সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

তেঁতুলিয়ায় রাতের আধারে মাদ্রাসার গাছ কর্তন পতাকা স্ট্যান্ড অপসারণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ উপজেলার শালবাহান দাখিল মাদ্রাসার মাঠে গাছ কর্তন ও পতাকা স্ট্যান্ড অপসারণের অভিযোগ উঠেছে সুপারের বিরুদ্ধে।
জানাযায়, শালবাহান দাখিল মাদ্রাসার বাউন্ডারির ভিতরে মাঠে বিশালাকৃতির একটি দেশীয় বট গাছ ছিল এবং তার পাশেই ছিল জাতীয় পতাকা স্ট্যান্ড। গত বুধবার দিবাগত রাতে অন্ধকারে কতিপয় গাছ কাটা লোক দিয়ে গাছ কেটে অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। সেই সাথে গাছের গোড়াও মাটি সহ উপড়ে ফেলা হয়। পাশেই জাতীয় পতাকা উত্তোলনের স্ট্যান্ডটিও উপড়ে ফেলে মাটি সমান করে ফেলেন রাতের আধারেই। এছাড়া খড়ি গুলো সুপার নিজেই তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সকালে গাছ গুলো বিক্রির সময় একটি স’মিলে জব্দ করেন স্থানীয় লোকজন। সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে উৎসুক লোকজন মাদ্রাসায় যান গাছ দেখতে। মাঠের অবস্থা দেখে সুপারের কর্মকান্ডে লোকজন অবাক। স্থানীয়রা জানান, মাদ্রাসা সুপার রফিকুল ইসলাম একজন অসত ব্যক্তি তিনি ইতি পূর্বেও আরও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, রাস্তার ইট চুরি, মাদ্রাসার গাছ চুরি, অর্থ আত্মসাৎ সহ অনেক অভিযোগ রয়েছে।
মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা টিফিনের সময় বা ক্লাসের ফাকে ছায়ায় বিশ্রামের যে বট ছিল তা কেটে ফেলা হয়েছে। কতিপয় বহিরাগত যুবক মাঠে মাটি ফেলে সমান করে পানি সেচ দিতে দেখা যায়। এসময় মাদ্রাসারা শিক্ষকরা রুমের বাহিরে বারান্দায় বসে তাদের কাজ দেখছে। তবে মাদ্রাসার সুপার রফিকুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। অন্যান্য শিক্ষকদের মাঝে শোক ও ভয়ের ছাপ দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে শিক্ষক আইবুল হক ও ফারুক হোসেনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমাদের গাছ কাট বা পতাকা স্ট্যান্ড অপসারণের কোন মিটিং হয়নি রেজুলেশনও হয়নি। তবে বিষয়টি বারাবাড়ি না করার অনুরোধ করেন তারা।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম জানান, আমি কিছুই জানিনা তবে বট গাছটি আমার নিজ হাতে রোপণ করা। আমি তখন সভাপতি ছিলাম গাছটি লালন পালন করে বড় করেছি। কেউ যদি কেটে থাকে তাহলে আমি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিব।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসা সুপার রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।
মাদ্রাসা সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি জানান, ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তেঁতুলিয়ায় রাতের আধারে মাদ্রাসার গাছ কর্তন পতাকা স্ট্যান্ড অপসারণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ উপজেলার শালবাহান দাখিল মাদ্রাসার মাঠে গাছ কর্তন ও পতাকা স্ট্যান্ড অপসারণের অভিযোগ উঠেছে সুপারের বিরুদ্ধে।
জানাযায়, শালবাহান দাখিল মাদ্রাসার বাউন্ডারির ভিতরে মাঠে বিশালাকৃতির একটি দেশীয় বট গাছ ছিল এবং তার পাশেই ছিল জাতীয় পতাকা স্ট্যান্ড। গত বুধবার দিবাগত রাতে অন্ধকারে কতিপয় গাছ কাটা লোক দিয়ে গাছ কেটে অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। সেই সাথে গাছের গোড়াও মাটি সহ উপড়ে ফেলা হয়। পাশেই জাতীয় পতাকা উত্তোলনের স্ট্যান্ডটিও উপড়ে ফেলে মাটি সমান করে ফেলেন রাতের আধারেই। এছাড়া খড়ি গুলো সুপার নিজেই তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সকালে গাছ গুলো বিক্রির সময় একটি স’মিলে জব্দ করেন স্থানীয় লোকজন। সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে উৎসুক লোকজন মাদ্রাসায় যান গাছ দেখতে। মাঠের অবস্থা দেখে সুপারের কর্মকান্ডে লোকজন অবাক। স্থানীয়রা জানান, মাদ্রাসা সুপার রফিকুল ইসলাম একজন অসত ব্যক্তি তিনি ইতি পূর্বেও আরও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, রাস্তার ইট চুরি, মাদ্রাসার গাছ চুরি, অর্থ আত্মসাৎ সহ অনেক অভিযোগ রয়েছে।
মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা টিফিনের সময় বা ক্লাসের ফাকে ছায়ায় বিশ্রামের যে বট ছিল তা কেটে ফেলা হয়েছে। কতিপয় বহিরাগত যুবক মাঠে মাটি ফেলে সমান করে পানি সেচ দিতে দেখা যায়। এসময় মাদ্রাসারা শিক্ষকরা রুমের বাহিরে বারান্দায় বসে তাদের কাজ দেখছে। তবে মাদ্রাসার সুপার রফিকুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। অন্যান্য শিক্ষকদের মাঝে শোক ও ভয়ের ছাপ দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে শিক্ষক আইবুল হক ও ফারুক হোসেনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমাদের গাছ কাট বা পতাকা স্ট্যান্ড অপসারণের কোন মিটিং হয়নি রেজুলেশনও হয়নি। তবে বিষয়টি বারাবাড়ি না করার অনুরোধ করেন তারা।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম জানান, আমি কিছুই জানিনা তবে বট গাছটি আমার নিজ হাতে রোপণ করা। আমি তখন সভাপতি ছিলাম গাছটি লালন পালন করে বড় করেছি। কেউ যদি কেটে থাকে তাহলে আমি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিব।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসা সুপার রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।
মাদ্রাসা সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি জানান, ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।