তেতুলিয়ায় ঘরবন্দীদের চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ। আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ০২:০৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

তেতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:
মহামারি করোনা ভাইরাস রোধে ঘরবন্দী মানুষের জন্য সরকারের বিশেষ বরাদ্দকৃত প্রণোদনার চাল ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তেতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে।
জানাযায়, গত ৮ এপ্রিল বুধবার উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নে ঘরবন্দী গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। উক্ত চাল গভীর রাতে ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশ উপকারভোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌছে দেন। পরদিন সকালে উপকারভোগীরা চালেরর ব্যাগ ওজন করে দেখেন ১০ কেজির পরিবর্তে ৮ কেজি করে দেওয়া হয়েছে। আবার কোন ব্যাগে সাড়ে ৭ কেজিও রয়েছে বলে জানাযায়। এটা নিয়ে উপকারভোগীদের মাঝে অসন্তোসের সৃষ্টি হয়।ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের যোগিগছ গ্রামের বাসিন্দা হাতেম আলীর স্ত্রী নুর বানু অভিযোগ করে বলেন আমি ৭ কেজি ৮শ গ্রাম চাল পেয়েছি, সরকার আমার জন্য ১০ কেজি চাল বরাদ্দ দিয়েছে। একই গ্রামের বটু মোহাম্মদ, রবিউল, ফলিয়র ও জলিলের অভিযোগ আমরা ৮ কেজি করে চাল পেয়েছি।
এবিষয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, গোডাউন থেকে যে চালের বস্তা আনা হয় সেই বস্তায় অনেক সময় চাল কম থাকে, তাই সবকিছু মিলিয়েই চাল বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণের সময় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
তিরনইহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক দানিয়েল হোসেন বলেন, কিছু বস্তায় চাল কম আসে তাতে প্রতিজন ১ বা ২শ গ্রাম কম হতে পারে কিন্তু দুই আড়াই কেজি চাল কম হওয়ার কথা নয়। তবে ৫নং ওয়ার্ড ও ৬ নং ওয়ার্ডে ওজন ও বিতরণের সময় আমরা ছিলাম না। অন্যান্য ওয়ার্ড গুলোর আমরা ছিলাম। ওই দুই ওয়ার্ডে কি হয়েছে আমরা বলতে পারবো না।
এবিষয়ে তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভার) মাসুদুল হক বলেন, এমনটি তো হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।


























