সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল

শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে কাজের মেয়েকে ধর্ষণ। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: শ্বশুরবাড়িতে কিশোরী গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে কারাগারে গেছেন ড. মো. মাহমুদুল হাসান (৪১) নামের এক ব্যবসায়ী। গত সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুরের ৩৫১/৫ পশ্চিম শ্যাওড়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

গতকাল বুধবার মধ্যরাতে ১৪ বছরের ভুক্তভোগী ওই গৃহকর্মী বাদী হয়ে ড. হাসানের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় নারীশিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে।

শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ ড. হাসানকে আদালতে তোলা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

ভুক্তভোগী গৃহকর্মী জানায়, অনেক আগেই তার মা-বাবা মারা গেছেন। দেড় বছর ধরে ড. মো. মাহমুদুল হাসানের শ্বশুরের (মিরপুরের ৩৫১/৫ পশ্চিম শ্যাওড়াপাড়া) বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছে সে। এই বাসায়ই থাকেন ড. হাসানের স্ত্রী। স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুবাদে প্রায়ই শ্বশুরের বাসায় আসেন হাসান। গত ২০ ডিসেম্বর রাতের কাজ শেষ করে ওই কিশোরী তার কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ১টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় মেয়েটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে তার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে হত্যার হুমকি দিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে হাসান। এরপর বিভিন্ন সময় একই হুমকি দিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন ড. হাসান। কোথায় যাবে সে চিন্তা থেকে সব কিছু সহ্য করছিল মেয়েটি।

সর্বশেষ গত সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গৃহকর্মীকে ফের ধর্ষণ করেন ওই ব্যবসায়ী। হাসানের অপকর্মের কথা তার স্ত্রীকে জানালে তিনিই মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেন। হাসানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে ভুক্তভোগী কিশোরী।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার এসআই আবদুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ড. মো. মাহমুদুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আজ আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাদীর শারীরিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে কাজের মেয়েকে ধর্ষণ। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ১২:১২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: শ্বশুরবাড়িতে কিশোরী গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে কারাগারে গেছেন ড. মো. মাহমুদুল হাসান (৪১) নামের এক ব্যবসায়ী। গত সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুরের ৩৫১/৫ পশ্চিম শ্যাওড়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

গতকাল বুধবার মধ্যরাতে ১৪ বছরের ভুক্তভোগী ওই গৃহকর্মী বাদী হয়ে ড. হাসানের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় নারীশিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে।

শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ ড. হাসানকে আদালতে তোলা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

ভুক্তভোগী গৃহকর্মী জানায়, অনেক আগেই তার মা-বাবা মারা গেছেন। দেড় বছর ধরে ড. মো. মাহমুদুল হাসানের শ্বশুরের (মিরপুরের ৩৫১/৫ পশ্চিম শ্যাওড়াপাড়া) বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছে সে। এই বাসায়ই থাকেন ড. হাসানের স্ত্রী। স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুবাদে প্রায়ই শ্বশুরের বাসায় আসেন হাসান। গত ২০ ডিসেম্বর রাতের কাজ শেষ করে ওই কিশোরী তার কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ১টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় মেয়েটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে তার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে হত্যার হুমকি দিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে হাসান। এরপর বিভিন্ন সময় একই হুমকি দিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন ড. হাসান। কোথায় যাবে সে চিন্তা থেকে সব কিছু সহ্য করছিল মেয়েটি।

সর্বশেষ গত সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গৃহকর্মীকে ফের ধর্ষণ করেন ওই ব্যবসায়ী। হাসানের অপকর্মের কথা তার স্ত্রীকে জানালে তিনিই মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেন। হাসানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে ভুক্তভোগী কিশোরী।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার এসআই আবদুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ড. মো. মাহমুদুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আজ আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাদীর শারীরিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।