সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

সরকারি টাকায় অনিয়মের উৎসব! বাবুগঞ্জে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা এলজিডি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই বিল উত্তোলন, নিম্নমানের কাজ এবং অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কিছু প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে অধিকাংশ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রহমতপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি প্রকল্পের সিপিসি হিসেবে ইউপি সদস্য জিয়াদুলকে দায়িত্ব দেন উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম। ওই প্রকল্পের আওতায় দপ্তরের টয়লেট মেরামত ও আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য প্রায় ২ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। তবে বাস্তবে অল্প কিছু কাজ দেখিয়ে পুরো বিল উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব খাত থেকে উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই বরাদ্দের আওতায় ৬টি ইউনিয়নে ৮৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডার প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে কাজ বণ্টন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের টাইলস মেরামতের জন্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে ‘বিডি ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামের প্রতিষ্ঠান পেলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ করতে না দিয়ে পুরাতন কাজ দেখিয়ে বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও কেদারপুর এইচএস জামে মসজিদের ওজুখানা নির্মাণে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও যথাযথ কাজ না করেই ‘চৌধুরী কনস্ট্রাকশন’ নামের প্রতিষ্ঠানকে বিল প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর উপজেলা ও কয়েকটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান না থাকায় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে তদারকির ঘাটতি দেখা দেয়। এই সুযোগে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লুটপাটের ঘটনা ঘটছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম বলেন, সব কাজ ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। অফিসে এসে ফাইল দেখলে বিস্তারিত বলা যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সরকারি টাকায় অনিয়মের উৎসব! বাবুগঞ্জে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা এলজিডি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই বিল উত্তোলন, নিম্নমানের কাজ এবং অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কিছু প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে অধিকাংশ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রহমতপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি প্রকল্পের সিপিসি হিসেবে ইউপি সদস্য জিয়াদুলকে দায়িত্ব দেন উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম। ওই প্রকল্পের আওতায় দপ্তরের টয়লেট মেরামত ও আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য প্রায় ২ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। তবে বাস্তবে অল্প কিছু কাজ দেখিয়ে পুরো বিল উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব খাত থেকে উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই বরাদ্দের আওতায় ৬টি ইউনিয়নে ৮৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডার প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে কাজ বণ্টন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের টাইলস মেরামতের জন্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে ‘বিডি ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামের প্রতিষ্ঠান পেলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ করতে না দিয়ে পুরাতন কাজ দেখিয়ে বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও কেদারপুর এইচএস জামে মসজিদের ওজুখানা নির্মাণে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও যথাযথ কাজ না করেই ‘চৌধুরী কনস্ট্রাকশন’ নামের প্রতিষ্ঠানকে বিল প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর উপজেলা ও কয়েকটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান না থাকায় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে তদারকির ঘাটতি দেখা দেয়। এই সুযোগে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লুটপাটের ঘটনা ঘটছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম বলেন, সব কাজ ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। অফিসে এসে ফাইল দেখলে বিস্তারিত বলা যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।