সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বিজয়নগরে শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সবুজ হবে বাংলাদেশ— বাবুগঞ্জের কেদারপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঘোড়াঘাটে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানা আদায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে ব্র্যাকের ২০০ ফলজ চারা প্রদান বিষখালী নদীতে অভিযান: ৭ লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার ও ধ্বংস বাবুগঞ্জে গাঁজা সহ প্রবাসী আটক ​ ​ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ​ কাঠালিয়ায় ৫০ কেজি ও ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১: মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের বড় সাফল্য

নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার সাথে পরকীয়ার অভিযোগ, স্বামীর মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার সাথে পরকীয়ার অভিযোগ, স্বামীর মামলা
পটুয়াখালীর একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের এক নারী শিক্ষিকাকে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওই কলেজের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ৩১ মার্চ ঝালকাঠী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকার স্বামী মো. মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—বরিশালের রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম এবং একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বাদীর স্ত্রী আয়শা আক্তার।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং সেখানে ‘জহির-নেহেরু নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর পরিচালক। তবে ব্যবসায়িক সূত্রে তিনি বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম ও আয়শা আক্তার ঝালকাঠী সদর উপজেলার আলীপুর শশাংক গ্রামের বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন। বাদীর মা মর্জিনা আক্তার তাদের এই অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে চিৎকার দিলে অভিযুক্তরা ঘর থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে এবং ৩ বছরের সন্তানসহ দ্রুত প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

বাদীর অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং নারীলোভী প্রকৃতির। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ার সুবাদে তিনি সহকারী অধ্যাপক আয়শা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও তারা সম্পর্ক বজায় রাখেন। এমনকি আয়শা আক্তারের বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি।

অভিযোগ রয়েছে, নার্সিং ব্যবসার আড়ালে জহিরুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে এক ছাত্রীর সঙ্গে তার আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি জেলা কৃষক লীগের সদস্য পদ বাগিয়ে নিয়েছেন এবং তার স্ত্রীকে বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বানিয়েছেন বলেও জানা যায়।

এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার সাথে পরকীয়ার অভিযোগ, স্বামীর মামলা

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

আজকের ক্রাইম ডেক্স

নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার সাথে পরকীয়ার অভিযোগ, স্বামীর মামলা
পটুয়াখালীর একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের এক নারী শিক্ষিকাকে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ওই কলেজের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ৩১ মার্চ ঝালকাঠী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকার স্বামী মো. মশিউর রহমান। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—বরিশালের রাজধানী ও ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম এবং একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বাদীর স্ত্রী আয়শা আক্তার।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং সেখানে ‘জহির-নেহেরু নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর পরিচালক। তবে ব্যবসায়িক সূত্রে তিনি বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বসবাস করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম ও আয়শা আক্তার ঝালকাঠী সদর উপজেলার আলীপুর শশাংক গ্রামের বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন। বাদীর মা মর্জিনা আক্তার তাদের এই অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে চিৎকার দিলে অভিযুক্তরা ঘর থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে এবং ৩ বছরের সন্তানসহ দ্রুত প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

বাদীর অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং নারীলোভী প্রকৃতির। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ার সুবাদে তিনি সহকারী অধ্যাপক আয়শা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর একাধিকবার বারণ করা সত্ত্বেও তারা সম্পর্ক বজায় রাখেন। এমনকি আয়শা আক্তারের বাবার বাড়িতে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সমাধান মেলেনি।

অভিযোগ রয়েছে, নার্সিং ব্যবসার আড়ালে জহিরুল ইসলাম নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে এক ছাত্রীর সঙ্গে তার আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি জেলা কৃষক লীগের সদস্য পদ বাগিয়ে নিয়েছেন এবং তার স্ত্রীকে বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বানিয়েছেন বলেও জানা যায়।

এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।