কক্সবাজার মহেশখালীতে পান চাষীদের কান্না দিন কাটে হতাশায়।
- আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা সাগরকন্যা মহেশখলীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে মিষ্টি পান চাষ করে, পানের সুনাম সারা বিশ্বে রয়েছে,কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে নিরব কান্না, দিন কাটাতে হয়ছে হতাশায়। উপার্জনের মাধ্যম হচ্ছে পান চাষ ও লবণ, কিন্তু বর্তমান এক স্থান থেকে অন্য স্থানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পানের উপযুক্ত দাম পাচ্ছে না সাধারণ পান চাষীরা। এভাবে চলতে থাকলেই চাষীদের অনাহারে দিন কাটাতে হবে, জানান বড়ো মহেশখালীর মোঃ আনচার।
লবণ ও পান চাষীরা জানান,করোনা পরিস্থিতির আগে যে পান প্রতি বিরা ৩৫০ টাকা বিক্রি করতাম সে পান এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।
সুযোগ নিচ্ছে অসাধু পান ব্যবসায়ীরা। তারা এক এলাকার পান আরেক এলাকায় যেতে পারছেনা বলে মনগড়া দাম দিয়ে পান কিনে নিচ্ছে অসাধু পান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।
এক দিকে করোনার প্রভাবে সস্তা আরেক দিকে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের জিম্মি করে সস্তায় পান ক্রয়ের অভিযোগ। সাবেক মেম্বার মোঃ হাসান শরীফ জানান বিক্রেতা পান বিক্রি করে ফেলাম ৪৫০০ টাকা কিন্তুু মজুরী দিতে হবে ৩৬০০ টাকা, অবশিষ্ট টাকা গুলো দিয়ে কি সংসার চালানো সম্ভব নয়, এক কথায় আমরা করোনায় মারার আগেই অনাহারে মরে যাব।
এম ইউপি মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রনালয়, উপজেলা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন, পান ও চাষীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা অথবা সুদ বিহীন ঋণের ব্যবস্থা করলে মহেশখালীর মিষ্টি পানের ঐতিহ্য কে ধরে রাখা সম্ভব হবে। না হয় এই মহেশখালীতে খুব তাড়াতাড়ি দূর্ভিক্ষ নেমে আসবে।






















