রুহিয়ায় M.R.P(এমআরপি)শব্দটিকে ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারিত করছেন ঔষধ ব্যবসায়ীরা
- আপডেট সময় : ০২:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ৮৬৯ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
রুহিয়ায় ঔষুধ ব্যবসায়ীদের বেড়া জালে আটকে প্রতারিত হচ্ছে রোগিরা। যেন দেখার কেউ নেই।
ঔষুধের পেকেটের গায়ে এমআরপি অর্থাৎ সর্বাচ খুচরা মূল্য শব্দটিকে সরকার নির্ধারিত মূল্য হিসেবে আখ্যা দিয়ে অধিক মুনাফা লাভ করার ফদি-ফিকির চলছে ব্যবসায়ীদের মাঝে।
এমআরপি শব্দটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করায় প্রতি নিয়ত ঠকছেন ঔষুধ ক্রেতারা। রুহিয়ার ঔষধ ক্রেতা জাহাঙ্গীর, মধুপুর এর আনোয়ার, শিমুলতলির আহম্মদ আলী, কুজিশহর এর হাজেরা বেগম সহ একাধিক মানুষ বলেন আমরা পূর্বে প্রতিদিন ঔষধ নিতাম যেখানে M.R.Pহইতে ১০%-১৫% পর্যন্ত ছাড় পেতাম।
সেখানে বর্তমানে সরকার নির্ধারিত M.R.P শব্দটিকে ব্যবহার করে কোন রকম মূল্য ছাড় না দিয়েই অধিক মূনাফা লাভে ব্যস্ত ঔষধ ব্যবসায়ীরা।
এছাড়াও কেমিস্ট ছাড়া যে কোন ধরনের ঔষুধ বিক্রয় করা যাব না এরকম সরকারি বিধান থাকলেও তা মানছেন না ফার্মেসী মালিকরা। বাংলাদশ কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি রুহিয়া শাখার সভাপতি তাহের মেডিকেল স্টোর এর স্বত্তাধিকারী মো: আবু তাহের বলেন, “আমরা বাংলাদেশ কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি ঠাকুরগাঁও জেলার নির্দেশনা মোতাবেক এমআরপি বাস্তবায়ন করেছি।”
ঠাকুরগাঁও জেলার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক প্রসিকিউটিং অফিসার আখতার ফারুক এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলন, ঔষুধ ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পড়া ক্রেতাদের অধিকার ক্ষুন হচ্ছে। তিনি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মহাদয়ের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম এর সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হল তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।


























