সংবাদ শিরোনাম ::
আর কত ভাঙলে কূল খুঁজে পাবে বাবুগঞ্জের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রামের মানুষ দর্শনাস্থ কেরুজ চিনিকল আবারও চিনিতে লোকসান,অন্য ৫ বিভাগে মুনাফা অর্জন ঝালকাঠিতে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির উদ্যোগে ৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ ঝালকাঠিতে ১৪ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, অভিযুক্ত আটক নবাগত পুলিশ সুপার হিসেবে ঝালকাঠিতে যোগদান ও দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন মেরিন সুলতানা ​ঝালকাঠির রাজাপুরে ভিডিও কলে স্বামীর সঙ্গে কথা বলার সময় গৃহবধূর আত্মহত্যা ​ ঝালকাঠিতে রোহিঙ্গা সন্দেহে বাংলাদেশি পরিচয়ে পাসপোর্ট করতে আসা ২ নারী আটক বইকে নিজের পরম বন্ধু বানিয়ে নাও: কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠিতে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণদের নিয়ে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো ‘যুব শান্তি মেলা বাবুগঞ্জে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে উঠে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক দগ্ধ, চিকিৎসার জন্য সাহায্য চান তার মা

আর কত ভাঙলে কূল খুঁজে পাবে বাবুগঞ্জের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রামের মানুষ

আর কত ভাঙলে কূল খুঁজে পাবে বাবুগঞ্জের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রামের মানুষ

মোহাম্মদ আলী, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ও ছানিকেদারপুর গ্রামে ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। দিনের পর দিন সুগন্ধা সুগন্ধা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও গাছপালা। ভাঙন আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন গ্রামের শত শত পরিবার। অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ নদীর তীর ঘেঁষে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন,আর কত ভাঙলে কূল খুঁজে পাবেন তারা? আর কত ঘরবাড়ি ও গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হলে মিলবে স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা?

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ও ছানিকেদারপুর গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, নদীভাঙনের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, গত এক সপ্তাহেই গ্রামের অন্তত ৫০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় ভাঙনের প্রবণতা আরও বেড়েছে।

শুক্রবার সকালে এলাকা পরিদর্শনকালে দেখা যায়, নদীর মাত্র প্রায় ৫০ মিটার দূরত্বে রয়েছে ২২ নম্বর ছানিকেদারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদিনাতুল কুরআন ফজলুল করিম মাদ্রাসা, খন্দকার বাড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এবং জাবে নূর জামে মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে এসব প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা যেকোনো সময় হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভাঙন অব্যাহত থাকায় এ এলাকার প্রায় ৩৮০ পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদি জমি হুমকির মুখে পরবে। ইতোমধ্যে অনেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছেন। কেউ কেউ নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে শেষ সম্বলটুকু রক্ষার চেষ্টা করছেন।

নদীভাঙন নিয়ে স্থানীয় সমাজসেবক প্রবাসী মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, দিনের পর দিন নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবিতে বিভিন্ন দপ্তর ও প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন ভুক্তভোগীরা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা মূলত আশ্বাসই পেয়েছেন। গ্রামটি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম বলেন, একসময় এ গ্রাম ছিল ছায়াঘেরা ও প্রাণবন্ত। গ্রামের পর গ্রামজুড়ে বিভিন্ন উৎসব-আয়োজন হতো। ইউনিয়নের অন্যতম বড় গ্রাম ছিল এটি। কিন্তু নদীভাঙনে গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। কেউ নদীর তীরে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন, আবার কেউ দূরে গিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করেছেন।

তিনি বলেন, জীবনের শেষ সময়ে এসে নিজের গ্রামটিকে নদীর হাত থেকে রক্ষা করতে চাই। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারের কাছে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

কেদারপুর ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ কাওছার হোসেন বলেন, নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি। আশা করছি, বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিবেন। আমাদের গ্রাম ও মানুষের বসতভিটা রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন, গ্রামটি রক্ষায় ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। আশা করছি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে গ্রাম রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, “সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও আড়িয়াল খাঁ, এই তিন নদীর ভয়াবহ ভাঙনের শিকার বাবুগঞ্জ উপজেলার মানুষ। নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে একটি টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রায় ৯৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। আশা করছি, প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং নদীভাঙনকবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী দিনে শুধু বসতবাড়ি নয়, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আশ্বাস নয়, দ্রুত দৃশ্যমান ও কার্যকর নদীভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা চান দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ও ছানিকেদারপুর গ্রামের মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আর কত ভাঙলে কূল খুঁজে পাবে বাবুগঞ্জের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রামের মানুষ

আর কত ভাঙলে কূল খুঁজে পাবে বাবুগঞ্জের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রামের মানুষ

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ও ছানিকেদারপুর গ্রামে ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। দিনের পর দিন সুগন্ধা সুগন্ধা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও গাছপালা। ভাঙন আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন গ্রামের শত শত পরিবার। অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ নদীর তীর ঘেঁষে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন,আর কত ভাঙলে কূল খুঁজে পাবেন তারা? আর কত ঘরবাড়ি ও গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হলে মিলবে স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা?

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ও ছানিকেদারপুর গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, নদীভাঙনের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, গত এক সপ্তাহেই গ্রামের অন্তত ৫০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় ভাঙনের প্রবণতা আরও বেড়েছে।

শুক্রবার সকালে এলাকা পরিদর্শনকালে দেখা যায়, নদীর মাত্র প্রায় ৫০ মিটার দূরত্বে রয়েছে ২২ নম্বর ছানিকেদারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদিনাতুল কুরআন ফজলুল করিম মাদ্রাসা, খন্দকার বাড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এবং জাবে নূর জামে মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে এসব প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা যেকোনো সময় হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভাঙন অব্যাহত থাকায় এ এলাকার প্রায় ৩৮০ পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদি জমি হুমকির মুখে পরবে। ইতোমধ্যে অনেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছেন। কেউ কেউ নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে শেষ সম্বলটুকু রক্ষার চেষ্টা করছেন।

নদীভাঙন নিয়ে স্থানীয় সমাজসেবক প্রবাসী মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, দিনের পর দিন নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবিতে বিভিন্ন দপ্তর ও প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন ভুক্তভোগীরা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা মূলত আশ্বাসই পেয়েছেন। গ্রামটি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম বলেন, একসময় এ গ্রাম ছিল ছায়াঘেরা ও প্রাণবন্ত। গ্রামের পর গ্রামজুড়ে বিভিন্ন উৎসব-আয়োজন হতো। ইউনিয়নের অন্যতম বড় গ্রাম ছিল এটি। কিন্তু নদীভাঙনে গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। কেউ নদীর তীরে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন, আবার কেউ দূরে গিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করেছেন।

তিনি বলেন, জীবনের শেষ সময়ে এসে নিজের গ্রামটিকে নদীর হাত থেকে রক্ষা করতে চাই। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারের কাছে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

কেদারপুর ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ কাওছার হোসেন বলেন, নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি। আশা করছি, বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিবেন। আমাদের গ্রাম ও মানুষের বসতভিটা রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন, গ্রামটি রক্ষায় ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। আশা করছি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে গ্রাম রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, “সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও আড়িয়াল খাঁ, এই তিন নদীর ভয়াবহ ভাঙনের শিকার বাবুগঞ্জ উপজেলার মানুষ। নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে একটি টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রায় ৯৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। আশা করছি, প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং নদীভাঙনকবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী দিনে শুধু বসতবাড়ি নয়, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আশ্বাস নয়, দ্রুত দৃশ্যমান ও কার্যকর নদীভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা চান দক্ষিণ ভূতেরদিয়া ও ছানিকেদারপুর গ্রামের মানুষ।