সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

ডিমলা প্রানিসম্পদ অফিস নেই সেবা, হাঁস-মুরগির সরকারি ভ্যাকসিন ফার্মসীত বিক্রি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০ ৫০৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডিমলা (নীলফামালী) প্রতিনিধি ঃ সারাদশ যখন করানা ভাইরাস আতঙ্ক ঠিক সেই সময় সরকারি বে-সরকারী অফিস বন্ধ থাকায় ডিমলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদর বিভিন ফার্মসীতে সরকারি ভ্যাকসিন সহ নানা ওষুধ বিক্রির হিড়িক। ডিমলা উপজলার সদর ইউনিয়নর ভুক্তভাগি মাহিন ইসলাম গত ০৬ এপ্রিল তিনি হাঁসের ভ্যাকসিনর জন্য প্রানী সম্পদ অফিস গিয়ে অফিস বন্ধ থাকায় ভ্যাকসিন না পেয়ে ফির এসছেন। অথচ সরকারী সরবরাহর ওই ভ্যাকসিন বাঁধন মডিসিন প্লাস নামর এক ফার্মসী মালিক নিকট হইত উচমূল্য পাওয়া যাব মর্ম জানতে পারার। পর তিনি ঐ দোকান গিয় হাঁসর ১ টি ভ্যাকসিন ১২০ টাকা দিয়ে দাকানর ক্যাশ ম্যামার মাধ্যম ক্রয় করন।

এমন দাবির সত্যতা যাচাই করত গিয় দখা যায় ভিন চিত্র। দোকানদার মালিক মাঃ জাহিনুর প্রামানিক কাছে ঘটনার বিষয়র জানত চাইল তিনি বলেন ডিমলা প্রাণিসম্পদর (ভিএফএ) মাঃ মাজাফফর হাসন আমার কাছ ৩০ টি ভ্যাকসিন ৬০ টাকা কর বিক্রি করিয়াছ এবং বলেন কোন সাংবাদিক, ইউএনও , প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কোন কিছু বললে আমি দেখবো। তখন ঐ কর্মকর্তার কাছ জানত চাহিলে তিনি বলেন য সকল গ্রাহকদর এই ভ্যাকসিন দয়া হয় তাদর নাম ঠিকানা ও মাবাইল নম্বর লিখ রাখার বিধান রয়ছ। আমি তাহাদর নাম লিখ রখছি। গ্রাহকদর নামর তালিকা দখত চাইলে বেরিয় আসে আসল সত্য।

তিনি জানান আমি দাকান ৩০টি ভ্যাকসিন বিক্রি করিয়াছি। তব এর কিছু টাকা আমার উর্ধতন কর্মকতাকও ভাগ দিত হয়। এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধ এলাকার বহু লাক অভিযাগ করেন তিনি প্রায় ৩০/৩৫ বছর তার নিজ এলাকায় চাকুরী করার সুবাদ গায়ের জোরে এলাকার লাকজনর নাম রজিষ্টার খাতায় লিখিয়া সই ওষুধ বাজারর বিভিন দাকান সরকারি ওষুধ বিক্রি করিয়া লাভবান হয়।

ডিমলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সাধারণ মানুষর সরকারী সেবা পাওয়া নিয়ে বহুদিন ধরে সংশয় দেখা দিয়ছে। ভুক্তভাগী মানুষ তাদের গৃহ পালিত হাঁস, মুরগী ও গবাদি পশুর চিকিৎসা নিয় বিপাক পড়ছন। এমনকি প্রতিনিয়ত রোগ শোক গৃহপালিত পশু সম্পদর মত্যু হলেও যথাযথ চিকিৎসা ও ঔষধ পাওয়া দুর্লভ হয় দাড়িয়েছে। অথচ সরকারী ভাবে ঔষধ সরবরাহ থাকলও অফিসর কতিপয় অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী সংঘবদ্ধ হয়ে কত্রিম সংকট তৈরি করে এসব ঔষধ উচ মূল্য বিক্রি কর দিচ্ছে ডিমলা বাজারর ক’টি ভ্যাটনারী ফার্মসীত। এত সাধারণ মানুষ তাদের গৃহ পালিত পশু সম্পদর চিকিৎসা নিয় প্রাণিসম্পদ অফিস বিমূখ হয় পড়ছেন।

জানা যায়, উপজলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সাধারণ মানুষ তাদর গৃহপালিত পশুর রোগ চিকিৎসায় সরকারী নাম মাত্র মূল্য ভ্যাকসিনশন সংগ্রহ, ফ্রি চিকিৎসা সবা, মাঠ পর্যায় ভ্যাকসিন প্রাপ্তির সুবিধা, কত্রিম প্রজনন সেবা সুবিধা পাওয়ার দাবীদার। মুরগীর প্রতিটি রানী ক্ষেত ভ্যাকসিনর সরকারী মূল্য ১৫ টাকা, বসÍ ৪০ টাকা, কলরা ৩০ টাকা, হাঁসর প্রতিটি কলরা ভ্যাকসিন ৩০ টাকা, ডাক প্ল ৩০ টাকা। গরু, মহিষ, ভড়া, ছাগলর ছরকা ভ্যাকসিন ৫০ টাকা, বাদলা ৩০টা, গলাফুলা ৩০ টাকা সরকারী নির্ধারিত মূল্য থাকলও অফিস প্রায়শ:ই সরবরাহ শষ বলা হলও বাইরর কয়কটি ফার্মসীত পাওয়া যাছ এসব ভ্যাকসিন।

উপজলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানা যায়, দরিদ্র মানুষ পশু সম্পদ পালন করা যাতে আর্থিক ভাবে স্বছল হয়ে উঠতে পারে এ লক্ষ নানাবিধ প্রকল্প গ্রহন করছে সরকার।

এদিক ডিমলা প্রাণিসম্পদ অফিসর ক’জন অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনিয়ম ও কর্তব্য কাজ অবহলার কারন পশু সম্পদ প্রতিপালন ও রোগ শোক চিকিৎসা সেবা সহ সরকারী ঔষধ প্রাপ্তি দুর্লভ হয় দাড়িয়ছ। ফল সাধারন মানুষ তাদের পশু সম্পদ প্রতিপালন ও রক্ষায় প্রাণিসম্পদ অফিস বিমুখ হয়ে ভিড় করছে ভ্যাটনারী ফার্মসী গুলাতে। এত সরকারী উদ্যোগ ভস্ত গলও আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে ক’জন অসৎ কর্মকর্তা, কর্মচারী।

এদিক একাধিক কষক অভিযাগ করছন তাদর গৃহপালিত পশু সম্পদর চিকিৎসা ও ঔষধ সেবায় প্রানী সম্পদ অফিস তাদের কোন কাজ আসছনা। মাঠ পর্যায় কোন মাঠ কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি অফিসে এসে সরকারী সরবরাহর স্বল্প মূল্যর ঔষধ ফার্মসী থেকে কিনতে হচ্ছে উচ্চমূল্যে। ফ্রি-চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। এত প্রাণিসম্পদ অফিসর কানেকশন থাকা ক’জন ভ্যাটনারী ফার্মসী মালিক আর্থিক ভাব লাভবান হচ্ছে।

এ নিয় উপজলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. রজাউল করিম বললন বিষয়টি তিনি অবগত নন। কউ অভিযাগও করনি কখনও। এখন অবগত হয়ে বিষয়টি তিনি দেখবন। এছাড়া (ভিএফএ) মাজাফফর হাসনসহ বেশ কয়জন কর্মচারী কারণ কিছুটা প্রতিবন্ধকতার কথা বলন তিনি। অফিসর ভ্যাকসিন বাইরে বিক্রী করার সুযাগ নই। তবে কোন দাকান পাওয়া গেলে বা কান কর্মকর্তা ভ্যাকসিন বিক্রির বিষয়টি প্রমান পাওয়া গলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।’

মাঃ গালাম রাবানী

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিমলা প্রানিসম্পদ অফিস নেই সেবা, হাঁস-মুরগির সরকারি ভ্যাকসিন ফার্মসীত বিক্রি।

আপডেট সময় : ০১:০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০

ডিমলা (নীলফামালী) প্রতিনিধি ঃ সারাদশ যখন করানা ভাইরাস আতঙ্ক ঠিক সেই সময় সরকারি বে-সরকারী অফিস বন্ধ থাকায় ডিমলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদর বিভিন ফার্মসীতে সরকারি ভ্যাকসিন সহ নানা ওষুধ বিক্রির হিড়িক। ডিমলা উপজলার সদর ইউনিয়নর ভুক্তভাগি মাহিন ইসলাম গত ০৬ এপ্রিল তিনি হাঁসের ভ্যাকসিনর জন্য প্রানী সম্পদ অফিস গিয়ে অফিস বন্ধ থাকায় ভ্যাকসিন না পেয়ে ফির এসছেন। অথচ সরকারী সরবরাহর ওই ভ্যাকসিন বাঁধন মডিসিন প্লাস নামর এক ফার্মসী মালিক নিকট হইত উচমূল্য পাওয়া যাব মর্ম জানতে পারার। পর তিনি ঐ দোকান গিয় হাঁসর ১ টি ভ্যাকসিন ১২০ টাকা দিয়ে দাকানর ক্যাশ ম্যামার মাধ্যম ক্রয় করন।

এমন দাবির সত্যতা যাচাই করত গিয় দখা যায় ভিন চিত্র। দোকানদার মালিক মাঃ জাহিনুর প্রামানিক কাছে ঘটনার বিষয়র জানত চাইল তিনি বলেন ডিমলা প্রাণিসম্পদর (ভিএফএ) মাঃ মাজাফফর হাসন আমার কাছ ৩০ টি ভ্যাকসিন ৬০ টাকা কর বিক্রি করিয়াছ এবং বলেন কোন সাংবাদিক, ইউএনও , প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কোন কিছু বললে আমি দেখবো। তখন ঐ কর্মকর্তার কাছ জানত চাহিলে তিনি বলেন য সকল গ্রাহকদর এই ভ্যাকসিন দয়া হয় তাদর নাম ঠিকানা ও মাবাইল নম্বর লিখ রাখার বিধান রয়ছ। আমি তাহাদর নাম লিখ রখছি। গ্রাহকদর নামর তালিকা দখত চাইলে বেরিয় আসে আসল সত্য।

তিনি জানান আমি দাকান ৩০টি ভ্যাকসিন বিক্রি করিয়াছি। তব এর কিছু টাকা আমার উর্ধতন কর্মকতাকও ভাগ দিত হয়। এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধ এলাকার বহু লাক অভিযাগ করেন তিনি প্রায় ৩০/৩৫ বছর তার নিজ এলাকায় চাকুরী করার সুবাদ গায়ের জোরে এলাকার লাকজনর নাম রজিষ্টার খাতায় লিখিয়া সই ওষুধ বাজারর বিভিন দাকান সরকারি ওষুধ বিক্রি করিয়া লাভবান হয়।

ডিমলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সাধারণ মানুষর সরকারী সেবা পাওয়া নিয়ে বহুদিন ধরে সংশয় দেখা দিয়ছে। ভুক্তভাগী মানুষ তাদের গৃহ পালিত হাঁস, মুরগী ও গবাদি পশুর চিকিৎসা নিয় বিপাক পড়ছন। এমনকি প্রতিনিয়ত রোগ শোক গৃহপালিত পশু সম্পদর মত্যু হলেও যথাযথ চিকিৎসা ও ঔষধ পাওয়া দুর্লভ হয় দাড়িয়েছে। অথচ সরকারী ভাবে ঔষধ সরবরাহ থাকলও অফিসর কতিপয় অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী সংঘবদ্ধ হয়ে কত্রিম সংকট তৈরি করে এসব ঔষধ উচ মূল্য বিক্রি কর দিচ্ছে ডিমলা বাজারর ক’টি ভ্যাটনারী ফার্মসীত। এত সাধারণ মানুষ তাদের গৃহ পালিত পশু সম্পদর চিকিৎসা নিয় প্রাণিসম্পদ অফিস বিমূখ হয় পড়ছেন।

জানা যায়, উপজলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সাধারণ মানুষ তাদর গৃহপালিত পশুর রোগ চিকিৎসায় সরকারী নাম মাত্র মূল্য ভ্যাকসিনশন সংগ্রহ, ফ্রি চিকিৎসা সবা, মাঠ পর্যায় ভ্যাকসিন প্রাপ্তির সুবিধা, কত্রিম প্রজনন সেবা সুবিধা পাওয়ার দাবীদার। মুরগীর প্রতিটি রানী ক্ষেত ভ্যাকসিনর সরকারী মূল্য ১৫ টাকা, বসÍ ৪০ টাকা, কলরা ৩০ টাকা, হাঁসর প্রতিটি কলরা ভ্যাকসিন ৩০ টাকা, ডাক প্ল ৩০ টাকা। গরু, মহিষ, ভড়া, ছাগলর ছরকা ভ্যাকসিন ৫০ টাকা, বাদলা ৩০টা, গলাফুলা ৩০ টাকা সরকারী নির্ধারিত মূল্য থাকলও অফিস প্রায়শ:ই সরবরাহ শষ বলা হলও বাইরর কয়কটি ফার্মসীত পাওয়া যাছ এসব ভ্যাকসিন।

উপজলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানা যায়, দরিদ্র মানুষ পশু সম্পদ পালন করা যাতে আর্থিক ভাবে স্বছল হয়ে উঠতে পারে এ লক্ষ নানাবিধ প্রকল্প গ্রহন করছে সরকার।

এদিক ডিমলা প্রাণিসম্পদ অফিসর ক’জন অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনিয়ম ও কর্তব্য কাজ অবহলার কারন পশু সম্পদ প্রতিপালন ও রোগ শোক চিকিৎসা সেবা সহ সরকারী ঔষধ প্রাপ্তি দুর্লভ হয় দাড়িয়ছ। ফল সাধারন মানুষ তাদের পশু সম্পদ প্রতিপালন ও রক্ষায় প্রাণিসম্পদ অফিস বিমুখ হয়ে ভিড় করছে ভ্যাটনারী ফার্মসী গুলাতে। এত সরকারী উদ্যোগ ভস্ত গলও আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে ক’জন অসৎ কর্মকর্তা, কর্মচারী।

এদিক একাধিক কষক অভিযাগ করছন তাদর গৃহপালিত পশু সম্পদর চিকিৎসা ও ঔষধ সেবায় প্রানী সম্পদ অফিস তাদের কোন কাজ আসছনা। মাঠ পর্যায় কোন মাঠ কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি অফিসে এসে সরকারী সরবরাহর স্বল্প মূল্যর ঔষধ ফার্মসী থেকে কিনতে হচ্ছে উচ্চমূল্যে। ফ্রি-চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। এত প্রাণিসম্পদ অফিসর কানেকশন থাকা ক’জন ভ্যাটনারী ফার্মসী মালিক আর্থিক ভাব লাভবান হচ্ছে।

এ নিয় উপজলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. রজাউল করিম বললন বিষয়টি তিনি অবগত নন। কউ অভিযাগও করনি কখনও। এখন অবগত হয়ে বিষয়টি তিনি দেখবন। এছাড়া (ভিএফএ) মাজাফফর হাসনসহ বেশ কয়জন কর্মচারী কারণ কিছুটা প্রতিবন্ধকতার কথা বলন তিনি। অফিসর ভ্যাকসিন বাইরে বিক্রী করার সুযাগ নই। তবে কোন দাকান পাওয়া গেলে বা কান কর্মকর্তা ভ্যাকসিন বিক্রির বিষয়টি প্রমান পাওয়া গলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।’

মাঃ গালাম রাবানী