১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন, ২০শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক হলেন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ইরান থেকে ট্রাম্পকে বেরিয়ে আসতে পরামর্শ দিচ্ছেন উপদেষ্টারা জীবননগরে বিএনপি- জামায়াত সংঘর্ষে বড় ভা’ইর পর আহত ছোট ভাই জামায়াত আমীরের মৃত্যু বানারীপাড়ায় কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে নারীকে মারধর ও যৌনপীড়নের অভিযোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও আগাম প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—ইউএনও আসমা উল হুসনা। এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা তেলের প্রধান ডিপোগুলোয় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ হাদির ‘খুনি’ গ্রেফতার ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে বিজেপি
এবার মিসা সওদাগার জন্য মুখ খুললেন পপি

এবার মিসা সওদাগার জন্য মুখ খুললেন পপি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৫ অক্টোবর। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই কাদা ছোড়াছুড়ি বাড়ছে। গত নির্বাচনে ক্ষমতায় আসেন মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান প্যানেল। তাদের প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন চিত্রনায়িকা পপি। শুরুতে সম্পর্কটা মধুর থাকলেও এখন বাতাস বইছে উল্টো দিকে।

সম্প্রতি সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে জানান, অস্বচ্ছল শিল্পীদের তহবিল গঠনের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে ৫০ হাজার করে টাকা নিয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস, রিয়াজ ও পপি। এ নিয়ে তিনি ক্ষোভও প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী পপি।

পপি বলেন, ‘কে টাকা নিয়েছে? এর কোনো প্রমাণ কি তাদের কাছে আছে? শুধু বললেই হয় না। এগুলো মিথ্যে কথা। সমিতির জন্য আমি অনেক অনুষ্ঠান করেছি। শুধু আমিই না রিয়াজ, ফেরদৌস, পূর্ণিমা, অপুসহ আরও অনেকেই এসব অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এগুলো থেকে এক টাকাও পারিশ্রমিক নিইনি আমি। শুধু তাই নয়, সঙ্গে থাকা সহশিল্পীদের টাকাও আমি নেইনি। সমিতির জন্য কাজ করছি, এই ভেবে কোনো কথাও বলিনি।’

সঙ্গে যোগ করে পপি আরও বলেন, ‘দুই বছরে অনেক কিছু দেখেছি। যখন কোথাও থেকে টাকা আনার দরকার হয়, তখন শিল্পীদের ডাক পড়ে। এরপর আর কোনো খবর নেই তাদের। সমিতির পক্ষ থেকে শিল্পীদের টাকা দেওয়ার সময় দেখি, শুধু তাদের ছবি। সেই ছবি দিয়ে ফেসবুক ভরিয়ে ফেলে তারা। এভাবে কী শিল্পীদের সহযোগিতা করার দরকার আছে। আমি মনে করি, এভাবে প্রচার করা মানে শিল্পীদের ছোট করা।’

ক্ষোভ নিয়ে পপি আরও বলেন, ‘দুই বছরে অনুষ্ঠান করে অনেক টাকা ফান্ডে এসেছে। সে টাকা কোথায়, কীভাবে খরচ করা হয়েছে, আমরা কেউ তা জানি না। জানতে চাই, সেই টাকা কোথায়? দুই বছরে লাখ লাখ টাকা এসেছে সমিতিতে, হিসাব চাই।’

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘গত দুই বছর সমিতির সঙ্গে থেকে অনেক কিছু দেখেছি ও শিখেছি। আসলে এসব দেখে নির্বাচন করার ইচ্ছাটা মরে গেছে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019