশা করি এ অবস্থা থাকবে না। এই দুঃসময় আমরা কাটিয়ে উঠব এবং আমাদের আবার শিল্পকারখানা সবই চালু হবে। আমাদের দেশের অর্থনীতি আবার সচল হবে। সেটির জন্য বিশেষভাবে কাজ করে যাব। দুর্যোগ আসে, মোকাবেলা করতে হয় এবং এই দুর্যোগটা তো বিশ্বব্যাপী। বিশ্বব্যাপী এই দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশের সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

মসজিদে সীমিত আকারে নামাজ আদায় করার সিদ্ধান্তে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘরে বসে সবাই নামাজ পড়তে পারেন। ঘরে বসে বেশি বেশি দোয়া করেন। এখন রমজান মাস, সবাই আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া করেন, করোনার হাত থেকে যেন বাংলাদেশ মুক্তি পায়, বিশ্বব্যাপী মানুষ যেন মুক্তি পায়।