মোটরসাইকেল চোরাই সিন্ডিকেটে জড়িত এমন তিন যুবককে গ্রেপ্তার। আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ০৩:০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৫১ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:::মোটরসাইকেল চোরাই সিন্ডিকেটে জড়িত এমন তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শহর থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে তারা দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিল। সাম্প্রতিকালে শহরের কাউনিয়া থানাধীন লাবু খান নামের এক ব্যক্তির মোটরসাইকেল চুরি হলে পুলিশ তদন্ত নেমে চুরির শেখড় খুঁজে পায় এবং আল আমিন (২১), ইউনুস হাওলাদার (২৯) এবং রবিউল ইসলাম (৪৫) নামের এই তিনজনকে গ্রেপ্তারে সফল হয়। এসময় লাবু খানের চুরি হয়ে যাওয়া বাজাজ কোম্পানির মোটরসাইকেলটি তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রে এই তিন যুবক জড়িত বলে জানা গেছে।
পুলিশ সুত্র জানায়- শহরের একাধিক ব্যক্তির মোটরসাইকেল ইতিমধ্যে চুরি হওয়ার একাধিক অভিযোগ থানা পুলিশের কাছে আসে। সর্বশেষ গত ২১ জানুয়ারি কাউনিয়া থানাধীন পশ্চিম কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা লাবু খানের ইয়মাহা কোম্পানির এফজেড ভার্সন-৫ মডেলের মোটরসাইকেলটি চুরি হলে তিনি একটি অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে সেই অভিযোগের সূত্র ধরে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) খাইরুল আলমের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিমসহ একটি টিম অনুসন্ধ্যানে মাঠে নামে। পুলিশের নাতিদীর্ঘ তদন্তে বেড়িয়ে আসে এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত বরিশাল নগরের পশ্চিম কাউনিয়া এলাকার কাঞ্চন আলীর ছেলে আল আমিন, বাগেরহাট জেলার মংলার সিগন্যাল টাওয়ার এলাকার মো. হারুন হাওলাদারের ছেলে ইউনুস হাওলাদার এবং খুলনা জেলার ফুলতলার দামুদার এলাকার মৃত আহম্মদ দপ্তরির ছেলে রবিউল ইসলামের নাম।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি বরিশালটাইমসকে জানান, গত সাতদিন বরিশাল ও খুলানা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযানের পর তিনজনকে গ্রেপ্তারে সফলতা আসে এবং জিজ্ঞাসাবাদে তারা মোটরসাইকেল চুরির বিষয়টি স্বীকার করে। পরে তাদের হেফাজত থেকে কাউনিয়ার বাসিন্দা লাবু খানের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়- ১০ সদস্যের চোরাই সিন্ডিকেটের এই তিনজন গত বছরে বরিশাল থেকে অন্তত ২০ টি বেশি মোটরসাইকেল চুরি করে খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই তথ্য-উপাত্ত্ব দিয়েছে এবং বিষয়টিতে আল আমিন আদালতেও জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়া বাকি দুইজন রবিউল ইসলাম ও ইউনুস হাওলাদার গ্রেপ্তারের পরে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি চোরাই চক্রে জড়িত অপর ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য দেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি/উত্তর) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।’


























