সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সমস্ত বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০ ৬৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো: আমিনুল ইসলাম ::-

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারা দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন। এ অবস্থায় জন সাধারণকে ঘরের ভিতরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন । তাছাড়া এক এলাকা হতে অন্য এলাকায় যানবাহন চলাচলের প্রতি কড়া আরোপ করা হয়েছে। সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পযর্ন্ত জনগণকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ আদেশ অমান্যকারীদের প্রতি প্রশাসন কঠোর ব‍্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এসব কথা বলেছেন।

আদেশে বলা হয়, সারা বিশ্বব‍্যাপী করোনা ভাইরাস ব‍্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। করোনা ভাইরাসে এ যাবৎ লক্ষ লক্ষ মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন লক্ষাধিক। হাঁচি, কাশি অথবা পরস্পরের মেলা মেশায় এ রোগের ব‍্যাপক বিস্তার ঘটে। এখনও পযর্ন্ত এ রোগের কোন প্রতিষেধক ঔষধ আবিষ্কার সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনানুযায়ী পরস্পরকে নিদিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলা । জনগণকে একে অপরের সাথে মেলামেশা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই ভাইরাসে মানুষ প্রতিনিয়ত সংক্রমিত হচ্ছেন এবং মৃত্যুবরণ করছেন। এই রোগ প্রতিরোধে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্থা সংক্রামক রোগ, প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মল আইন ২০১৮ সালের ৬১ নম্বর আইনের ১১(১) ধারা অনুযায়ী সমগ্র বাংলাদেশকে সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে পুরো দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা করে তিনটি নির্দেশনা কঠোরভাবে পালনের আহবান জানিয়েছেন।
নির্দেশাবলী সমূহ :-
১) করোনা ভাইরাসরোধে জনগণকে অবশ্যই ঘরের ভিতরে আবদ্ধ থাকতে হবে। অতীব জরুরী কাজ ছাড়া বাইরে বের হওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
২ ) এক এলাকা হতে অন্য এলাকায় চলাচলে বিধি নিষেধ করা হলো
৩ ) সকাল ৬ টা হতে সন্ধ্যা ৬ টা পযর্ন্ত বিশেষ প্রয়োজন ব‍্যতীত কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারবেন না।

উপরোক্ত আইন অমান্যকারীদের প্রতি সংক্রামক আইনানুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন কঠোর ব‍্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আরও বলা হয়, স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রশাসন এবং কর্তৃপক্ষের সহায়তা সাপেক্ষে আইনের অন্য ধারা সমূহ বাস্তবায়নের ক্ষমতা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সমস্ত বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

আপডেট সময় : ০৫:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

মো: আমিনুল ইসলাম ::-

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারা দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন। এ অবস্থায় জন সাধারণকে ঘরের ভিতরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন । তাছাড়া এক এলাকা হতে অন্য এলাকায় যানবাহন চলাচলের প্রতি কড়া আরোপ করা হয়েছে। সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পযর্ন্ত জনগণকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ আদেশ অমান্যকারীদের প্রতি প্রশাসন কঠোর ব‍্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এসব কথা বলেছেন।

আদেশে বলা হয়, সারা বিশ্বব‍্যাপী করোনা ভাইরাস ব‍্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। করোনা ভাইরাসে এ যাবৎ লক্ষ লক্ষ মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন লক্ষাধিক। হাঁচি, কাশি অথবা পরস্পরের মেলা মেশায় এ রোগের ব‍্যাপক বিস্তার ঘটে। এখনও পযর্ন্ত এ রোগের কোন প্রতিষেধক ঔষধ আবিষ্কার সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনানুযায়ী পরস্পরকে নিদিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলা । জনগণকে একে অপরের সাথে মেলামেশা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই ভাইরাসে মানুষ প্রতিনিয়ত সংক্রমিত হচ্ছেন এবং মৃত্যুবরণ করছেন। এই রোগ প্রতিরোধে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্থা সংক্রামক রোগ, প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মল আইন ২০১৮ সালের ৬১ নম্বর আইনের ১১(১) ধারা অনুযায়ী সমগ্র বাংলাদেশকে সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে পুরো দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা করে তিনটি নির্দেশনা কঠোরভাবে পালনের আহবান জানিয়েছেন।
নির্দেশাবলী সমূহ :-
১) করোনা ভাইরাসরোধে জনগণকে অবশ্যই ঘরের ভিতরে আবদ্ধ থাকতে হবে। অতীব জরুরী কাজ ছাড়া বাইরে বের হওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
২ ) এক এলাকা হতে অন্য এলাকায় চলাচলে বিধি নিষেধ করা হলো
৩ ) সকাল ৬ টা হতে সন্ধ্যা ৬ টা পযর্ন্ত বিশেষ প্রয়োজন ব‍্যতীত কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারবেন না।

উপরোক্ত আইন অমান্যকারীদের প্রতি সংক্রামক আইনানুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন কঠোর ব‍্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আরও বলা হয়, স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রশাসন এবং কর্তৃপক্ষের সহায়তা সাপেক্ষে আইনের অন্য ধারা সমূহ বাস্তবায়নের ক্ষমতা রাখবে।