সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:
যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক আবু শামীম আজাদ আবেদন নামঞ্জুর পুলিশের উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) ইশা খানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ইশা খান পটুয়াখালীর মোহাকাঠি গ্রামের ইয়াসিন খানের ছেলে। তিনি ভোলা পুলিশ লাইনে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের ২১ অক্টোবর পারিবারিক ভাবে শাহনাজ আফরোজের সঙ্গে ইশা খার বিয়ে হয়। বিয়ে সময় স্বর্ণালঙ্কার ছাড়াও ইশাকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য নগদ আড়াই লাখ টাকা দেয় শাহনাজের পরিবার। ছয় থেকে সাতমাস ভালোই চলছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। এর মধ্যে সন্তান সম্ভবা হন শাহনাজ। বাধসাধে ইশা খা আরও ৫ লাখ টাকা দাবী কর‍ায়। পরিবারের লোকজন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শাহনাজকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়া হয়।

পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর বরিশাল পুলিশ লাইনে ইশা খার বাসভবনে মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে মারধর করে শাহনাজের গর্ভপাত ঘটে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হলে শাহনাজকে নিয়ে সংসার করার কথা বলে অভিযোগ তুলে নেয়ায় ইশা খা।

সবশেষ গেলো বছরের ১০ আগষ্ট অসুস্থতার জন্য শাহনাজ তার ভাইয়ের বাসায় আসলে সেখানে এসে পুনরায় যৌতুকের দাবীতে তাকে মারধর করে। পরে পুনরায় মিমাংসার চেষ্টা করলে রাজি না হওয়ায় গত ১ জানুয়ারি স্বামী ও তার দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা করে শাহনাজ।

ওই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক ইশা খানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৫১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:
যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক আবু শামীম আজাদ আবেদন নামঞ্জুর পুলিশের উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) ইশা খানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ইশা খান পটুয়াখালীর মোহাকাঠি গ্রামের ইয়াসিন খানের ছেলে। তিনি ভোলা পুলিশ লাইনে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের ২১ অক্টোবর পারিবারিক ভাবে শাহনাজ আফরোজের সঙ্গে ইশা খার বিয়ে হয়। বিয়ে সময় স্বর্ণালঙ্কার ছাড়াও ইশাকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য নগদ আড়াই লাখ টাকা দেয় শাহনাজের পরিবার। ছয় থেকে সাতমাস ভালোই চলছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। এর মধ্যে সন্তান সম্ভবা হন শাহনাজ। বাধসাধে ইশা খা আরও ৫ লাখ টাকা দাবী কর‍ায়। পরিবারের লোকজন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শাহনাজকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়া হয়।

পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর বরিশাল পুলিশ লাইনে ইশা খার বাসভবনে মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে মারধর করে শাহনাজের গর্ভপাত ঘটে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হলে শাহনাজকে নিয়ে সংসার করার কথা বলে অভিযোগ তুলে নেয়ায় ইশা খা।

সবশেষ গেলো বছরের ১০ আগষ্ট অসুস্থতার জন্য শাহনাজ তার ভাইয়ের বাসায় আসলে সেখানে এসে পুনরায় যৌতুকের দাবীতে তাকে মারধর করে। পরে পুনরায় মিমাংসার চেষ্টা করলে রাজি না হওয়ায় গত ১ জানুয়ারি স্বামী ও তার দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা করে শাহনাজ।

ওই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক ইশা খানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।