সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বানারী পাড়া মাদক বিরোধী অভিযানে চুনোপুটিরা গ্রেফতার হলেও রাঘব বোয়ালরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তথ্য ও চিত্রে বানারীপাড়া থেকে মো: নাঈম মোঘল: বানারীপাড়া উপজেলায় প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকলেও থেমে নেই মাদক ব্যবসা। ছোটখাটো অভিযানে কিছু মাদক সেবি গ্রেপ্তার হলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়ে গেছে রাঘব বোয়ালেরা। এদিকে সামাজিক ব্যক্তি বর্গ মনে করেন মূলত বানারীপাড়া পৌরসভাই হল মাদকের অভয় অরণ্য। বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা যায় বানারীপাড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সহ পার্শ্ববর্তী গ্রাম মহিষাপোতা, খেজুর বাড়ি, ধারালিয়া, বেতাল ও বানারীপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পে দক্ষিণ অঞ্চলের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শাকিল ও লেংটা সোহেলের চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। যা এখন মাদকের মহামারি আকার ধারণ করেছে বানারীপাড়া উপজেলার বাহিরে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর ও নেছারাবাদ থানায় এবং ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন থানায় তাদের মাদক ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মাদক সেবি বানারীপাড়া থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়ে গেছেন শাকিল ও লেংটা সোহেল। বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডে নতুন রাস্তা সহ দক্ষিণ নাজিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ সহ পার্শ্ববর্তী রাস্তায় চলে মাদক সেবন ও কেনাবেচা। ৩ নং ওয়ার্ডে শাহাপাড়ার নতুন রাস্তা পুরাতন সোহাগ সিনেমা হলের সামনের রাস্তায় অবাধে চলে মাদক কেনাবেচা এবং সন্ধ্যা হলেই বানারীপাড়া ভূমি অফিসের তহশীল অফিসে মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের আড্ডা চলে গভীর রাত পর্যন্ত । ৪ নং ওয়ার্ডে বাইন্না বাড়ি, ডাকবাংলোর পিছনে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বেশ আনাগোনা দেখা যায়। পৌরসভার পাঁচ নং ওয়ার্ডে সরদারবাড়ি কালভার্ট সংলগ্ন,বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট বিদ্যালয় এর পিছন সাইডে ড্রেনের রাস্তায় এবং বানারীপাড়া উপজেলার পুরাতন ভাঙ্গা ভবনে চলে মাদক ব্যবসা ও সেবন। পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে পুরাতন বিদ্যুৎ অফিসের পাশ থেকে খালের পাড়ের নতুন রাস্তায় দিন ও রাতে মাদক সেবন ও ব্যবসায়ীদের আনগোনা খুব দেখা যায়। ৭ নং ওয়ার্ডে বাঁশ তলা মোড়ে ৮ নং ওয়ার্ডে কালিবাড়ি ও ঋষি বাড়ি মোরে এবং রায়েরহাট বাজারের পুরাতন গোডাউনের কাছে বেশ আনাগোনা মিলে মাদক সেবি ও ব্যবসায়ীদের। ৯ নং ওয়ার্ডকে বলা হয় মাদকের রানী টি এন্ড টি মোড়সহ কলেজ মোড় সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করছেন গাজা মিন্টু সহ তার সঙ্গীরা অথচ প্রশাসন তাকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। এছাড়াও বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের রাজ্জাকপুর, এবিসি ব্রিকফিল্ড সহ একাধিক জায়গায় বসে মাদকের ব্যবসা। অন্যদিকে সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন, চাখার ইউনিয়ন, বাইশারী ইউনিয়ন, সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন, ইলুহার ইউনিয়ন, উদয়কাঠি ইউনিয়ন ও বিশারকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটে বসে মাদক সেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আড্ডা। বানারীপাড়া উপজেলায় সর্বোচ্চ ছড়িয়ে পড়েছে মাদক সচেতন মহল মনে করে এর থেকে যদি খুব দ্রুত পরিত্রাণ না পাওয়া যায় যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে চলে যাবে। তাই প্রশাসন অভিযান আরো কঠোরভাবে হওয়া উচিত এবং মাদক সেবী এবং ব্যবসায়ীদের যদি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকেও আইনের আওতায় এনে বিচার করা উচিত। এ সমাজ থেকে মাদক নামের অভিশাপ খুব দ্রুত মুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এলাকা থেকে মাদক দূর করতে শুধু প্রশাসন নয় এগিয়ে আসতে হবে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ সহ পারিবারিক শিক্ষার মূল্যবোধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বানারী পাড়া মাদক বিরোধী অভিযানে চুনোপুটিরা গ্রেফতার হলেও রাঘব বোয়ালরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে

আপডেট সময় : ১১:৫২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

তথ্য ও চিত্রে বানারীপাড়া থেকে মো: নাঈম মোঘল: বানারীপাড়া উপজেলায় প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকলেও থেমে নেই মাদক ব্যবসা। ছোটখাটো অভিযানে কিছু মাদক সেবি গ্রেপ্তার হলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়ে গেছে রাঘব বোয়ালেরা। এদিকে সামাজিক ব্যক্তি বর্গ মনে করেন মূলত বানারীপাড়া পৌরসভাই হল মাদকের অভয় অরণ্য। বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা যায় বানারীপাড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সহ পার্শ্ববর্তী গ্রাম মহিষাপোতা, খেজুর বাড়ি, ধারালিয়া, বেতাল ও বানারীপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পে দক্ষিণ অঞ্চলের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শাকিল ও লেংটা সোহেলের চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। যা এখন মাদকের মহামারি আকার ধারণ করেছে বানারীপাড়া উপজেলার বাহিরে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর ও নেছারাবাদ থানায় এবং ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন থানায় তাদের মাদক ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মাদক সেবি বানারীপাড়া থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়ে গেছেন শাকিল ও লেংটা সোহেল। বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডে নতুন রাস্তা সহ দক্ষিণ নাজিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ সহ পার্শ্ববর্তী রাস্তায় চলে মাদক সেবন ও কেনাবেচা। ৩ নং ওয়ার্ডে শাহাপাড়ার নতুন রাস্তা পুরাতন সোহাগ সিনেমা হলের সামনের রাস্তায় অবাধে চলে মাদক কেনাবেচা এবং সন্ধ্যা হলেই বানারীপাড়া ভূমি অফিসের তহশীল অফিসে মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের আড্ডা চলে গভীর রাত পর্যন্ত । ৪ নং ওয়ার্ডে বাইন্না বাড়ি, ডাকবাংলোর পিছনে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বেশ আনাগোনা দেখা যায়। পৌরসভার পাঁচ নং ওয়ার্ডে সরদারবাড়ি কালভার্ট সংলগ্ন,বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট বিদ্যালয় এর পিছন সাইডে ড্রেনের রাস্তায় এবং বানারীপাড়া উপজেলার পুরাতন ভাঙ্গা ভবনে চলে মাদক ব্যবসা ও সেবন। পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে পুরাতন বিদ্যুৎ অফিসের পাশ থেকে খালের পাড়ের নতুন রাস্তায় দিন ও রাতে মাদক সেবন ও ব্যবসায়ীদের আনগোনা খুব দেখা যায়। ৭ নং ওয়ার্ডে বাঁশ তলা মোড়ে ৮ নং ওয়ার্ডে কালিবাড়ি ও ঋষি বাড়ি মোরে এবং রায়েরহাট বাজারের পুরাতন গোডাউনের কাছে বেশ আনাগোনা মিলে মাদক সেবি ও ব্যবসায়ীদের। ৯ নং ওয়ার্ডকে বলা হয় মাদকের রানী টি এন্ড টি মোড়সহ কলেজ মোড় সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করছেন গাজা মিন্টু সহ তার সঙ্গীরা অথচ প্রশাসন তাকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। এছাড়াও বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের রাজ্জাকপুর, এবিসি ব্রিকফিল্ড সহ একাধিক জায়গায় বসে মাদকের ব্যবসা। অন্যদিকে সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন, চাখার ইউনিয়ন, বাইশারী ইউনিয়ন, সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন, ইলুহার ইউনিয়ন, উদয়কাঠি ইউনিয়ন ও বিশারকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটে বসে মাদক সেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আড্ডা। বানারীপাড়া উপজেলায় সর্বোচ্চ ছড়িয়ে পড়েছে মাদক সচেতন মহল মনে করে এর থেকে যদি খুব দ্রুত পরিত্রাণ না পাওয়া যায় যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে চলে যাবে। তাই প্রশাসন অভিযান আরো কঠোরভাবে হওয়া উচিত এবং মাদক সেবী এবং ব্যবসায়ীদের যদি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকেও আইনের আওতায় এনে বিচার করা উচিত। এ সমাজ থেকে মাদক নামের অভিশাপ খুব দ্রুত মুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এলাকা থেকে মাদক দূর করতে শুধু প্রশাসন নয় এগিয়ে আসতে হবে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ সহ পারিবারিক শিক্ষার মূল্যবোধ।