কুষ্টিয়া তিনজন করোনা রোগী এলাকা থমথমে।
- আপডেট সময় : ০৪:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০ ১৬১ বার পড়া হয়েছে

আজকের ক্রাইম ডেক্স::-
কুষ্টিয়া সদরে একজন কুমারখালীতে একজন ও খোকসাতে একজনের দেহে করোনা সানাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার মীর মোশাররফ হোসেন সড়কের সাবেক পেশকার তোসলিম এর বড় ছেলে মাদারিপুর সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এস এম মাহাবুব (চপল) বয়স (৩২)বছর।
গত ২০ দিন আগে সে মাদারীপুর জেলা থেকে কুষ্টিয়ার বাড়ীতে আসেন। আর একজন কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের গট্রিয়া গ্রামের বাসিন্দা আক্কাচ আলী (৬৯) তাদের দুজনের স্যাম্পল গত ২০ এপ্রিল সংগ্রহ করে যশোরে পাঠানো হয়। আজ (বুধবার) সকালে তাদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানিয়েছে।
অপরজন কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলায় ঢাকা ফেরত এক পুলিশ সদস্য করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছে। ওসমানপুর ইউনিয়নের রতন কাজীর ছেলে কাজী আতাউল (৩৫) নামের পুলিশ সদস্য। বুধবার (২২এপ্রিল২০) দুপুর দেড় টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান।
জেলা প্রশাসন শহরের মীর মোশারফ হোসেন সড়ক ও তার আশপাশের কয়েকটি বাড়ী লকডাউন করেছে। কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নজমুল মুনীর জানান, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার বাসিন্দা ব্যাংকার এস এম মাহবুব হোসেন ও কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের গট্রিয়া গ্রামের আক্কাচ আলী (৬৯)র দেহ থেকে ২০ এপ্রিল স্যাম্পল সংগ্রহ করে যশোরে পাঠানো হয়। সেখান থেকে আজ সকালে পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। এ ছাড়া জেলায় নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও ভারত থেকে আসা ২ হাজার ৪৪ জন হোম কোয়ারেন্টিনে আছে।
এবং ৩ জন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে আছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী জানান, যেহেতু আড়ুয়াপাড়া সড়কের বাসিন্দা করোনা সণাক্ত সে কারণে কুষ্টিয়া পৌর এলাকার আড়ুয়াপাড়ার মীর মোশাররফ হোসেন সড়কটি লকডাউন করা হয়েছে। এবং কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের গট্রিয়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকা লকডাউন করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিবুল হক।
এদিকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন বলছেন, তার নিজের বাড়িতে রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হবে। উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি এবং আশপাশের এলাকা লকডাউন করে দিয়েছে। এই প্রথম কুষ্টিয়ায় তিনজন করোনায় সণাক্ত হলো।






















